প্রবাসীরা দেশে আসলে ন’বাবজাদা হয়ে যান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাঙালি প্রবাসীরা দেশে আসলে তারা ন’বাবজাদা হয়ে যান। তারা কো’য়ারেন্টাইনে যাওয়ার বিষয়ে খুব অসন্তুষ্ট হন। একথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। তিনি বলেন, ফাইভ স্টার হোটেল না হলে তারা অপছন্দ করেন।রোববার রাজধানীতে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজে (বিআইআইএসএস) এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন।

শনিবার আশকোনা হজ ক্যাম্পে অস্থায়ী কোয়ারেন্টাইনের বিষয়ে ইতালিফেরত ১৪২ জন প্রবাসীর বি’ক্ষোভের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, তারা গতকাল (শনিবার) খুব অ’স্থিরতা করেছেন। তারা দেশে আসছেন, কোনো কোয়ারেন্টাইনে যেতে চান না। সঙ্গে সঙ্গে তারা বাড়িতে যাবেন। আমরা যেখানে রেখেছিলাম, আগেও রেখেছিলাম, তারা সেটা পছন্দ করেননি। বাংলাদেশে ফ্ল্যাট বাথরুম,

তারা কমোড বাথরুম ইউজ করেন। সুতরাং তাদের অ’সুবিধা হয়েছে। আমরা সেখানে পর্যটন থেকে খাবার দিয়েছি, কিন্তু তারা মনে করেন সোনারগাঁও, ফাইভ স্টার থেকে খাবার দেয়া উচিত। সেটা দিতে পারিনি। সে জন্য তারা অ’সন্তুষ্ট হয়েছেন। তাদের বিভিন্ন রকম অ’ভিযোগ ছিল। তারা মনে করেন এগুলো খুব নোং’রা। তিনি বলেন, আমাদের তো দৈ’ন্যতা আছে, এটা তো একটা বিশেষ অবস্থা। আমরা যাদের নিয়ে আসি,

তাদের হজক্যাম্পে রাখি, এখন আরও কয়েকটা হাসপাতালও প্রস্তুত করে রেখেছি।এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশের জনগণকে রক্ষা করা। সুতরাং কয়েকজনের কারণে দেশের সাড়ে ১৬ কোটি মানুষ অ’সুস্থ হোক- তা সরকার চায় না। সরকার আবেদন করেছিল প্রবাসীরা যেন এখন দেশে না আসেন, তারা যেন আরও কিছুদিন সেখানে থাকেন। কিন্তু তারা শুনেননি। সে জন্য বা’ধ্য হয়ে ফ্লাইট ব’ন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

আজ (রোববার) মধ্যরাত ১২টা ১ মিনিট থেকে এটি কার্যকর হবে। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশি নাগরিককে ভারত তাদের দেশে যেতে দিচ্ছে না। বাংলাদেশও আজ থেকে ভারতের নাগরিকদের ঢুকতে দেয়া ব’ন্ধ করেছে।হিজাব নি’ষিদ্ধের দেশ ফ্রান্সে এবার মুখ না ঢাকলেই জ’রিমানা! ইউরোপের দেশ ফ্রান্সে আইন করে মুসলিম নারীদের হিজাব পরা নি’ষিদ্ধ করা হলেও করোনা

সংক্র’মিত হওয়ার পর দেশটির নাগরিকরা এখন মুখ ঢেকে চলাফেরা করতে বাধ্য হচ্ছেন! এমনকি মুখোশ না পরে বা মুখ না ঢেকে চলাফেরা করলে ১৫০ ইউ’রো জ’রিমানার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। করোনায় আক্রা’ন্ত শী’র্ষ ১০ দেশের মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স। দে’শটিতে এখন পর্যন্ত ক’রোনা’য় আ’ক্রা’ন্ত হয়েছে ৪ হাজার ৪৬৯ জন। এর মধ্যে মা’রা’ গেছে ৯১ জন। সম্প্রতি ফ্রা’ন্সের বিখ্যাত ‘প্যা’রিস ফ্যাশন সপ্তাহ’-

এ মডেলরা মুখো’শ প’রেই অংশগ্রহণ করেন। মডে’লদের পরিহিত মু’খোশ’গুলো দেখতে অনেকটাই হিজা’বের মতোই ছিল। শুধু ফ্রান্সেই নয়, বিশ্বে’র অনেক দেশে করো’নাভা’ইরাস ছড়িয়ে পড়ায় নারী মডেল থেকে শুরু করে সবাই মুখোশ পরছেন। নিরাপত্তার বি’ষয়ের দিকে ল’ক্ষ্য রেখেই তারা এ মুখোশ পড়ছেন। প্যারিসের ওই ফ্যাশন স’প্তাহ নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বি’বিসি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

