অ’বৈধ ভাবে গ্রীসে যাওয়ার পথে নি’হত কুমিল্লার যুবক!

লেবানন থেকে তুরস্ক হয়ে গ্রীসে যাওয়ার পথে শ্বাসরু’দ্ধ হয়ে মা’রা গেছেন কুমিল্লার এক হতভাগ্য যুবক। তার নাম মোঃ আবু সাঈদ রাসেল। সে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজে’লার বড় বামিশার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।তুরস্ক সীমান্ত থেকে একটি প্রাইভেটকারে পেছনের ডিকিতে করে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাসেল রওনা দেন। পথেই শ্বাসরু’দ্ধ হয়ে সে মা’রা যায়। তার সাথে একইভাবে মা’রা যান আরো ২জন।

তাদের বাড়ি সিলেটে। পু’লিশের মাধ্যমে গ্রীস সী’মান্তের কাছে একটি জঙ্গল থেকে তাদের লা’শ উ’দ্ধার করে গ্রীস দূতাবাস ও স্থানীয় যুবলীগ নেতৃবৃন্দ।১৩ মার্চ তাদের ম’রদেহ সংর’ক্ষণের জন্য নিয়ে সংগ্রহ করা হয়। পরে এই তিন হতভাগ্যের ম’রদেহ দেশে পাঠানো হবে। এ ঘটনা জানার পর কুমিল্লায় তার গ্রামের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে আসে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজে’লার বড় বামিশা গ্রামের আবু সাঈদ রাসেল গত ৪ বছর ধরে লেবানন থাকতেন।

সেখান থেকে দা’লালের মাধ্যমে গ্রীসে পাড়ি জমানোর চে’ষ্টা করেন।প্যারিসের এক প্রবাসী জানান, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাসেল ও অন্যরা একটি প্রাইভেট কারে করে রওয়ানা দেন। রাসেল ও সিলেটের নি’হত ২ জনকে প্রাইভেটকার পেছনের ডিকিতে নেওয়া হয়। গ্রীস সীমান্তের ৭৬ কিলোমিটার কাছে আসার পর প্রাইভেটকারের পেছনে ডিকিতে থাকা তিনজন শ্বাসক’ষ্টে চিৎকার করতে থাকেন এবং গাড়ির সিটে ও বডিতে আ’ঘাত করতে থাকেন।

কিন্তু চালক গাড়ি না নামিয়ে চলতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা মা’রা যায়। পরে গাড়ি চালক গাড়ি নামিয়ে রাস্তার পাশে জঙ্গলে তিন জনের লা’শ ফেলে যায়। গাড়িতে থাকা অন্যরা গ্রীসে পৌঁছে যায়।পরে নানাভাবে খবর ছ’ড়িয়ে পড়লে ঐ গাড়ি চালকের কাছ থেকে ঘটনাস্থলের নাম জেনে গ্রীস দূতাবাসের মাধ্যমে ঘটনাস্থল চিহ্নিত করে স্থানীয় পু’লিশ লা’শ উ’দ্ধার করে। গ্রীস যুবলীগের সভাপতি কামরুল হাসান জানান,

দূতাবাসের মাধ্যমে লা’শগুলো উ’দ্ধার করা হয়েছে। একটি বেসরকারি সংস্থাকে লা’শগুলো গ্রীসে নিয়ে আসার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।১৫ মা’র্চ সোমবার নাগাদ লা’শগুলো আনা হতে পারে। তারপর দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। বিষয়টি তিনি তদারকি করছেন। নি’হত মোঃ আবু সাঈদ রাসেলের ছোটভাই হাফেজ বাহার মিয়া জানান, তার ভাই রাসেল মা’দ্রাসায় পড়াশুনা করেছে। গত চার বছর ধরে সে লেবাননে ছিল।

সেখান থেকে গ্রীসে যেতে চেয়েছিল। গ্রীস দূতাবাস থেকে তাদের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। মালয়েশিয়ায় বন্ধুকে ছাড়াতে গিয়ে ধরা খেলো বাংলাদেশি প্রবাসী>>> বন্ধুর জন্য কত কিছুই না করে বন্ধু। কিন্তু অপরাধের অভিযোগে আটক বন্ধুকে মু’ক্ত করতে ঘু’ষ দেওয়ার অপ’রাধে ধরা খেলো আরেক বন্ধু। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাত সাড়ে নয়টায় মালয়েশিয়ার সেলাংগারে।

