বাংলাদেশে আ’ক্রান্ত ১ জনের মৃ’ত্যু, আরো চার জন আ’ক্রান্ত

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আ’ক্রান্ত হয়ে প্রথম এক ব্যক্তির মৃ’ত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা বিভাগ।সত্তরোর্ধ এই ব্যক্তি বিদেশফেরত নন। অন্য একজন আ’ক্রান্তের সংস্পর্শে আসার কারণে তিনি সং’ক্রমিত হয়েছিলেন। তিনি নানা শারিরীক জটিলতায় ভুগছিলেন।তার কিডনি রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ফুসফুসে সমস্যা এবং হা’র্টের অসুখ ছিল। হার্ট সমস্যার কারণে সম্প্রতি তার স্টেনটিং বা রিং পরানো হয়।তিনি গত কয়েকদিন হাসপাতালের আইসিইউতে ছিলেন।

এছাড়া নতুন চার জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।তাদের করোনাভাইরাসের উ’পসর্গ মৃদু হলেও অন্যান্য শা’রিরীক সমস্যা রয়েছে। একজন এর আগে স্ট্রোকও করেন। ৮ই মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়। সেসময় তিনজন করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত হওয়ার তথ্য জানায় আইইডিসিআর।এরপর ১৪ই মার্চ শনিবার রাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আরো দু’জনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার তথ্য জানান।

পরবর্তীতে সোমবার তিনজন এবং মঙ্গলবার আরো দু’জনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার তথ্য জানানো হয়। আইইডিসিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয় আক্রান্তদের সবাই বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে এসেছিলেন।আইইডিসিআরের পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন করোনাভাইরাস আক্রান্ত কোনো দেশ থেকে বাংলাদেশে ফিরে এলে ১৪দিন হোম কোয়ারেন্টিন করতেই হবে। সেই নির্দেশনা না মানলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি। বিস্তারিত আসছে:

দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা আরও দুইজন বেড়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর মহাখালীতে করোনা ভাইরাস নিয়ে নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে সোমবার পর্যন্ত আট জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন ফ্লোরা।

বিশ্বব্যাপী ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৭ হাজার ১১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ৭৯ হাজার ৮৮১ জন সুস্থ হয়েছেন। ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৫৪৭ জন। আক্রান্তদের মধ্যে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৯৫ হাজার ৫০২ জন। চিকিৎসাধীন ৮৯ হাজার ৩৩৯ জনের অবস্থা স্থিতিশীল। আর ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছেন ৬ হাজার ১৬৩ জন।

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে আলোচনা করতে আজ লাইভে আসবেন আজহারী>>> বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১০টায় করোনা ভাইরাস সম্পর্কে আলোচনা করতে ফেসবুক লাইভে আসবেন জনপ্রিয় ইসলামিক বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী। আজ বিকাল ৫টায় মিজানুর রহমান আজহারী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। মিজানুর রহমান আজহারী তার ফেসবুক পেজে লিখেন, ‘ইনশাআল্লাহ! বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১০টায় “করোনা ভাইরাস: আমাদের করণীয়” বিষয়ে কিছু কথা শেয়ার করতে লাইভে আসব।

সকলে সাদর আমন্ত্রিত।’ এর আগে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা আরও দুইজন বেড়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর মহাখালীতে করোনা ভাইরাস নিয়ে নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে সোমবার পর্যন্ত আট জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন ফ্লোরা।

বিশ্বব্যাপী ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৭ হাজার ১১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ৭৯ হাজার ৮৮১ জন সুস্থ হয়েছেন। ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৫৪৭ জন। বাংলাদেশেও স্থানীয়ভাবে ছড়াতে শুরু করেছে করোনা ভাইরাস>>> বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও স্থানীয়ভাবে ছড়াতে শুরু করেছে নতুন করোনাভাইরাস।

এ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছে ৮ জন। এর মধ্যে চারজনই স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত। নতুন আক্রান্ত তিনজনের দু’জনই শিশু। যাদের বয়স ১০ বছরের নিচে। আক্রান্ত ৮ জনের মধ্যে তিনজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এছাড়া আইসোলেশনে আছেন সন্দেহজনক আরও ১০ জন। সারা দেশে কোয়ারেন্টিনে আছেন ৩ হাজার ৪৮৮ জন।

রোববার এই সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৭১ জন। এক দিনের ব্যবধানে কোয়ারেন্টিনে থাকা সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ১ হাজার ১৭ জন। সর্বোচ্চ সংখ্যক কোয়ারেন্টিনে আছেন চট্টগ্রাম বিভগে ১ হাজার ৩৪৩ জন। সবচেয়ে বেশি কোয়ারেন্টিনে থাকা জেলা মানিকগঞ্জ। সেখানে ২৯৬ জন কোয়ারেন্টিনে। যে এলাকগুলোয় স্থানীয় সংক্রমণ ঘটছে, সেই এলাকা লকডাউনের কথা ভাবছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার।

এদিকে সোমবার সন্ধ্যায় কাতার এয়ারওয়েজের একটি বিমানে করে ৬৮ জন ইতালির যাত্রীসহ ৯২ জন দেশে ফেরেন। বিমানবন্দর থেকে তাদের আশকোনার হজক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে আরও তিনজনের মধ্যে নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। যারা এর আগে আক্রান্ত এক প্রবাসীর পরিবারের সদস্য।

সোমবার করোনা সংক্রান্ত নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে দু’জন শিশু। এ তিনজনের একজন ২৫ বছর বয়সী নারী, একজন ছয় বছর বয়সী মেয়ে এবং একজন দুই বছর বয়সী ছেলেশিশু। দুই শিশুর জ্বর-সর্দি, কাশির সুস্পষ্ট লক্ষণ ছিল। তবে তাদের সবার সংক্রমণই ‘মৃদু’ বলে মন্তব্য করেন ফ্লোরা। এর আগে দ্বিতীয় দফায় ইতালি ও জার্মানি ফেরত যে দু’জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ে,

তাদেরই একজনের মাধ্যমে তার পরিবারের ওই তিন সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন। ওই তিনজনকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।অধ্যাপক ফ্লোরা বলেন, আক্রান্তদের মাধ্যমে অন্য কারও শরীরে যেন ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য তাদের আইসোলেশন ইউনিটে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। অন্যান্য দেশের মতো তাদেরও বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করা যেত, কিন্তু আমরা তা করছি না। এ নিয়ে বাংলাদেশে আটজনের মধ্যে এ ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ল।

যাদের মধ্যে প্রথম দফায় আক্রান্ত তিনজন এরই মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন পাঁচজন।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, সোমবার পর্যন্ত বিদেশ ফেরত সন্দেহজনক ৩ হাজার ৪৮৮ জনকে হোম কেয়ারেন্টিনে নেয়া হয়েছে। রোববার এই সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৪৭১ জন। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে কেয়ারেন্টিনে থাকার সংখ্যা বেড়েছে ১ হাজার ১৭ জন।কোয়ারেন্টিনে থাকার এই পরিসংখ্যান ১০ মার্চ থেকে শুরু করেছে সরকার।