ওই প্রতিবেদনটি টু’ইটারে শেয়ার করেন নামিরা ইসলাম নামের এক নারী। টুইটার হ্যান্ডেলে ওই নারী নিজেকে বাঙালি মুসলিম আইন’জীবী ও গ্রাফি’ক ডিজাইনার বলে উল্লেখ করেছেন। নামিরা ইসলাম বলেন, এবং যেখানে আমাকে বলা হয়েছিল, উদ্দেশ্য’মূলক’ভাবে অপ’রা’ধ ও নিরা’পত্তা হুম’কির জন্য তোমার মুখ ঢেকে (পর্দা) রাখ।’ ফ্রান্সের হি’জাব নিষিদ্ধের ঘটনা স্ম’রণ করিয়ে দিয়ে টুইটবার্তার কমেন্টবক্সে তিনি আরও লেখেন-

ফ্রান্স হলো সেই দেশ যারা মুখের ওড়’নার (হিজাব) ওপর প্রথম নিষে’ধাজ্ঞার প্রবর্তন করেছিল। নামিরা ইসলাম জানান, ‘প্রকাশ্য স্থা’নে মুখ গোপ’ন করা’ হি’জাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আ’রো’পের কারণ হিসেবে ‍উল্লেখ করে’ছিলেন তৎকা’লীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্লড গুয়ান্ট। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে ফ্রান্স যখন প্রথম ‘মুখ ঢাকা পো’ষাক’ নি’ষিদ্ধ করে তখন তা ইউরোপে তীব্র বি’তর্ক সৃষ্টি করে। ইউ’রোপে ফ্রান্সই ছিল প্রথম দেশ যারা এ ধ’রনের পদক্ষেপ নেয়।

ফ্রান্সে কেবল বোর’কা নয়, মুখ ঢাকা যে কোনো পো’শাক, মু’খোশ, বা’লা’ক্লাভা, হেলমেট বা হুড – যা পরিচয় গো’পন রা’খতে সহা’য়তা করে, তা নি’ষি’দ্ধ। ২০১৯ সালের ১৬ মে ফ্রান্সের সংসদ অধি’বে’শনে স্কুল শি’ক্ষার্থী’দের হিজাব পরার ওপর নি’ষেধা’জ্ঞা জা’রি করা হয়।
চেকপোস্টএলাকায় আ’তঙ্কঃ অ’বাধে ভারতীয়রা আসছে দেশে…

করোনাভাইরাস প্র’তিরোধে ভারত সরকার ১৩ মার্চ বিকেল থেকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশের পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও বাংলাদেশ সরকারের কোন নিষেধাজ্ঞা না থাকায় ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রীরা ভারত থেকে বাংলাদেশে যাতায়াত করছে। নিষেধাজ্ঞার পর এ পর্যন্ত ৫৮ জন ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বেনাপোলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে,

বাংলাদেশ ও ভারতের দিল্লিতে করোনা রোগী সনাক্ত হওয়ার পর ভারত সরকার বাংলাদেশী পাসপোর্ট যাত্রীদের ভারতে প্রবেশে নি’ষেধাজ্ঞা জারি করায় ১৪ মার্চ থেকে কোন বাংলাদেশী যাত্রীকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন থেকে ভারতে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না অথচ ভারত থেকে ভারতীয় নাগরিকরা বাংলাদেশে প্রবেশে বেনাপোল ইমিগ্রেশন থেকে কোন বাধা দেয়া হচ্ছে না। এভাবে ভারতীয় নাগরিকরা বাংলাদেশে প্রবেশ করলে যেকোন সময় করোনা

ভাইরাস বেনাপোল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে বলে আ’শঙ্কা করছেন। তাছাড়া শনিবার ভারতের বনগাঁ শহরে করোনাভাইরাস রোগী সনাক্ত হয়েছে এমন সংবাদ বের হলে বেনাপোল চেকপোস্ট এলাকায় আ’তঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান হাবিব বলেন, ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রীদের প্রবেশে সরকারের কোন বাংলাদেশ সরকারের কোন

নি’ষেধাজ্ঞা না থাকায় তাদেরকে বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হচ্ছে। সরকারের নির্দেশনা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।