করোনাভাইরাসঃ শেষবারের মতো বাবাকে দেখতে পারলো না ছেলে

করোনা ভাইরাসে আ’ক্রান্ত হয়ে দিনদিন মৃ’তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে মৃ’ত্যু হয়েছে ৩ হাজার ২৮৫ জনের। বিভিন্ন দেশে দেড় লক্ষ মানুষ এ ভাইরাসে আ’ক্রান্ত হয়েছে। এছাড়া চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৫৩ হাজার ৬৮৮ জন। ইতোমধ্যে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আ’ক্রান্ত তিনজন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এদিকে, এই ভাইরাসে ভারতে ইতিমধ্যে ২ জনের মৃ’ত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

নতুন খবর হচ্ছে, করোনাভাইরাসের কারনে শেষবারের মতো বাবাকে দেখতে পারলো না বিদেশ ফেরত ছেলে। জানা যায়, বাবা অসুস্থ শুনেই কাতার থেকে ছুটে এসেছিলেন প্রবাসী ছেলে। কিন্তু করোনা আ’ক্রান্ত সন্দেহে বিদেশফেরত ওই ব্যক্তিকে আইসোলেশনে পাঠায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যেই মা;;রা যান তার বৃদ্ধ বাবা। হাসপাতালের জানালা দিয়েই দেখলেন, বাবার ম;র;দেহ নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য।

ভিডিও কলে দেখেছেন শেষ;কৃত্য। সম্প্রতি এমন ঘটনাই ঘটেছে ভারতের কেরালায়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, বিদেশ ফেরত ওই ব্যক্তির নাম লিনো আবেল। তিনি কাতারে থাকতে হঠাৎ খবর পান, বাবা পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন, এখন হাসপাতালে ভর্তি। সঙ্গে সঙ্গেই দেশে ফেরেন লিনো। ৮ মার্চ ফেরার পর থেকেই কাশি হচ্ছিল তার। একে তো করোনা আক্রান্ত কাতার থেকে ফিরেছেন,

তার ওপর কাশি, এ কারণে নিজেই হাসপাতালে যান লিনো। কোট্টায়ামের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয় তাকে।
একই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন লিনোর বাবা। পরের দিন ৯ মার্চ হৃদরোগে আ’ক্রান্ত হয়ে মা;;রা যান তিনি। কিন্তু, একই হাসপাতালে থাকা সত্ত্বেও বাবাকে সামনাসামনি দেখতে যেতে পারেননি লিনো। জানালা দিয়েই দেখতে হয়েছে ম;রদে;হ নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য।

করোনা ভা’ইরাসে আ’ক্রান্ত স’ন্দেহে নববধূকে ব্যাপক মা’রধর>>> করোনা ভাইরাসে আ’ক্রান্ত হয়ে দিনদিন মৃ’তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে মৃ’ত্যু হয়েছে ৩ হাজার ২৮৫ জনের। বিভিন্ন দেশে দেড় লক্ষ মানুষ এ ভাইরাসে আ’ক্রান্ত হয়েছে। এছাড়া চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৫৩ হাজার ৬৮৮ জন। ইতোমধ্যে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আ’ক্রান্ত তিনজন রোগী শ*নাক্ত হয়েছে। এদিকে, এই ভাইরাসে ভারতে ইতিমধ্যে ২ জনের মৃ’ত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

নতুন খবর হচ্ছে, ভারতের ওড়িশার নবরংপুর জে’লায় করোনা ভাইরাসে আ’ক্রান্ত স*ন্দেহে নববধূকে ব্যাপক মা’রধর করা হয়েছে। স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকদের বি’রুদ্ধে এমনই অ’ভিযোগ তুলে পু’লিশের দ্বারস্থ হয়েছেন পূজা নামের এক নারী। পু’লিশ জানায়, অ’ভিযোগকারী পূজা সরকারের দাবি, বিয়ের পর থেকেই যৌতুক চেয়ে তার উপর মানসিক ও শারীরিক অ’ত্যাচার করে চলেছে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা।

