করোনা আ’তঙ্ক কাজে লাগিয়ে প’র্ন সাইটের র’মর’মা ব্য’বসা ।

বিশ্বব্যাপী ভয় আর আ’ত’ঙ্ক ছ’ড়াচ্ছে ক’রোনাভা’ইরাস। কিন্তু তাতেও যেনো কিছু মানুষের সোনায় সোহাগা। নী’লছবির দুনিয়ায় ক’রোনাকে পুঁ’জি করে চলছে র’মর’মা ব্য’বসা। ক’রোনাভা’ইরাস ট্রেন্ডে তৈরি করা প’র্নোগ্রা’ফি ছ’ড়িয়ে প’ড়ছে নেট দুনিয়ায়। মানুষের এই বি’কৃত রুচিবোধকে ‘ভয়াবহ’ উল্লেখ করে প্রতিবেদন প্র’কাশ করেছে আন্তর্জাতিক কিছু গণমা’ধ্যম।

বিশ্বব্যাপী আলোচিত ও সমালোচিত গণমা’ধ্যম ভাইসের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত কয়েকদিনে ইন্টারনেটে ক’রোনাভা’ইরাস রো’গীদের বেশে তৈরি করা প’র্নোগ্রা’ফি সার্চ লিস্টের শীর্ষে অ’বস্থান করছে। এমনকি শীর্ষ কিছু এডাল্ট সাইট ক’রোনা আ’ক্রান্ত অ’ঞ্চলগুলোয় প্রিমিয়াম একাউন্ট ফ্রিতে খোলার সু’যোগ করে দিয়েছে বলে জা’নাচ্ছে তারা বলে জা’নিয়েছে।

একই ইস্যুতে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ডেইলি মেইলও। তারা বলছে, ক’রোনাভা’ইরাস ছ’ড়িয়ে পড়ার পর লা’ফিয়ে লা’ফিয়ে বে’ড়েছে এই ধরনের ভিডিও। এমন ম’হামা’রীর সময়ে মানুষের বিচিত্র রু’চিবো’ধ ভা’বিয়েছে সমাজবিজ্ঞানীদেরও। অবশ্য এডাল্ট ওয়েবসাইটগুলো দা’বি করেছে, ক’রোনাভা’ইরাসে আ’ক্রান্ত রো’গী ও তাদের স্বজনদের প্রতি স’ম্পূর্ণ স’হম’র্মিতা রয়েছে তাদের।

উপদ্রুত অঞ্চলের মুষড়ে পড়া মানুষকে হাঁ’ফ ছেড়ে বাঁ’চার সুযোগ দিতেই এই উ’দ্যোগ নিয়েছে তারা। এসব যু’ক্তি যে ধো’পে টি’কছে না, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। মন’স্তত্ব’বিদরা বলছেন, যে সব মানুষ ছায়াকে ভয় তাদের একটা বড় অংশ হরর সিনেমার প্রতি আ’কৃ’ষ্ট। এক্ষেত্রেও তেমনটি হয়ে থাকতে পারে। ভীতিই এক ধরনের আ’ক’র্ষ’ণ তৈরি করে। যা কাজে লা’গিয়ে র’মর’মা ব্য’বসা করছে কিছু বি’কৃত রু’চির মানুষ।

উল্লেখ্য, চীনের উহান শহর থেকে ছ’ড়ানো ক’রোনাভা’ইরাসে আ’ক্রা’ন্ত হয়ে এ প’র্যন্ত ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ মা’রা গেছে। বিশ্বজুড়ে প্রায় লাখের মতো মানুষ কোভিড-১৯ আ’ক্রা’ন্ত হয়েছে। ভ’য়ংকর রুপ নিচ্ছে করোনা ভা’ইরাস, বাড়লো বাংলাদেশে আ’ক্রান্তের সংখ্যা, মোট আক্রান্ত>>> বাংলাদেশে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আ’ক্রান্ত হয়েছেন আরও তিনজন।

