করোনাভাইরাসে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বিমানের ফ্লাইট বা’তিল

করোনা ভা’ইরাসের প্রা’দুর্ভাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১১টি ফ্লাইট বা’তিল করা হয়েছে। এর মধ্যে দু’টি আন্তর্জাতিক ও চারটি দেশীয় ফ্লাইট রয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোকাব্বির হোসেন এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। বা’তিল হওয়া দেশীয় ফ্লাইট চারটি হলো- ১৫ মার্চ ঢাকা-যশোর, ১৫ ও ১৬ মার্চ ঢাকা-রাজশাহী ও ১৬ মার্চ ঢাকা-সৈয়দপুর রুটের ফ্লাইট।

আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সাতটি হলো- ২৪, ২৯, ৩০ এবং ৩১ মার্চ ঢাকা-কাঠমান্ডু; ১৬, ২৩ ও ৩০ মার্চ ঢাকা-ব্যাংকক ফ্লাইট। এর মধ্যে ১৯ ও ২২ মার্চ ঢাকা-কাঠমান্ডু ফ্লাইট পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ছেড়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, ১৭ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত কক্সবাজারে বি-৩৭৩ বিমানের পরিবর্তে ড্যাশ-৮ বিমান পরিচালিত হবে। মূলত যাত্রী সংখ্যা কমে যাওয়ায় আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ বি-৩৭৩ বিমান বেশি সংখ্যক যাত্রী নিয়ে চলাচল করে।

বিমান ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে সপ্তাহে সাতটি ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। উদ্ভূত পরিস্থিতি রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্স দু’টি ফ্লাইট বা’তিল করেছে। তবে আগামী ১৯ মার্চের ফ্লাইটটি যথারীতি পরিচালিত হবে বলেও জানান তিনি। এরআগে বিমান শুক্রবার থেকে ভারতের বিভিন্ন গন্তব্যে সব ফ্লাইট ব’ন্ধ করে দেয়। ভারত সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ছাড়াও দেশীয় বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএস-বাংলা ও নভোএয়ার ভারতে তাদের সব ফ্লাইট ব’ন্ধ করেছে।

বিমান ভারতের কলকাতা রুটে সপ্তাহে ১৪টি এবং দিল্লিতে ৭টি ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। ভারত সরকারের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সেদেশে সব ফ্লাইট বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ থেকে ভারতের দিল্লি, কলকাতা ও চেন্নাই রুটে দেশীয় চার এয়ারলাইন্স সপ্তাহে মোট ৩৭টি ফ্লাইট পরিচালনা করে আসছে। প্রা’ণঘাতি করোনাভাইরাসের কারণে যাত্রী সং’কটে পড়ে বিমান ১০টি আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট কমিয়েছে।

এছাড়া ঢাকা-কুয়েত ও ঢাকা-কাতার রুট পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্স বিমান। বিমান সূত্রে জানা গেছে, যাত্রীর অভাবে ১০ রুটে ফ্লাইট সংখ্যা ৬১ থেকে ৩১টিতে নামিয়ে আনা হয়েছে।শেখ হাসিনার মতো এতো আল্লাহওয়ালা মানুষ আর দেখিনি’- শামীম ওসমান>>> নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেছেন, কোনো দেশের রাষ্ট্রনায়ক যদি খুব বেশি আল্লাহওয়ালা হয়,

সে দেশের উপর আল্লাহর আলাদা একটা রহমত থাকে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস এবং আমার দেখা মতে, শেখ হাসিনার মতো এতো আল্লাহওয়ালা মানুষ আর দেখিনি।আমার আত্মবিশ্বাস হয়তো আমাদের দেশে করোনার ধাক্কা আসবে না। আর যদি সেরকম কিছু হয়ও তবে আমরা মোকাবেলা করতে প্রস্তুত আছি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (১৪ মার্চ) রাতে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে টেনিস টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিশ্বে করোনাভাইরাসের কারণে জিডিপি কমে যাওয়ায় দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খুব খারাপ পর্যায়ে গিয়েছে। তবে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি টিম নিয়ে কাজ করছেন। এই টিমে যারাই আছেন তারা সবাই সেবক। তাই করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার যৌথ উদ্যোগে গত ৮ মার্চ শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টে দেশের ২২টি দল অংশগ্রহণ করে।

ফাইনালে অফিসার্স ক্লাব অব ঢাকাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় পাবনার স্যামসন এইচ চৌধুরী টেনিস কমপ্লেক্স। জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিনের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ইউসুফ হারুন, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ টিটুসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ এখন করোনাভাইরাস মুক্তঃ ঘোষণা দিলো আইসিইডিআর>>> বাংলাদেশ এখন করোনা মুক্ত বলে ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট (আইসিডিইআর)। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আইসিডিইআরের মুখপাত্র মীরজাদী সেরিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, করোনা আক্রান্ত তিন রোগীর সবাই এখন সুস্থ।

