মিরপুরে করোনা ভাইরাসে মৃ’তের লা’শ ফেলে উ’ধাও পরিবার!

করোনা ভাইরাস সংক্রমিত হয়ে রাজধানীর মিরপুরে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এদিকে ওই ব্যক্তির মৃত্যুর পরপরই উধাও হয়ে গেছে তার পরিবারের সদস্যরা। শুক্রবার (২০ মার্চ) রাতে রাজধানীর মিরপুরের ডেল্টা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দ্বিতীয় ব্যক্তির মৃত্যু হয়। শনিবার সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ডেল্টা হাসপাতালে একজন মারা গেছেন বলে একটি পোস্ট ভাইরাল হতে থাকে।

ওই পোস্টে বলা হয়, মৃত ব্যক্তি ওই হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার মৃত্যুর পর পরই স্বজনরা হাসপাতাল লাশ রেখে পালিয়ে যান। একজন মারা যাওয়ার পর হাসপাতালে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মৃত‌্যুর পর সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও নার্সদের বাধ্যতামূলক ছুটি দিয়েছে ডেল্টা কর্তৃপক্ষ। পরে শনিবার দুপুরে রাজধানীর মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সরকারের রোগতত্ত্ব,

রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। তিনি বলেন, ‘করোনায় আক্রান্ত হয়ে মিরপুরের ডেল্টা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন মারা গেছেন। তার বয়স আনুমানিক ৭৩ বছর। ওই হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনিও এক প্রবাসীর সংস্পর্শে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন।’ হাসপাতালে সৌদিপ্রবাসী ভর্তি হওয়ায় পালালেন ৩৮ রোগী>>>

সৌদিপ্রবাসী এক নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর খবর শুনে হাসপাতাল ছেড়ে পালালেন ভর্তি থাকা ৩৮ রোগী। শুক্রবার (২০ মার্চ) রাতে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরা ওই নারীর (২৮) বাড়ি সদর উপজেলায়। লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন,

‘গতকাল হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ১০০ শয্যার বিপরীতে ১৩৪ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। এই সংখ্যক রোগী হাসপাতাল থেকে দেওয়া খাবার গ্রহণ করেছিলেন। হাসপাতালে সৌদিপ্রবাসী একজন নারী অসুস্থ অবস্থায় ভর্তির জন্য আসছেন এমন তথ্য পেয়ে আমরা আইসোলেশন ওয়ার্ডের শয্যা প্রস্তুত করছিলাম। এমন অবস্থায় রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি থাকা ৩৮ জন রোগী কাউকে কিছু না বলে চলে যান।’

এক প্রশ্নের জবাবে মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, ‘ধারণা করছি, সৌদিপ্রবাসী রোগী ভর্তির কথা শুনে ওই ভর্তি রোগীরা পালিয়ে গেছেন। যদিও শেষ পর্যন্ত জানা গেছে, ওই নারীর হোম কোয়ারেন্টিনের মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে। তিনি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘এলাকাবাসী ফোন করে ভুল তথ্য দিয়ে এই বিপত্তি ঘটিয়েছেন।’ করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য

লালমনিরহাট সরকারি কলেজের মহিলা হোস্টেলে ৬৪ জন এবং লালমনিরহাট সরকারি নার্সিং কলেজে ১২ জনের চিকিৎসা সেবার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। জেলায় এখন হোম কোয়ারেন্টিনে ৭২ জন এবং প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে একজন রয়েছেন। লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের একীভূত ভবনের চতুর্থ তলায় করোনাভাইরাস সন্দেহে ভর্তি রোগীদের জন্য ১০ শয্যার পৃথক ওয়ার্ড প্রস্তুত করা হয়েছে।

গুজব প্রচারকারী ‘হ্যালো রোহান’র যুবদল নেতা পুলিশের জালে>>> চট্টগ্রামে করোনা ভাইরাস নিয়ে ফেসবুক মেসেঞ্জারে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে ইফতেখার আদনান নামে এক চিকিৎসকে আটক করেছে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানা পুলিশ।শনিবার (২১ মার্চ) শনিবার বিকেলে নগরের একটি রেস্টুরেন্ট থেকে তাকে আটক করা হয় বলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম শহরের দুই নম্বর গেইট মেয়র গলির বাসিন্দা ডা. ইফতেখার আদনান ইউএসটিসি থেকে এমবিবিএস পাশ করে আবুল খায়ের গ্রুপ ও মেডিকেল সেন্টারে কর্মরত রয়েছেন।এছাড়া তিনি চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদকও বলে জানিয়েছে পুলিশ ও তার সংগঠন। রাতে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) শ্যামল কুমার নাথ বলেন,

করোনার কারনে বাংলাদেশে অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং সরকার সেই তথ্য গোপন করছে উল্লেখ করে একটি অডিও ক্লিপ তৈরি করেন ডা. ইফতেখার আদনান এবং জনমনে ভীতি তৈরি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার উদ্দেশ্যে ফেসবুক মেসেঞ্জারে সুকৌশলে প্রচার করেন। ।” চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) বিজয় বসাক,

জানান, ভাইরাল হওয়া অডিও ক্লিপে রোহান নামে একজনকে উদ্দেশ্য করে ইফতেখার আদনান মিথ্যা তথ্য দেন। তদন্তে নেমে পুলিশ আদনানকে শনাক্ত করে।ইফতেখার আদনান পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন অডিওটি তিনি তৈরি করেছেন। ইফতেখার আদনানকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।ডাক্তার ইফতেখার আদনান চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক বলে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি।