করোনা ভাইরাস আ’তঙ্কে রাজাসহ রাজপ্রাসাদ ছাড়লেন বৃটেনের রানী

যুক্তরাজ্যেও ভ’য়াবহ রূপ ধারণ করছে প্রা’ণঘাতী করোনাভাইরাস। দেশটিতে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আ’ক্রান্তের পাশাপাশি মৃ’তের সংখ্যা। করোনা ভা’ইরাসের থাবা এড়াতে বাকিংহাম প্যালেন (রাজপ্রাসাদ) থেকে সরিয়ে ফেলা হল রানি এলিজাবেথকে। তিনিসহ রাজা ফিলিপ আপাতত উইন্ডসর ক্যাসেলে থাকবেন। সেখানে তাদের কোয়ারেন্টাইন করে রাখা হবে। রোববার (১৫ মার্চ) রাজপরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,

রানি ও রাজা সুস্থই আছেন। লন্ডনে প্রচুর পর্যটক আসেন। বাকিংহামেও আসেন অনেকে। সম্প্রতি রানি অনেকের সঙ্গে দেখা করেছেন। তাই স’তর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে রাজা ও রানিকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল। উইন্ডসর ক্যাসেল বাকিংহাম থেকে প্রায় ২৫ মাইল দূরে অবস্থিত। সেখানে মানুষজনের আনাগোনা অনেকটাই কম। ব্রিটেনের স্বাস্থ্য সচিব ম্যাট হ্যানক জানান, দেশের হাসপাতালগুলো প্রস্তুত নয়। সবমিলিয়ে মোট ৫০০০ ভেন্টিলেটার মেশিন আছে।

কিন্তু তা যথেষ্ট নয়। আরও অনেক বেশি মেশিনের প্রয়োজন রয়েছে। তাই ৭০ বছরের উপরের যাদের বয়স তাঁদের আগামী চার মাস বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত বিশ্বের মোট দেড়শো দেশে ছড়িয়েছে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে প্রায় দেড় লাখ মানুষ। মৃ’ত্যু হয়েছে পাঁচ হাজার জনেরও বেশি। চিনের ইউহান শহরের পর করোনা ভাইরাসেক করাল গ্রাসে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ।

করোনাভাইরাসের প্রভাব পড়েছে ব্রিটেনের সব কটি সুপারস্টোরে। আগে এসব শেলফগুলোতে খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী সাজানো থাকতো, তা এখন ফাঁকা। ক্রেতারা কিনতে আসলেও হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে। যুক্তরাজ্যে এক নবজাতকের শরীরে করোনা ভা’ইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এখনও পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে কমবয়সী করোনা আ’ক্রান্ত রোগী এই নবজাতক। হিজাব নি’ষিদ্ধের দেশ ফ্রান্সে এবার মুখ না ঢাকলেই জ’রিমানা>>>

ইউরোপের দেশ ফ্রান্সে আইন করে মুসলিম নারীদের হিজাব পরা নিষিদ্ধ করা হলেও করোনা সংক্র’মিত হওয়ার পর দেশটির নাগরিকরা এখন মুখ ঢেকে চলাফেরা করতে বাধ্য হচ্ছেন! এমনকি মুখোশ না পরে বা মুখ না ঢেকে চলাফেরা করলে ১৫০ ইউ’রো জ’রিমানার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। করোনায় আক্রা’ন্ত শী’র্ষ ১০ দেশের মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স। দে’শটিতে এখন পর্যন্ত ক’রোনা’য় আ’ক্রা’ন্ত হয়েছে ৪ হাজার ৪৬৯ জন।

এর মধ্যে মা’রা’ গেছে ৯১ জন। সম্প্রতি ফ্রা’ন্সের বিখ্যাত ‘প্যা’রিস ফ্যাশন সপ্তাহ’- এ মডেলরা মুখো’শ প’রেই অংশগ্রহণ করেন। মডে’লদের পরিহিত মু’খোশ’গুলো দেখতে অনেকটাই হিজা’বের মতোই ছিল। শুধু ফ্রান্সেই নয়, বিশ্বে’র অনেক দেশে করো’নাভা’ইরাস ছড়িয়ে পড়ায় নারী মডেল থেকে শুরু করে সবাই মুখোশ পরছেন। নিরাপত্তার বি’ষয়ের দিকে ল’ক্ষ্য রেখেই তারা এ মুখোশ পড়ছেন।