তাই বাংলাদেশে এখন আর করোনা নেই। এর আগে, বাংলাদেশে তিন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। তারা নিজেরাই আইসিডিইআর এর সাথে যোগাযোগ করেন। সাথে সাথেই তাদের আইসোলেশনে নিয়ে চিকিৎসা শুরু করা হয়। এছাড়া এই তিনিজনের সংস্পর্শে আসা আরো ৪০ জনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। কোয়ারেন্টাইনে রাখা কারো মধ্যেই করোনার লক্ষণ প্রকাশিত হয় নি। ইতালি থেকে শতাধিক যাত্রী নিয়ে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি বিমান শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।

দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে- ৫৮২ নাম্বার ফ্লাইটে শনিবার সকালে তারা ঢাকায় অবতরণ করেন। ম’হামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে ভয়াবহভাবে আক্রান্ত দেশ ইতালির রোম থেকে ঢাকায় ফেরা ১৪২ জন বাংলাদেশিকে আশকোনা হজ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। কিন্তু ক্যাম্পের অবস্থা ভাল নয় বলে অনেক যাত্রী অভিযোগ করছেন।

তারা সেখানে থাকতে চাচ্ছেন না। এ ব্যাপারে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক তৌফিক ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, ‘ইতালি থেকে আসা ১৪২ জনকে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আশকোনা হজ ক্যাম্পে রাখা হবে। নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য তাদের ২ সপ্তাহ কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে।’ আগত ১৪২ জনের কোনো নাম বা পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।তাদের বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কেও গণমাধ্যমকে কিছু জানায়নি কর্তৃপক্ষ। প্রা’ণঘাতী করোনা মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছে অনেক আগেই।

বাদ যায়নি সৌদি আরবও। এক বিবৃতিতে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, মা’রাত্মক ছোঁ’য়াচে এই ভাইরাসে নতুন করে দেশটিতে একজন বাংলাদেশিসহ মোট ২৪ জন আ’ক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট আ’ক্রান্তের সংখ্যা ৮৬ জন। আ’ক্রান্তদের সবাইকে বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এবার সৌদি আরবে প্রথমবারের মতো এক বাংলাদেশি প্রবাসী করোনাভাইরাসে আ’ক্রান্ত হয়েছেন।

আ’ক্রান্তের নাম-ঠিকানা গোপন রেখে শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়!করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে দেশটি। ঝুঁ’কিতে থাকা এলাকা ও নাগরিকদের কড়া নজ’রদারিতে রাখা হয়েছে। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে এরইমধ্যে নানামুখি পদক্ষেপ গ্রহন করছে সৌদি আরব। এবার সেই পদক্ষেপ হিসেবে সব ধরণের আন্তর্জাতিক ফ্লা’ইট বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। আগামী দুই সপ্তাহ পর্যন্ত এই স্থ’গিতাদেশ বহাল থাকবে।

কার্যকর করা হবে রোববার বেলা ১১টা থেকে। প্রা’ণঘা’তী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) বিশ্বব্যাপী মৃ’ত্যুর মিছিল বাড়ছেই। যুক্তরাজ্যে এ ভাইরাস করোনায় আ’ক্রান্ত হয়ে আরেক ব্রিটিশ-বাংলাদেশি মা’রা গেছেন। তিনি পূর্ব লন্ডনের বাঙালি অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটসে বসবাস করতেন। দ্য রয়েল লন্ডন হাসপাতালে গত ৮ দিন করোনার সঙ্গে যু’দ্ধ করে শুক্রবার (১৩ মার্চ) ভোরে মা’রা যান ৬৬ বছর বয়সী ঐ ব্যক্তি।

পারিবারিক গো’পনীয়তা র’ক্ষার কারণে মৃ’ত ব্যক্তির নাম ও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব না হলেও তিনি যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক এবং সিলেটের অধিবাসী ছিলেন বিশ্বস্ত সূত্রে তা নিশ্চিত হওয়া গেছে। ৬ মাস আগে তিনি বাংলাদেশ সফর করেছিলেন বলেও জানা গেছে। ৮ দিন আগে অ’সুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে তার শরীরে করোনা ভাইরাস ধ’রা পড়ে। মৃ’তের ম’রদেহ রয়েল লন্ডন হাসপাতালের ম’র্গে রাখা হয়েছে।

ম’রদেহ স্বজনদের কাছে কিভাবে কখন হস্তান্তর করা হবে এ বিষয়ে এখনও কোনো সি’দ্ধান্ত হয়নি।এদিকে, দ্য রয়েল লন্ডন হাসপাতালে করোনা আ’ক্রান্ত হয়ে এক ব্রিটিশ-বাংলাদেশির মৃ’ত্যুর খবরে লন্ডনের প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আ’তঙ্ক সৃ’ষ্টি হয়েছে। সবাই স্বাস্থ্যবিষয়ক সচেতনতার পাশাপাশি সৃ’ষ্টিকর্তার কাছে প্রা’র্থনা করছেন। ভবিষ্যত খাবার সংকট মোকাবিলায় নিজেদের খাবার মজুত করতে অনেকেই মার্কেটে ভিড় জমাচ্ছেন।

