শিশুটির বাবা-মা’র খোঁ’জ মিলছে না , খুঁজে পেতে শেয়ার করুন

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার কাকডাঙ্গা এলাকায় দু’র্ঘট’নাকবলিত যাত্রীবাহী বাস থেকে একটি শিশুকে আহ’ত অব’স্থায় উ’দ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে উ’দ্ধার কর্মীরা। দু’র্ঘট’নার সময় শিশুটি তার বাবা-মায়ের সঙ্গে ওই বাসেই ছিল। ঘটনার পর থেকে তার স্বজনদের কোনো খোঁ’জ মিলছে না। সাড়ে তিন বছর বয়সী ফুটফুটে শিশুটি বর্তমানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে রয়েছে।

ফকিরহাট হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের কর্মী মোশারেফ হোসেন জানান, শিশুটির বয়স সাড়ে ৩ বছর হতে পারে। সে তেমন কোনো কথা বলতে পারে না। বর্তমানে আমাদের হেফাজতে রয়েছে। এর আগে শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফকিরহাট উপজেলার মূলঘর ইউনিয়নের কাকডাঙ্গা এলাকায় যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংর্ঘ’ষে নারী শিশুসহ ৫ জন নিহ’ত হয়েছেন।

এ ঘটনায় আহ’ত হয়েছেন আরও ১৫ জন। যাত্রীবাহী রাজিব পরিবহনের বাসটি খুলনা থেকে রবিশাল যাবার পথে এ ঘটনা ঘটে। নিহ’তদের মধ্যে লাফিজা খাতুন নামের ৫ মাসের এক শিশুর নাম জানা গেছে। সে মাদারীপুর এলাকার লিয়াকত আলীর মেয়ে। ফকিরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনম খায়রুন আনাম ঘটনাস্থল থেকে জানান, বিকেলের দিকে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী রাজিব পরিবহন

মূলঘরের কাকডাঙ্গা এলাকায় পৌঁছালে বিপরিত দিক থেকে আসা রড বোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংর্ঘ’ষ হয়। এসময় পরিবহনে থাকা এক নারী শিশুসহ ৩ জন ঘটনাস্থলেই নিহ’ত হয়। অপর দুইজনকে হাসপাতালে নেয়া হলে মা’রা যায়। আহ’ত হয় আরও ১৫ যাত্রীকে ফকিরহাট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ওসি আরও জানান নিহ’ত অন্যদের নাম পরিচয় এ মুর্হূতে জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে ফায়ার বিগ্রেডের একটি ইউনিট পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে।

দু’র্ঘ’টনার পরপরই খুলনা-মাওয়া মহাসড়কটিতে যান চলাচলা বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উ’দ্ধার করার প্রায় এক ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। চেকপোস্ট এলাকায় আ’তঙ্কঃ অ’বাধে ভারতীয়রা আসছে দেশে>>> করোনাভাইরাস প্র’তিরোধে ভারত সরকার ১৩ মার্চ বিকেল থেকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশের পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও

বাংলাদেশ সরকারের কোন নিষেধাজ্ঞা না থাকায় ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রীরা ভারত থেকে বাংলাদেশে যাতায়াত করছে। নিষেধাজ্ঞার পর এ পর্যন্ত ৫৮ জন ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বেনাপোলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের দিল্লিতে করোনা রোগী সনাক্ত হওয়ার পর ভারত সরকার বাংলাদেশী পাসপোর্ট যাত্রীদের ভারতে প্রবেশে নি’ষেধাজ্ঞা জারি করায় ১৪ মার্চ থেকে কোন

