শা’রীরিক সম্পর্কের ইচ্ছা বাড়িয়ে তুলে যেসব খাবার ।

বিবাহিত জীবনকে আরও সুন্দর এবং সুখী করতে চাইলে শা’রীরিক সম্পর্কের কোন বিকল্প নেই। সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকার পাশাপাশি দরকার স্বাস্থ্যকর যৌ’ন জীবন। অথচ প্রায়ই দেখা যায় যৌ’ন স’মস্যার কারনে সংসারে অ’শান্তি হয়, এমনকি বিচ্ছেদ পর্যন্ত হয়ে থাকে। এবার আসুন জেনে নিই, শা’রীরিক সম্পর্কের ইচ্ছা বাড়াবে যেসব খাবার…

দুধঃ প্রতিদিন একগ্লাস দুধ খাওয়ার অভ্যাস থাকে অনেকেরই। খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদিতে বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে যেটা শা’রীরিক সম্পর্কের ইচ্ছা বাড়ায়। ডিমঃ পুষ্টিকর খাবারের তালিকায় উপরের দিকেই রয়েছে ডিমের নাম। ডিম শা’রীরিক সম্পর্কের চাহিদা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৬ থাকে যা হরমোন লেভেলের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং ক্লান্তি দূর করে।

কলাঃ অনীহা দূর করে শা’রীরিক সম্পর্কের ইচ্ছা বাড়াতে প্রতিদিন অন্তত একটি করে কলা খান। কলায় প্রচুর পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি এবং ব্রুমাইল্ড এনজাইম থাকে। এইসব উপাদান শা’রীরিক চাহিদার আ’সক্তি বাড়ায়। বাদামঃ প্রতিদিন একমুঠো করে বাদাম খাওয়ার অ’ভ্যাস করুন। বাদামে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। এই জিঙ্ক শু’ক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় এবং শক্তিশালী শু’ক্রাণু তৈরি করে।

যারা খাদ্যের মাধ্যমে শরীরে কম জিঙ্ক গ্রহণ করে তাদের বীর্য এবং টেস্টোস্টেরনের ঘনত্ব দুটিই কমে যায়। সকালে সঙ্গীকে জ’ড়িয়ে ধরলেই মিলবে আশ্চর্যজনক উপকার>>> স্বামী-স্ত্রী একজন অন্যজনের পরিপূরক। তাইতো তাদের সম্পর্ক হওয়া চাই মধুর ও বন্ধুত্বপূর্ণ। তারপরও নানা রকম ঝামেলা দুজনের মধ্যে হয়েই থাকে। তবে সব কিছু কাটিয়ে তুলে সম্পর্ককে সুন্দর রাখা দুজনেরই দায়িত্ব।

দেখা যায়, রাতে একসঙ্গে ঘুমানোর পরেও অনেক স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনো মিল থাকে না। একে অন্যের প্রতি মনে মনে রাগ পুষে রাখেন। তবে গবেষণা বলছে- সকালে ঘুম থেকে উঠে দুজন দুজনকে কমপক্ষে পাঁচ মিনিট জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকার কথা। এই কাজটি করলে মিলবে আশ্চর্যজনক উপকার। চলুন জেনে নেয়া যাক সেই উপকারগুলো সম্পর্কে-

> সংসার মানেই খুঁটিনাটি ঝগড়া। সেখানে মনোমালিন্য হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে অনেকেই এমন আছে যারা এসব ব্যাপার সহজে ভুলতে পারে না। কিন্তু সকালের ওই একটি কাজ খুব সহজেই এসব ঝগড়া ভুলিয়ে দিতে পারে। এতে সম্পর্ক সুন্দর ও গভীর হয়। > স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক ভালো থাকা মানেই মন ভালো থাকা। সকালে দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরার মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। মন থাকে শান্ত।

তাই কাজের প্রতি থাকে বিশেষ মনোযোগ। যারা চাকরি করেন তাদের অফিসে বকা খাওয়ারও ভয় থাকে না। > সকালের একটি কাজের ফলে দুজনের প্রতি বিশ্বাস মজবুত হয়। যা সংসারে শান্তি বজায় রাখার জন্য খুব জরুরি। > অনেক সময় নানা কারণেই শরীরে অলসতা বা ক্লান্তিভাব চলে আসে। কিন্তু জানলে অবাক হবেন, সকালে এই কাজটি জাদুর মতো সব ক্লান্তি ও অলসতা দূর করে দেয়। ফলে শরীর ও মন চাঙা হয়ে যায়।

> একসঙ্গে শুয়ে থাকার কারণে দুজনের মধ্যে ছোট-খাটো দুষ্টোমিও হয়। এতে ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে দুজনের মতামতও মিলতে থাকে। যা ঝগড়া কমাতে সাহায্য করে। সম্পর্ক সুন্দর করে। > সকালের এই একটি কাজ দুজন দুজনকে খুব ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করে। এতে একে অন্যের খুশি বুঝতে পারে। ফলে দুজনের মধ্যে ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও অনেক বড় সমস্যার সমাধান করতে পারে সকালের এই একটি কাজ। তাই সঙ্গীকে জড়িয়ে ধরুন এবং সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তুলুন।