সেলাংগরের হুলু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরশাদ কামারুদ্দিন জানান, অ’বৈধ সিগা’রেট বিক্রির অপরা’ধে একজন বাংলাদেশী কে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এর পর আ’টক বাংলাদেশী বন্ধুকে মু’ক্ত করতে পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে আসে আরেক বাংলাদেশি। পুলিশ তখন আটক বাংলাদেশির বিরু’দ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানায়। উপায় না পেয়ে বাংলাদেশিকে মু’ক্ত করার জন্য ঘু’ষ প্রদান করলে তাকে আ’টক করা হয়।

এসময় তার কাছ থেকে মালায় রিংগিত ৫ হাজার (বাংলাদেশী টাকায় ১ লাখ উ’দ্বার করে পুলিশ। তবে পুলিশ আটক দুই বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ করেনি। শিল্প খাতে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের ইকামা ফি কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি সরকার!আগামী ৫ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন শিল্প কারখানার প্রবাসী শ্রমিকদের ইকামা এবং বিভিন্ন ফি তে ভর্তুকি দেবে সৌদি সরকার!বেশ অনেক বছর ধরেই ফ্যাক্টরি এবং কলকারখানা,

অর্থাৎ শিল্প খাতকে উন্নত করার প্রকিল্পনা নিয়ে আগাচ্ছে সৌদি সরকার, এবং এই খাতকে এগিয়ে নেবার জন্য সৌদি আরবের ফ্যাক্টরি এবং কারখানাতে কাজ করার জন্য আগত প্রবাসী শ্রমিকদের ইকামা ফি কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রীসভা। সম্প্রতি সৌদি আরবের মন্ত্রীসভায় আগামী ৫ বছর মেয়াদী একটি পরিকল্পনা গ্রহনের সিদ্ধান্তনেয়া হয়। এই পরিকল্পনা অনুসারে সৌদি সরকার কলকারখানায় কর্মরত

শ্রমিকদের ইকামা ফি তে সর্বোচ্চ মোট ২৯.৭৫ সৌদি রিয়াল ভর্তুকি দেবে।সৌদি আরবে শিল্প খাত বর্তমানে খুব একটা উন্নত নয়, এবং সৌদি সরকার সম্প্রতি তাদের ভিশন ২০৩০ পূরনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এই ভিশনে অন্যান্য আরো অনেক কিছুরপাশাপাশি সৌদি আরবের অভ্যন্তরীন বিভিন্ন কারখানা এবং সম্পূর্ন শিল্প খাতকে দেশেরঅন্যতম গুরুত্বপূর্ন অর্থনৈতিক একটি খাত হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকার প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে।

এই ধারাবাহিকতাতেই এই খাতকে খুব দ্রুত জনপ্রিয় এবং কর্মক্ষম করে গড়ে তোলার জন্যই সৌদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত। বর্তমানে সৌদি আরবে বিভিন্ন ফ্যাক্টরি, কল-কারখানা বা ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্টে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের মধ্যে মাসিক ৮০০ রিয়াল ইকামা প্রদানকারী রয়েছে ৪,৪৪,৯৪৬ জন।আগামী ৫ বছরে এদের সম্মিলিত মোট ইকামা ফি দাড়াইয় ২১.৩৬ বিলিয়ন সৌদি রিয়াল।

এবং, একই খাতে মাসিক ৭০০ রিয়াল ইকামা প্রদানকারী প্রবাসী শ্রমিক রয়েছেন ১,৯৯,৬৪৪ জন, এবং ৫ বছরে এদের মোট ইকামা ফি এর পরিমান দাঁড়ায় ৮.৩৯ বিলিয়ন রিয়াল। সম্মিলিতভাবে, সৌদি আরবের শিল্প খাতে অর্থাৎ কারখানায় বা বিভিন্ন প্ল্যান্টে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের আগামী ৫ বছরে মোট ইকামা ফি দাঁড়ায় মোট ২৯.৭৫ বিলিয়ন ডলার। এবং, এই সম্পূর্ন ফি টাই ভর্তুকি দিয়ে মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি সরকার।