যাত্রীবেশে ছি’নতাই, ২ নারী ও সিএনজি চালক আ’টক

কুমিল্লায় যাত্রীবেশে সি এন জি চালিত অটোরিকশায় ছি’নতাইয়ের চে’ষ্টাকালে দুজনকে আ’টক করে পিটুনি দিয়ে পু’লিশে সোপর্দ করেছে জনতা।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টা নাগাদ কুমিল্লার শাসনগাছা এলাকা হতে একটি ভাড়ায় চালিত সি এন জি চালিত অটোরিকশায় যাত্রী হিসেবে ওঠে এক যাত্রী। সেটিতে যাত্রী হিসেবে ওঠে দুই ন্যাকাব পরিহিত নারী। পরে হঠাৎ সি এন জিটি ওই যাত্রীসহ ডিসি রোডের দিকে নিয়ে যায় তারা

এবং ওই যাত্রীর মুঠোফোন এবং টাকা পয়সাসহ সব বের করে দিতে বলে।এ সময় ওই যাত্রী কৌশলে চিৎকার করলে ছোটরা এলাকার এক বাসিন্দার সহায়তায় স্থানীয়রা এসে তাকে উ’দ্ধার করে। এই সুযোগে ওই সি এন জি চালক পালিয়ে যায়। পরে, তাকে নগরীর ধর্মসাগরের পূর্ব পাড় থেকে তুলে এনে গ’ণ পি’টুনি দিয়ে পু’লিশে সোপর্দ করে এলাকাবাসী। এ ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃ’ষ্টি করেছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থা’নার পরিদর্শক (ওসি) আনোয়ারুল হক মুঠোফোনে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “এস আই সাধন চন্দ্রের নেতৃত্বে পু’লিশের একটি দলের কাছে স্থানীয়রা ছি’নতাইকারীদের তুলে দিয়েছেন। আমরা জি’জ্ঞাসাবাদের পর সবকিছু জানাতে পারবো”। ছোটরা এলাকার ওই বাসিন্দা জানান: আমি মোটরসাইকেলে সাড়ে ৭টা নাগাদ পু’লিশ লাইন থেকে যাচ্ছিলাম।

পরে, ডিসি রোডের মাথায় যাত্রীর চিৎ’কার শুনে স্থানীয়দের সহায়তায় ওই দুই মহিলা এবং চালককে আ’টক করেছি। পরে, তাদেরকে পু’লিশে তুলে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে আরো>>> দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা আরও দুইজন বেড়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর মহাখালীতে করোনা ভাইরাস নিয়ে নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে সোমবার পর্যন্ত আট জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন ফ্লোরা।

বিশ্বব্যাপী ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৭ হাজার ১১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ৭৯ হাজার ৮৮১ জন সুস্থ হয়েছেন। ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৫৪৭ জন। আক্রান্তদের মধ্যে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৯৫ হাজার ৫০২ জন। চিকিৎসাধীন ৮৯ হাজার ৩৩৯ জনের অবস্থা স্থিতিশীল। আর ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছেন ৬ হাজার ১৬৩ জন।

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে আলোচনা করতে আজ লাইভে আসবেন আজহারী>>> বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১০টায় করোনা ভাইরাস সম্পর্কে আলোচনা করতে ফেসবুক লাইভে আসবেন জনপ্রিয় ইসলামিক বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী। আজ বিকাল ৫টায় মিজানুর রহমান আজহারী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। মিজানুর রহমান আজহারী তার ফেসবুক পেজে লিখেন, ‘ইনশাআল্লাহ! বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১০টায় “করোনা ভাইরাস: আমাদের করণীয়” বিষয়ে কিছু কথা শেয়ার করতে লাইভে আসব।

সকলে সাদর আমন্ত্রিত।’ এর আগে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা আরও দুইজন বেড়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর মহাখালীতে করোনা ভাইরাস নিয়ে নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে সোমবার পর্যন্ত আট জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন ফ্লোরা।

বিশ্বব্যাপী ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৭ হাজার ১১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ৭৯ হাজার ৮৮১ জন সুস্থ হয়েছেন। ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৫৪৭ জন। বাংলাদেশেও স্থানীয়ভাবে ছড়াতে শুরু করেছে করোনা ভাইরাস>>> বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও স্থানীয়ভাবে ছড়াতে শুরু করেছে নতুন করোনাভাইরাস।

এ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছে ৮ জন। এর মধ্যে চারজনই স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত। নতুন আক্রান্ত তিনজনের দু’জনই শিশু। যাদের বয়স ১০ বছরের নিচে। আক্রান্ত ৮ জনের মধ্যে তিনজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এছাড়া আইসোলেশনে আছেন সন্দেহজনক আরও ১০ জন। সারা দেশে কোয়ারেন্টিনে আছেন ৩ হাজার ৪৮৮ জন।

রোববার এই সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৭১ জন। এক দিনের ব্যবধানে কোয়ারেন্টিনে থাকা সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ১ হাজার ১৭ জন। সর্বোচ্চ সংখ্যক কোয়ারেন্টিনে আছেন চট্টগ্রাম বিভগে ১ হাজার ৩৪৩ জন। সবচেয়ে বেশি কোয়ারেন্টিনে থাকা জেলা মানিকগঞ্জ। সেখানে ২৯৬ জন কোয়ারেন্টিনে। যে এলাকগুলোয় স্থানীয় সংক্রমণ ঘটছে, সেই এলাকা লকডাউনের কথা ভাবছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার।

এদিকে সোমবার সন্ধ্যায় কাতার এয়ারওয়েজের একটি বিমানে করে ৬৮ জন ইতালির যাত্রীসহ ৯২ জন দেশে ফেরেন। বিমানবন্দর থেকে তাদের আশকোনার হজক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে আরও তিনজনের মধ্যে নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। যারা এর আগে আক্রান্ত এক প্রবাসীর পরিবারের সদস্য।

সোমবার করোনা সংক্রান্ত নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে দু’জন শিশু। এ তিনজনের একজন ২৫ বছর বয়সী নারী, একজন ছয় বছর বয়সী মেয়ে এবং একজন দুই বছর বয়সী ছেলেশিশু। দুই শিশুর জ্বর-সর্দি, কাশির সুস্পষ্ট লক্ষণ ছিল। তবে তাদের সবার সংক্রমণই ‘মৃদু’ বলে মন্তব্য করেন ফ্লোরা। এর আগে দ্বিতীয় দফায় ইতালি ও জার্মানি ফেরত যে দু’জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ে,

তাদেরই একজনের মাধ্যমে তার পরিবারের ওই তিন সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন। ওই তিনজনকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।অধ্যাপক ফ্লোরা বলেন, আক্রান্তদের মাধ্যমে অন্য কারও শরীরে যেন ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য তাদের আইসোলেশন ইউনিটে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। অন্যান্য দেশের মতো তাদেরও বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করা যেত, কিন্তু আমরা তা করছি না। এ নিয়ে বাংলাদেশে আটজনের মধ্যে এ ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ল।

যাদের মধ্যে প্রথম দফায় আক্রান্ত তিনজন এরই মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন পাঁচজন।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, সোমবার পর্যন্ত বিদেশ ফেরত সন্দেহজনক ৩ হাজার ৪৮৮ জনকে হোম কেয়ারেন্টিনে নেয়া হয়েছে। রোববার এই সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৪৭১ জন। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে কেয়ারেন্টিনে থাকার সংখ্যা বেড়েছে ১ হাজার ১৭ জন।কোয়ারেন্টিনে থাকার এই পরিসংখ্যান ১০ মার্চ থেকে শুরু করেছে সরকার।