বাংলাদেশী যাত্রীকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন থেকে ভারতে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না অথচ ভারত থেকে ভারতীয় নাগরিকরা বাংলাদেশে প্রবেশে বেনাপোল ইমিগ্রেশন থেকে কোন বাধা দেয়া হচ্ছে না। এভাবে ভারতীয় নাগরিকরা বাংলাদেশে প্রবেশ করলে যেকোন সময় করোনা ভাইরাস বেনাপোল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে বলে আ’শঙ্কা করছেন। তাছাড়া শনিবার ভারতের বনগাঁ শহরে করোনাভাইরাস রোগী সনাক্ত হয়েছে

এমন সংবাদ বের হলে বেনাপোল চেকপোস্ট এলাকায় আ’তঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান হাবিব বলেন, ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রীদের প্রবেশে সরকারের কোন বাংলাদেশ সরকারের কোন নি’ষেধাজ্ঞা না থাকায় তাদেরকে বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হচ্ছে। সরকারের নির্দেশনা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

করোনা থেকে বাঁচতে অতিরিক্ত গোমূত্র পানে অ’সুস্থ বাবা রামদেব>>> ভারতের প্রখ্যাত যোগগুরু বাবা রামদেব করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁ’চতে অতিরিক্ত গোমূত্র পান করায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হচ্ছে। এই দাবির স্বপক্ষে রামদেবের পুরনো কিছু ছবি শেয়ার করছেন অনেকেই। তবে ভারতের ইংরেজি দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়া বাবা রামদেবের অসুস্থ হওয়ার এই খবরের সত্যতা যাচাইয়ে দীর্ঘ অনুসন্ধান চালিয়েছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, ভাইরাল হওয়া ছবিটি আসলে ২০১১ সালের। কালো টাকার বিরুদ্ধে টানা অনশন করা রামদেব যেদিন তা প্রত্যাহার করেন, সেদিন হাসপাতালে ওই ছবি নেয়া হয়েছিল। একটানা অনশনে থাকার ফলে দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন তিনি। সুতরাং করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে রামদেবের গোমূত্র খাওয়ার দাবিটি সত্য নয়। বর্তমানে বিশ্বে ম’হামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে প্রা’ণঘাতী করোনাভাইরাস।

এই মারণ-ভাইরাসের লাগামহীন বিস্তার ঠেকাতে এবং প্রতিষেধক তৈরির জন্য রাত-দিন একাকার করে ফেলছেন বিজ্ঞানীরা। তবে সম্প্রতি হিন্দু ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী রাজৈনিতক দল হিন্দু মহাসভা করোনা ঠেকাতে গোমূত্র একমাত্র মহৌষধি বলে দাবি করেছে। রামদেবের অসুস্থ হওয়ার খবরের সঙ্গে একটি ছবিও পোস্ট করছেন অনেকে। যেখানে দেখা যায়, হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন রামদেব।

ছবি দেখে প্রাথমিকভাবে যোগগুরু অসুস্থ বলেই মনে হচ্ছে। তাকে ঘিরে রয়েছেন অনুগামীরাও। ইংরেজিতে Baba Ramdev Weak Hospital লিখে গুগল-সার্চ করলে দেশটির গণমাধ্যমে প্রকাশিত আসল ছবিটির সন্ধান মেলে। ওই খবর অনুযায়ী, দেরাদুনে অনশন ভাঙার পর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল রামদেবকে।

২০১১ সালের ১২ জুন ওই ছবিটি তোলা হয়। এছাড়াও বাবা রামদেবের মুখপাত্র তিজারওয়ালা এসকের গত ৫ মার্চের একটি টুইট সাম্প্রতিক জল্পনায় জল ঢেলেছে। তিনি লিখেছেন, এসবই ভুয়া খবর। লজ্জারও বিষয়। সম্মাননীয় রামদেব সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন। বিভিন্ন খবরের চ্যানেলকেও সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তিনি। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস ধরা পড়ে।

তখন থেকে বিশ্বের শতাধিক দেশে এই ভাইরাস সংক্রমণ ঘটিয়েছে এক লাখ ৪৫ হাজার ৬৯৮ জন এবং ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫ হাজার ৪৩৬ জন।