পূর্ব লন্ডনসহ সারা ব্রিটেনের সুপার স্টোরগুলোতে ইতোমধ্যে স্যানিটাইজার, মাস্ক, হ্যান্ডওয়াশ, টিস্যু ও প্যারাসিটামলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট সৃ’ষ্টি হয়েছে।উল্লেখ্য, শুক্রবার পর্যন্ত ব্রিটেনে করোনা আ’ক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৭৯৮ জন এবং আ’ক্রান্ত হয়ে মা’রা গেছেন মোট ১১ জন। এরমধ্যে দু’জন ব্রিটিশ-বাংলাদেশি।এর আগে করোনা আ’ক্রান্ত হয়ে মৃ’ত্যুবরণকারী যুক্তরাজ্যের তৃতীয় ব্যক্তি ছিলেন ম্যানচেস্টারে বসবাসরত ৬০ বছর বয়সী আরেক ব্রিটিশ-বাংলাদেশি।

ব্রিটেন থেকে বাংলাদেশে যেতে ইচ্ছুকদের ভিসা নেয়ার আগে একটি ঘোষণাপত্র দিতে হবে বলে জানান লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশন।লন্ডনে বাংলাদেশ হাই কমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম বলেন, ওনাদেরকে ঘোষণা দিতে হবে, ৬ সপ্তাহের মধ্যে তাদের জ্বর বা ইনফ্লুয়েঞ্জা হয়েছে কিনা বা হলেও ডাক্তারের কাছ থেকে সার্টিফিকেট এনে দিতে হবে তার করোনা ভাইরাস নেই। চীন থেকে উৎপত্তি হওয়া করোনাভাইরাস এখন বিশ্বব্যাপী মহা’মারি আকার ধারণ করেছে।

ফলে আ’তঙ্কিত হয়ে পড়েছেন প্রায় সবাই। করোনা প্রতি’রোধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সাময়িকভাবে ব’ন্ধ করে দেয়া হয়েছে মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, গির্জা, স্কুল ও দর্শণীয় স্থান। স্থ’গিত করা হয়েছে মুসলমানদের মর্যাদাপূর্ণ ইবাদত ওমরাহও। করোনা আ’তঙ্কে মানুষের জন্য প্রতিক্রি’য়া, করণীয় ও আহ্বান ব্যক্ত করেছেন কাবা শরিফের প্রধান ইমাম শায়খ সুদাইসি। গত রোববার (৮ মার্চ) এশার নামাজের পর কাবা শরিফ চত্বরে করোনা ভাইরাস প্র’তিরোধে বাইতুল্লাহর মেহমানদের উদ্দেশে বয়ান পেশ করেন।

তার সেই বক্তব্য সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো- সেখানে তিনি আল্লাহ ও তার রাসুলের প্রশংসা করে উপস্থিত লোকদের বলেন, ‘হে আমার মুসলমান ভাইয়েরা! বিশ্বব্যাপী প্রাণঘা’তী এক ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। এ ভাইরাস আল্লাহর হিকমতেই কার্যকর। এটা বান্দার প্রতি আল্লাহর পরীক্ষা। যাতে বান্দা তার দিকে ফিরে আসে। আল্লাহ নিজেই বান্দাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, সম্পদ ও জীবনের ক্ষ’তির মাধ্যমে।

তবে ধৈ’র্যশীলদের জন্য রয়েছে সুসংবাদ।’ সুতরাং এ ভাইরাসসহ যাবতীয় বিপদ থেকে আ’ত্মরক্ষায় বান্দার জন্য জরুরি হলো আল্লাহর সাথে সম্পর্ক রাখা। করোনা ভাইরাস আ’তঙ্কে আল্লাহর প্রতি আস্থাহীন হওয়া উচিত নয় বরং ভাইরাস মুক্ত থাকতে তাওবা করা এবং তাঁর ওপর ভরসা রাখা এবং দোয়া করা। যাতে আল্লাহ তাআলা ভাইরাস থেকে মুসলমানদের হেফাজত করেন। কাবা শরিফের প্রধান ইমাম আরও বলেন, ‘সৌদি সরকার পবিত্র দুই মসজিদ মক্কা ওমদিনায় সাময়িকভাবে কিছু দিনের জন্য ওমরা ও জেয়ারত স্থ’গিত, রাতে তাওয়াফ বন্ধসহ কিছু জরুরি পদক্ষে’প গ্রহণ করেছে।

যাতে অন্যান্য দেশ থেকে আগত ধর্মপ্রাণ মুসলমান এ ভাইরাসে আ’ক্রান্ত না হয় এবং তা সং’ক্রামক হয়ে ব্যাপকভাবে না ছড়িয়ে পড়ে। এটি ওমরাহ পালনকারী ও দর্শনার্থীদের জন্য জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’ পরিশেষে তিনি বলেন, ‘করোনা ভাইরাসে অ’স্থির, দু’শ্চিন্তাগ্রস্ত ও ভ’য় না পেয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও তাঁর রহমতের আশায় তাওবা করে তার দিকে ফিরে আসা এবং তা থেকে আ’ত্মরক্ষায় হাদিসে বর্ণিত দোয়া করা সবার জন্য জরুরি। তিনি মুসলিম উম্মাহর জন্য ভাইরাস ও মহামারি থেকে হেফাজতের জন্য দোয়া করেন।’