আ’ক্রান্তদের মধ্যে আছেন ২২ বছরের একজন নারী এবং দুই জন পুরুষ। যাদের একজনের বয়স ৬৫ এবং আরেকজনের বয়স ৩৫ বছর।এ নিয়ে দেশে মোট করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৭ জনে। বৃহস্পতিবার রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘নতুন আক্রান্তরা একই পরিবারের সদস্য এবং ইতালিফেরত। তবে আক্রান্তদের মধ্যে মৃদু সংক্রমণ দেখা গেছে।৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন ৩ ব্যক্তি। এরপর গতকালকের আগ পর্যন্ত ১৪ জনের শরীরে এই ভাইরাস পাওয়ার যায়। যাদের মধ্যে একজনের মৃ’ত্যু হয়। বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে মহাখালীতে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

এছাড়া নতুন আরও চার জন করোনাভাইরাসে আ’ক্রান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এনিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে আ’ক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাড়ালো ১৪জনে। করোনায় মৃ’ত ব্যক্তি সম্পর্কে তিনি আরও জানান, ওই ব্যক্তি কিডনি, হার্টসহ বিভিন্ন রোগেও ভুগছিলেন। গতকাল তার সম্পর্কেই বলা হয়েছিল যে, একজনের অবস্থা আ’শঙ্কাজনক।

মা’রা যাওয়া ওই ব্যক্তি বিদেশফেরত আ’ক্রান্ত একজনের সংস্পর্শে আক্রান্ত হয়েছেন বলেও জানান মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। মা’রা যাওয়া ওই ব্যক্তির লা’শ এখন কী করা হবে এমন এক প্রশ্নের জবাবে আইইডিসিআর পরিচালক জানান, তাকে কবরস্থ করা হবে। বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আ’ক্রান্ত হয়ে প্রথম এক ব্যক্তির মৃ’ত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা বিভাগ।

সত্তরোর্ধ এই ব্যক্তি বিদেশফেরত নন। অন্য একজন আ’ক্রান্তের সংস্পর্শে আসার কারণে তিনি সং’ক্রমিত হয়েছিলেন। তিনি নানা শারিরীক জটিলতায় ভুগছিলেন।তার কিডনি রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ফুসফুসে সমস্যা এবং হা’র্টের অসুখ ছিল। হার্ট সমস্যার কারণে সম্প্রতি তার স্টেনটিং বা রিং পরানো হয়।তিনি গত কয়েকদিন হাসপাতালের আইসিইউতে ছিলেন।

এছাড়া নতুন চার জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।তাদের করোনাভাইরাসের উ’পসর্গ মৃদু হলেও অন্যান্য শা’রিরীক সমস্যা রয়েছে। একজন এর আগে স্ট্রোকও করেন। ৮ই মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়। সেসময় তিনজন করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত হওয়ার তথ্য জানায় আইইডিসিআর।এরপর ১৪ই মার্চ শনিবার রাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আরো দু’জনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার তথ্য জানান।

পরবর্তীতে সোমবার তিনজন এবং মঙ্গলবার আরো দু’জনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার তথ্য জানানো হয়। আইইডিসিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয় আক্রান্তদের সবাই বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে এসেছিলেন।আইইডিসিআরের পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন করোনাভাইরাস আক্রান্ত কোনো দেশ থেকে বাংলাদেশে ফিরে এলে ১৪দিন হোম কোয়ারেন্টিন করতেই হবে। সেই নির্দেশনা না মানলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি। বিস্তারিত আসছে:

দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা আরও দুইজন বেড়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর মহাখালীতে করোনা ভাইরাস নিয়ে নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে সোমবার পর্যন্ত আট জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন ফ্লোরা।

বিশ্বব্যাপী ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৭ হাজার ১১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ৭৯ হাজার ৮৮১ জন সুস্থ হয়েছেন। ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৫৪৭ জন। আক্রান্তদের মধ্যে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৯৫ হাজার ৫০২ জন। চিকিৎসাধীন ৮৯ হাজার ৩৩৯ জনের অবস্থা স্থিতিশীল। আর ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছেন ৬ হাজার ১৬৩ জন।’