নারীর কাছে পুরুষ কী চায়?

প্রিয় নারীসঙ্গীর কাছে পুরুষসঙ্গীটি কী চান? ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টিভির অনলাইন সংস্করণ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, পুরুষ একটি সম্পর্ক থেকে শারীরিক সম্পর্কের চেয়েও বেশি কিছু প্রত্যাশা করে। আবেগের বন্ধন, পাশাপাশি পথচলার মতো একজন নারী—এ রকম অনেক চাওয়া থাকে একজন পুরুষের কল্পনাজুড়ে। পুরুষ সাধারণত নিজের আবেগ লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করে।

তাদের মন ও হৃদয়ের কথাগুলো খুব কমই বাইরে প্রকাশ পায়। এমনকি আবেগঘনিষ্ঠ ব্যাপারগুলো নিয়ে তারা তেমন কথা বলতেও পছন্দ করে না। কিন্তু তারাও আবেগী সমর্থন ও প্রত্যাশাগুলো পূরণের আশা করে সঙ্গীর কাছ থেকে। নারীসঙ্গীর কাছে পুরুষ কী প্রত্যাশা করে, মৌলিক প্রয়োজনগুলো একঝলক দেখে নেওয়া যেতে পারে— সমর্থনপূর্ণ শ্রদ্ধা:- প্রত্যেক পুরুষ তার সঙ্গীর কাছ থেকে শ্রদ্ধা চায়।

তার আবেগ, সময়, চেষ্টা এমনকি তার কাজকেও আপনার শ্রদ্ধা করা উচিত। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকলেই একটি শক্তিশালী সম্পর্ক তৈরি হয়। অন্যদিকে, পারস্পরিক অশ্রদ্ধাকে বলা হয় সম্পর্কছেদের প্রথম ধাপ। তাই প্রতিটি নারীর উচিত তার সঙ্গীকে ও তার আবেগকে যথাসাধ্য শ্রদ্ধা করা। সঙ্গীকে ‘বিশেষ’ ভাবানো:- পুরুষসঙ্গী হয়তো বা সবকিছু প্রকাশ করবে না, কিন্তু আপনি যখন তাকে গুরুত্বপূর্ণ অনুভব করাবেন, সত্যিই সে ভীষণ পছন্দ করবে।

নারীর মতোই তারা আকর্ষণ উপভোগ করে। সুতরাং পুরুষকে গুরুত্বপূর্ণ অনুভব করানোর কিছু পরিকল্পনা এখনই করে ফেলতে পারেন। আত্মসম্মানে আঘাত করবেন না:- নারী-পুরুষ প্রত্যেকেই আত্মসম্মানের প্রতি ভীষণ খেয়ালি হয়। তাই পুরুষের আত্মসম্মানের দিকে খেয়াল রাখুন, কোনোভাবেই স্পর্শকাতর ইগোতে আঘাত দেওয়া যাবে না। আবেগঘন সম্পর্ক গড়ে তুলুন:-

পরস্পরের মধ্যে শক্তিশালী আবেগঘন বন্ধনই পারে সম্পর্ককে মজবুত করতে। আপনার পুরুষসঙ্গীর সঙ্গে নিয়মিত কথা বলুন, তাঁর সমস্যাগুলো জানুন। আন্তরিক যোগাযোগ বাড়ান। একে অন্যের আবেগকে মূল্য দিন এবং পারতপক্ষে কখনোই সঙ্গীর অনুভূতিকে আঘাত করবেন না। পুরুষও নিরাপত্তা চায়:- শুনতে কিছুটা চমকপ্রদ মনে হলেও সত্যি যে প্রত্যেক পুরুষ তার সম্পর্কে নিরাপত্তা চায়।

নারী প্রায়ই ভেবে থাকে, কেবল তারাই সম্পর্কে অনিরাপদ ও তাদেরই নিরাপত্তার প্রয়োজন। কিন্তু পুরুষও সম্পর্কে নিরাপত্তার অভাব অনুভব করে ভীষণভাবে। এ জন্যই পুরুষ একজন নারীর কাছে ভালোবাসা ও বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষার আহ্বান জানায়। সঙ্গিনী বয়সে বড় হলে যা করবেন>>> সম্পর্ক কখনো বয়স হিসেব করে গড়ে ওঠে না। সম বয়সী বা বয়সে বড় যে কারো সঙ্গেই হতে পারে সম্পর্ক। এক্ষেত্রে মনের মিলই প্রাধান্য পায়।

তবে সেই প্রেম টিকিয়ে রাখাটাই সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। আপনার প্রেমিকা যদি বয়সে বড় হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে মাথায় রাখতে হবে কিছু বিষয়। ১. প্রেমিকার সঙ্গে গল্প বা আড্ডার ছলে কখনই অপছন্দের কিছু বলে ফেলবেন না। বিশেষ করে কম বয়সের মেয়েদের নিয়ে। এ থেকে তার মনে হতে পারে আপনি ভালো নেই।

২. পেশাগত দিক থেকে তিনি বেশি বড় হওয়ায় উচু পোস্টে কাজ করতে পারেন। তা নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগবেন না। ৩. বয়সে বড় হলেই যে সম্পর্কের রাশ তার হাতে থাকবে এমনটা নয়। কখনো না কখনো বিপরীতে থাকা মানুষটিরও ইচ্ছে হয় আবদার করার, সেই দিকে নজর রাখুন। ৪. দুজনের মধ্যে বয়সের পার্থক্য কত তা হিসাব করা বন্ধ করুন। এসব ভুলেই সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। তবেই সেখানে নিজেদের মধ্যে স্বাভাবিকত্ব বজায় থাকবে।

৫. অনেক সময় এই ধরনের সম্পর্কগুলোকে অনেকেই মেনে নিতে পারেন না। ফলে তাকে কেউ ছোট করতে পারে, এমন কারোর সামনে না নিয়ে যাওয়াই ভালো। ৬. বয়সের ফারাক যতটাই হোক না কেন, তাকে দুষ্টমি করে হলেও আপু বা অন্য কিছু বলে সম্বোধন না করাই ভালো। এতে আর পাঁচজনের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়া হয় যে আপনাদের মধ্যে বয়সের ফারাক রয়েছে। যা সম্পর্কের জন্য মোটেও মঙ্গলের নয়