স্বামীও বারবার তার কাছ থেকে যৌতুকের টাকা দাবি করে। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এখন নতুন একটি কারণ দেখিয়ে মা’রধর করা হচ্ছে নববধূকে। শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের সন্দেহ, করোনা ভাইরাসে আ’ক্রান্ত পূজা। যে কারণে দিন-রাত তার উপর চলছে অ’ত্যাচার।দিল্লিতে করোনার ম’হামা’রি ঘোষণা, স্কুল কলেজ সিনেমা হল বন্ধ>>> প্রা’ণঘাতী করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবকে ম’হামারি ঘোষণা করেছে দিল্লির রাজ্য সরকার।

পাশাপাশি, ওই অঞ্চলের সব সব স্কুল, কলেজ ও সিনেমা হল আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত ব’ন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়ছে। বৃহস্পতিবার একথা জানিয়ছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এক টুইটে কেজরিওয়াল বলেন, ‘মহামারি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করবে দিল্লি সরকার। করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে আমাদের সবধরনের সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত দিল্লির সব সিনেমা হল, স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকবে। তবে পূর্বনির্ধারিত সময়েই পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হবে। জনগণকে বড় জমায়েত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।’ ভারতে এ পর্যন্ত অন্তত ৭৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে, এদের মধ্যে ১৭ জনই বিদেশি নাগরিক। দেশটিতে করোনায় এ পর্যন্ত অন্তত একজনের মৃ’’ত্যু হয়েছে। গত মঙ্গলবার কর্ণাটকে মা;;রা যাওয়া ওই বৃদ্ধ করোনা

আক্রান্ত ছিলেন বলে বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণলায়। দিল্লিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বর্তমানে ছয়জন। ইউরোপ-আমেরিকান তরুণীদের টার্গেট করে ফাঁদ পাতেন ইমন>>> স্ত্রী’-সন্তানের তথ্য গো’পন করে টানা দুই বিদেশিনীকে বিয়ে করেছেন হাবিবুল বাশার ওরফে ইমন (৪০)।ফেসবুকসহ বিভিন্নভাবে ইউরোপ-আমেরিকার সুন্দরী মেয়েদের টার্গেট করে বিয়ের নাট’ক করেন ইমন।

তার আকাঙ্ক্ষা হচ্ছে ইউরোপ অথবা আমেরিকায় পাড়ি জমানো।চাঁদপুরের সন্তান ইমন কক্সবাজারে একটি হোটেলের ম্যানেজার ছিলেন।বর্তমানে রাজধানী ঢাকায় একটি হোটেলের ফ্রন্ট-ডেস্ক ম্যানেজার হিসেবে চাকরি করছেন। কর্মস্থলের পরিচয়কে পুঁজি করে হোটেল কক্ষেই বিয়ের নাট’কের আগেই সরল বিশ্বা’সী মেয়েদের প্রতারণা ফাঁদে ফেলছেন। কক্সবাজারের হোটেলে ম্যানেজারের চাকরি চলে গেছে

ইতালির এক ত`রুণীকে বিয়ের নাট’ক সাজানোর পর। সেটি ২০১৬ সালের ঘটনা। সেই তরুনী পলা খান তৃপ্তি ইতালির নাগরিক। পেশায় আইনজীবী। ইমনের কথায় মজে গিয়ে ইতালি থেকে কক্সবাজারে গিয়ে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হবার পর জানতে পারেন, ইমন বিবাহিত। এরপর তৃপ্তি ইমনকে পু’লিশে দিয়েছিলেন। এর ফলে হোটেলের চাকরি থেকে বরখাস্ত হন ইমন। ইমনকে তালাক দিয়ে তৃপ্তি পাড়ি দিয়েছেন আপন গন্তব্যে।

