করোনাভাইরাসের আ’তঙ্কে পোল্ট্রি মুরগির কেজি ১০ টাকা!

করোনার আ’তঙ্কের জেরে ভারতজুড়ে তলানিতে গিয়ে পড়েছে পোলট্রির ব্যবসা। সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজবের জেরে বর্তমানে মুরগির মাংস ও ডিম খাওয়ার ব্যাপারেও অনীহা প্রকাশ করেছেন সাধারণ জনতা। ফলে করোনার প্রকোপ ও সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজবের জেরে ব্যবসা বাঁচাতে মাত্র ১০ টাকা কেজিতেই মুরগি বিক্রি হচ্ছে পুনেতে। মহারাষ্ট্রের এক চাষী জানান, করোনার জেরে এখন একশো শতাংশ লোকসানে চলছে পোলট্রির ব্যবসা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় গু’জবে কান দিয়ে মুরগি কিনতে আগ্রহী নন কেউই। কয়েক সপ্তাহ আগে যদিও ৮০ থেকে ৯০ টাকার মধ্যে এক কেজি মুরগির মাংস বিক্রি হয়েছে। সেই টাকাই এখন দাঁড়িয়েছে ১০টাকায়। পুনের এক পোলট্রি ফার্মের মালিক প্রমোদ হিঙ্গে জানিয়েছেন, ‘কয়েক সপ্তাহ আগে আমার প্রায় ১০ কোটি টাকার লোকসান হয়েছে। বাজারে একদম মুরগির চাহিদা নেই। ফলে প্রান্তিক গ্রামে গাড়ি করে খুব কম দামে মুরগি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি।’

অন্যদিকে, পশুপাল বিভাগ ও ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের তরফে জানানো হয়েছে যে, করোনার সঙ্গে মুরগির কোনো সম্পর্ক নেই। বার্ড ফ্লু নিয়ে আগে থেকেই মানুষের মনে ভী’তি রয়েছে। সেই থেকেই তারা ভাবছেন করোনাভাইরাসও মুরগি থেকে ছড়ায়। সরকারি কর্মী ও চাষীরা মানুষজনকে কিছুটা হলেও বোঝাতে পেরেছেন। তাতে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে ধারণা করছেন সরকারি দফতর।

অ্যাসোশিয়েসনের প্রেসিডেন্ট বসন্ত কুমার শেট্টি জানিয়েছেন, গোটা মহারাষ্ট্রের পোলট্রি চাষীরা কয়েক সপ্তাহ আগে মোট ৭০০ কোটি টাকার ক্ষ’তির সম্মুখীন হয়েছে। তার কথায়, মুরগির মাংস খাদ্যবস্তু। বহুদিন ধরে এটিকে স্টক করে রাখা যায় না। যাই দাম হোক না কেন, মুরগি বিক্রি করতে হবে। এক সপ্তাহ আগে এক কেজি মুরগির মাংস বিক্রি হয়েছে মাত্র ৭০টাকায়।

সেই দাম বর্তমানে ১০ থেকে ২০ টাকায় নেমে গিয়েছে। মহারাষ্ট্রে পোলট্রি ব্যবসায় এমন করুণ পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মহারাষ্ট্রের পোলট্রি ব্রিডারস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। তাদের কথায়, ‘এই ক্ষতির জন্য সরকার আমাদের জন্য কিছুটা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা জানি না কীভাবে ব্যাংকের লোন, বিদ্যুতের বিল ও মাসিক খরচ চালাব। কেন্দ্রের কাছেও ক্ষতিপূরণ চেয়ে অনুরোধ করা হবে।

মালয়েশিয়ায় বন্ধুকে ছাড়াতে গিয়ে ধরা খেলো বাংলাদেশি প্রবাসী>>> বন্ধুর জন্য কত কিছুই না করে বন্ধু। কিন্তু অপরাধের অভিযোগে আটক বন্ধুকে মু’ক্ত করতে ঘু’ষ দেওয়ার অপ’রাধে ধরা খেলো আরেক বন্ধু। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাত সাড়ে নয়টায় মালয়েশিয়ার সেলাংগারে। সেলাংগরের হুলু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরশাদ কামারুদ্দিন জানান,

