সীতাকুণ্ডে আকাশ থেকে পড়লো ৩০ কেজি ওজনের ধাতব বস্তু!

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আকাশ থেকে উড়ে এসে কমপক্ষে ৩০ কেজি ওজনের একটি ধাতব বস্তু মাটিতে পড়েছে। মাটিতে পড়ার সাথে সাথেই সেটি আবার ৯ থেকে ১০ ফুট মাটিতে ডেবে যায়।উদ্ধার করা ধাতব বস্তুটি সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের কাছে রাখা হয়েছে। এর গায়ে তে লাল এবং সাদা রঙের প্রলেপ রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, শনিবার দুপুর ২টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের পূর্বহাসনাবাদ গ্রামের মিত্র বাড়ির পাশেই ধাতব বস্তুটি এসে পড়ে।

স্থানীয়রা বলছে, এটি আকাশ থেকেই পড়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রাখে। এরপরই ধাতব বস্তুর রহস্য উন্মোচনে তলব করা হয় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের-সিএমপি কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে। সীতাকুন্ড থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন মোল্লা বলেন, ‘কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের টিম এসেছিল। তারা মাটির নিচ থেকে ধাতব বস্তু উদ্ধার করে পুলিশকে বুঝিয়ে দিয়েছে।

এখন সিআইডির টিম দিয়ে এটি পরীক্ষা করা হবে। আসলে বস্তুটি কোথা থেকে এসে পড়েছে তা নিশ্চিত করে বলতে পারছি না।’ ঘটনাস্থলে যাওয়া কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার পলাশ কান্তি নাথ জানান, প্রথমে বলা হয়েছিল, এটি আকাশ থেকে পড়েছে। তাই ধারণা করা হয়েছিল হেলিকপ্টারের কোনো অংশ হতে পারে। এমনকি বিমানের যন্ত্রও হতে পারে। কিন্তু পরবর্তীতে মাটির নিচ থেকে তোলার পর দেখা গেলো একটি লোহার খণ্ড।

কিন্তু কোথা থেকে এসে এই খণ্ডটি এখানে পড়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।সীতাকুণ্ডের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) শম্পা রাণী সাহা গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, বিষয়টি তারা তদন্ত করছে, কিভাবে এবং কোথা থেকে এই ধাতব বস্তুটি এসে পড়ল। মিরপুরে করোনা ভাইরাসে মৃ’তের লা’শ ফেলে উ’ধাও পরিবার>>> করোনা ভাইরাস সংক্রমিত হয়ে রাজধানীর মিরপুরে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে ওই ব্যক্তির মৃত্যুর পরপরই উধাও হয়ে গেছে তার পরিবারের সদস্যরা। শুক্রবার (২০ মার্চ) রাতে রাজধানীর মিরপুরের ডেল্টা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দ্বিতীয় ব্যক্তির মৃত্যু হয়। শনিবার সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ডেল্টা হাসপাতালে একজন মারা গেছেন বলে একটি পোস্ট ভাইরাল হতে থাকে।

ওই পোস্টে বলা হয়, মৃত ব্যক্তি ওই হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার মৃত্যুর পর পরই স্বজনরা হাসপাতাল লাশ রেখে পালিয়ে যান। একজন মারা যাওয়ার পর হাসপাতালে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মৃত‌্যুর পর সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও নার্সদের বাধ্যতামূলক ছুটি দিয়েছে ডেল্টা কর্তৃপক্ষ। পরে শনিবার দুপুরে রাজধানীর মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সরকারের রোগতত্ত্ব,

রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। তিনি বলেন, ‘করোনায় আক্রান্ত হয়ে মিরপুরের ডেল্টা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন মারা গেছেন। তার বয়স আনুমানিক ৭৩ বছর। ওই হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনিও এক প্রবাসীর সংস্পর্শে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন।’ হাসপাতালে সৌদিপ্রবাসী ভর্তি হওয়ায় পালালেন ৩৮ রোগী>>>

সৌদিপ্রবাসী এক নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর খবর শুনে হাসপাতাল ছেড়ে পালালেন ভর্তি থাকা ৩৮ রোগী। শুক্রবার (২০ মার্চ) রাতে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরা ওই নারীর (২৮) বাড়ি সদর উপজেলায়। লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন,

‘গতকাল হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ১০০ শয্যার বিপরীতে ১৩৪ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। এই সংখ্যক রোগী হাসপাতাল থেকে দেওয়া খাবার গ্রহণ করেছিলেন। হাসপাতালে সৌদিপ্রবাসী একজন নারী অসুস্থ অবস্থায় ভর্তির জন্য আসছেন এমন তথ্য পেয়ে আমরা আইসোলেশন ওয়ার্ডের শয্যা প্রস্তুত করছিলাম। এমন অবস্থায় রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি থাকা ৩৮ জন রোগী কাউকে কিছু না বলে চলে যান।’

এক প্রশ্নের জবাবে মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, ‘ধারণা করছি, সৌদিপ্রবাসী রোগী ভর্তির কথা শুনে ওই ভর্তি রোগীরা পালিয়ে গেছেন। যদিও শেষ পর্যন্ত জানা গেছে, ওই নারীর হোম কোয়ারেন্টিনের মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে। তিনি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘এলাকাবাসী ফোন করে ভুল তথ্য দিয়ে এই বিপত্তি ঘটিয়েছেন।’ করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য

লালমনিরহাট সরকারি কলেজের মহিলা হোস্টেলে ৬৪ জন এবং লালমনিরহাট সরকারি নার্সিং কলেজে ১২ জনের চিকিৎসা সেবার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। জেলায় এখন হোম কোয়ারেন্টিনে ৭২ জন এবং প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে একজন রয়েছেন। লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের একীভূত ভবনের চতুর্থ তলায় করোনাভাইরাস সন্দেহে ভর্তি রোগীদের জন্য ১০ শয্যার পৃথক ওয়ার্ড প্রস্তুত করা হয়েছে।