প্যারিসের ওই ফ্যাশন স’প্তাহ নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বি’বিসি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদনটি টু’ইটারে শেয়ার করেন নামিরা ইসলাম নামের এক নারী। টুইটার হ্যান্ডেলে ওই নারী নিজেকে বাঙালি মুসলিম আইন’জীবী ও গ্রাফি’ক ডিজাইনার বলে উল্লেখ করেছেন। নামিরা ইসলাম বলেন, এবং যেখানে আমাকে বলা হয়েছিল, উদ্দেশ্য’মূলক’ভাবে অপ’রা’ধ ও নিরা’পত্তা হুম’কির জন্য তোমার মুখ ঢেকে (পর্দা) রাখ।’

ফ্রান্সের হি’জাব নিষিদ্ধের ঘটনা স্ম’রণ করিয়ে দিয়ে টুইটবার্তার কমেন্টবক্সে তিনি আরও লেখেন- ফ্রান্স হলো সেই দেশ যারা মুখের ওড়’নার (হিজাব) ওপর প্রথম নিষে’ধাজ্ঞার প্রবর্তন করেছিল। নামিরা ইসলাম জানান, ‘প্রকাশ্য স্থা’নে মুখ গোপ’ন করা’ হি’জাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আ’রো’পের কারণ হিসেবে ‍উল্লেখ করে’ছিলেন তৎকা’লীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্লড গুয়ান্ট। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে ফ্রান্স যখন প্রথম ‘মুখ ঢাকা পো’ষাক’

নি’ষিদ্ধ করে তখন তা ইউরোপে তীব্র বি’তর্ক সৃষ্টি করে। ইউ’রোপে ফ্রান্সই ছিল প্রথম দেশ যারা এ ধ’রনের পদক্ষেপ নেয়।ফ্রান্সে কেবল বোর’কা নয়, মুখ ঢাকা যে কোনো পো’শাক, মু’খোশ, বা’লা’ক্লাভা, হেলমেট বা হুড – যা পরিচয় গো’পন রা’খতে সহা’য়তা করে, তা নি’ষি’দ্ধ। ২০১৯ সালের ১৬ মে ফ্রান্সের সংসদ অধি’বে’শনে স্কুল শি’ক্ষার্থী’দের হিজাব পরার ওপর নি’ষেধা’জ্ঞা জা’রি করা হয়।

চেকপোস্ট এলাকায় আ’তঙ্কঃ অ’বাধে ভারতীয়রা আসছে দেশে… করোনাভাইরাস প্র’তিরোধে ভারত সরকার ১৩ মার্চ বিকেল থেকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশের পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও বাংলাদেশ সরকারের কোন নিষেধাজ্ঞা না থাকায় ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রীরা ভারত থেকে বাংলাদেশে যাতায়াত করছে। নিষেধাজ্ঞার পর এ পর্যন্ত ৫৮ জন ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বেনাপোলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে,

বাংলাদেশ ও ভারতের দিল্লিতে করোনা রোগী সনাক্ত হওয়ার পর ভারত সরকার বাংলাদেশী পাসপোর্ট যাত্রীদের ভারতে প্রবেশে নি’ষেধাজ্ঞা জারি করায় ১৪ মার্চ থেকে কোন বাংলাদেশী যাত্রীকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন থেকে ভারতে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না অথচ ভারত থেকে ভারতীয় নাগরিকরা বাংলাদেশে প্রবেশে বেনাপোল ইমিগ্রেশন থেকে কোন বাধা দেয়া হচ্ছে না। এভাবে ভারতীয় নাগরিকরা বাংলাদেশে প্রবেশ করলে যেকোন সময় করোনা

ভাইরাস বেনাপোল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে বলে আ’শঙ্কা করছেন। তাছাড়া শনিবার ভারতের বনগাঁ শহরে করোনাভাইরাস রোগী সনাক্ত হয়েছে এমন সংবাদ বের হলে বেনাপোল চেকপোস্ট এলাকায় আ’তঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান হাবিব বলেন, ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রীদের প্রবেশে সরকারের কোন বাংলাদেশ সরকারের কোন

নি’ষেধাজ্ঞা না থাকায় তাদেরকে বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হচ্ছে। সরকারের নির্দেশনা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।