অ’বৈধ সিগা’রেট বিক্রির অপরা’ধে একজন বাংলাদেশী কে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এর পর আ’টক বাংলাদেশী বন্ধুকে মু’ক্ত করতে পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে আসে আরেক বাংলাদেশি। পুলিশ তখন আটক বাংলাদেশির বিরু’দ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানায়। উপায় না পেয়ে বাংলাদেশিকে মু’ক্ত করার জন্য ঘু’ষ প্রদান করলে তাকে আ’টক করা হয়।

এসময় তার কাছ থেকে মালায় রিংগিত ৫ হাজার (বাংলাদেশী টাকায় ১ লাখ উ’দ্বার করে পুলিশ। তবে পুলিশ আটক দুই বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ করেনি। শিল্প খাতে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের ইকামা ফি কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি সরকার!আগামী ৫ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন শিল্প কারখানার প্রবাসী শ্রমিকদের ইকামা এবং বিভিন্ন ফি তে ভর্তুকি দেবে সৌদি সরকার!বেশ অনেক বছর ধরেই ফ্যাক্টরি এবং কলকারখানা,

অর্থাৎ শিল্প খাতকে উন্নত করার প্রকিল্পনা নিয়ে আগাচ্ছে সৌদি সরকার, এবং এই খাতকে এগিয়ে নেবার জন্য সৌদি আরবের ফ্যাক্টরি এবং কারখানাতে কাজ করার জন্য আগত প্রবাসী শ্রমিকদের ইকামা ফি কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রীসভা। সম্প্রতি সৌদি আরবের মন্ত্রীসভায় আগামী ৫ বছর মেয়াদী একটি পরিকল্পনা গ্রহনের সিদ্ধান্তনেয়া হয়। এই পরিকল্পনা অনুসারে সৌদি সরকার কলকারখানায় কর্মরত

শ্রমিকদের ইকামা ফি তে সর্বোচ্চ মোট ২৯.৭৫ সৌদি রিয়াল ভর্তুকি দেবে।সৌদি আরবে শিল্প খাত বর্তমানে খুব একটা উন্নত নয়, এবং সৌদি সরকার সম্প্রতি তাদের ভিশন ২০৩০ পূরনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এই ভিশনে অন্যান্য আরো অনেক কিছুরপাশাপাশি সৌদি আরবের অভ্যন্তরীন বিভিন্ন কারখানা এবং সম্পূর্ন শিল্প খাতকে দেশেরঅন্যতম গুরুত্বপূর্ন অর্থনৈতিক একটি খাত হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকার প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে।

এই ধারাবাহিকতাতেই এই খাতকে খুব দ্রুত জনপ্রিয় এবং কর্মক্ষম করে গড়ে তোলার জন্যই সৌদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত। বর্তমানে সৌদি আরবে বিভিন্ন ফ্যাক্টরি, কল-কারখানা বা ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্টে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের মধ্যে মাসিক ৮০০ রিয়াল ইকামা প্রদানকারী রয়েছে ৪,৪৪,৯৪৬ জন।আগামী ৫ বছরে এদের সম্মিলিত মোট ইকামা ফি দাড়াইয় ২১.৩৬ বিলিয়ন সৌদি রিয়াল।

এবং, একই খাতে মাসিক ৭০০ রিয়াল ইকামা প্রদানকারী প্রবাসী শ্রমিক রয়েছেন ১,৯৯,৬৪৪ জন, এবং ৫ বছরে এদের মোট ইকামা ফি এর পরিমান দাঁড়ায় ৮.৩৯ বিলিয়ন রিয়াল। সম্মিলিতভাবে, সৌদি আরবের শিল্প খাতে অর্থাৎ কারখানায় বা বিভিন্ন প্ল্যান্টে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের আগামী ৫ বছরে মোট ইকামা ফি দাঁড়ায় মোট ২৯.৭৫ বিলিয়ন ডলার। এবং, এই সম্পূর্ন ফি টাই ভর্তুকি দিয়ে মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি সরকার।