এরপর নিউইয়র্কে বসবাসরত শারমিন আকতারকে (২৫) প্রেম নিবেদন করেন ইমন। তার সুদর্শন চেহারায় শারমিন আকৃষ্ট হন। নিউইয়র্কে একটি বহুজাতিক কোম্পানীর কর্মী শারমিন খুব সহ’জেই ইমনের ডাকে সাড়া দিয়ে ছুটে যান ঢাকায়। ঢাকা থেকে কক্সবাজার। ইমন তাকে জানান, তার স্ত্রী’ ও সন্তান রয়েছে। তবে তাকে তালাকের প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই বিয়ে করতে আ’পত্তি থাকবে না।

গত বছরের মে মাসে তাদের তালাক সম্পন্ন হয় এবং শারমিন ঢাকায় গিয়ে বান্ধবীর বাসায় ইমনকে বিয়ে করেন। এরপর হানিমুনে যান থাইল্যান্ডে। ৬ দিন কা’টান সেখানে। ওই সময়েই স্পন্সর করতে অবিরতভাবে চাপ দিতে থাকেন ইমন। শারমিন ইমনকে বলেন, নিউইয়র্কে ফিরেই সবকিছু জমা দেবেন। কিন্তু ইমন তা মানতে নারাজ। শারমিন নিউইয়র্কে ফিরে নিশ্চিত হন, তার আগে ইতালির একজনকে বিয়ে করেছিলেন

এবং প্রথম স্ত্রী’ জান্নাতুল ফেরদৌস লিজার সাথেও তার তালাক হয়নি। সবকিছু সাজানো।লিজা তাকে টেলিফোনে জানিয়েছেন, ইমনের ভাড়া করা বাড়িতে ৬ বছর বয়সী পুত্রসহ বসবাস করছেন। ইমনও তাদের সঙ্গেই আছেন। তবে মাঝেমধ্যেই ইমন উধাও হয়ে যান। লিজা আরও জানান যে, বিদেশে যাবার লো’ভেই ইমন ইউরোপ-আমেরিকার তরুনীদের টার্গেট করে।

শারমিনকে ছাড়ার পর এখন আরেকজনকে নিয়ে হোটেলে বিয়ের মহড়া দিচ্ছেন ইমন-এমন সন্দেহও পোষণ করেন লিজা। কারণ, কয়েকদিন থেকেই ইমন তার সেলফোন রিসিভ করছেন না। শারমিন আরও অ’ভিযোগ করেছেন, ইমন তাকে হু`মকি দেয় গ্রিনকার্ড বাতিলের। এমনকি বাংলাদেশে গেলে খু’নের হু`মকিও দিচ্ছে।শারমিন বলেন, ইমনের সন্তান এসেছিল আমা’র গর্ভে। কিন্তু সেটি আমি পরিত্যাগ করেছি। এমন ভণ্ড ব্যক্তির কোন চিহ্ন রাখতে চাই না।

ইমনের সাথে পরিচয় ঘটার পর আমি অনেক অর্থ ব্যয় করেছি তার জন্যে। বিয়ের সময় সবকিছু করেছি। থাইল্যান্ডে হানিমুনের খরচও আমি বহন করেছি। বুঝতে পারিনি সে এতটা লম্পট। আমি এই প্রতারকের বি’রুদ্ধে আ’দালতে যাচ্ছি। ইতিমধ্যেই ঢাকায় একজন আইনজীবীর সাথে কথা হয়েছে। আমি চাই না, আর কোন মেয়ের জীবন সে নষ্ট করুক। ইমনের প্রথম স্ত্রী’ লিজা জানান,

আমি মা-বাবাসহ আত্মীয়-স্বজনকে ঘটনাগুলো অবহিত করেছি। চেষ্টা করছি ওকে সুপথে ফেরাতে। আমা’র সন্তানের কথা বিবেচনায় রেখে সকল যন্ত্র’ণা সহ্য করছি। তারপরও যদি সে সংশোধিত না হয়, তাহলে নিজের ভাগ্য অবশ্যই বেছে নেব। তবে আমি চাই না যে, আর কোন মেয়ের জীবন সে নষ্ট করুক। এ সংবাদদাতাও একাধিকবার চেষ্টা করেছেন ইমনের বক্তব্য জানার জন্যে। কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেননি।