ভারতের নাগরিকত্ব চান মিথিলা ।

সম্প্রতি বাংলাদেশের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অ’ভিনয়শিল্পী, মডেল ও উপস্থাপক রাফিয়াত রশিদ মিথিলাকে বিয়ে করেছেন ভারতের এ সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি।দুই দেশেই এই তারকা দম্পতির বিয়ে নিয়ে এখনও চলছে বেশ আলোচনা।ভক্তদের নানা আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু এই তারকা দম্পতি। নানা কথা ও নিজের ভাবনা নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন বাংলাদেশি তারকা মিথিলা।

মিথিলা ভারতের নাগরিকত্ব নিতে চাইবেন কিনা? এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নাগরিকত্ব খুবই জটিল একটা বিষয়। তাই এখনই ভাবতে চাই না। নাগরিকত্ব নিতে অন্তত ১১-১২ বছর সময় লেগে যাবে হয়ত। অনেক আইনি জটিলতা রয়েছে। তাছাড়া নাগরিকত্ব আদৌ বদলাবো কিনা সেই সিদ্ধান্ত এখনও নিইনি। আপাতত ঠিকভাবে ভিসা পেলেই হবে।’

এদিকে ভারতে সম্প্রতি নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে একটা বিতর্ক চলছে। ধ’র্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেওয়া নিয়ে বিতর্ক চলমান রয়েছে। এ বিষয় নিয়ে মিথিলার মতামত জানতে চাইলে জবাবে বলেন, ‘ধ’র্মের ভিত্তিতে কিছুই হওয়া ঠিক নয়।জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসানের সঙ্গে মিথিলার বিয়ে হয় ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট। তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয় ২০১৭ সালের জুলাই মাসে। তাদের একমাত্র সন্তান আইরা এখন মিথিলার কাছেই আছে।

আইরা কোথায় থাকছে এমন প্রশ্নের জবাবে মিথিলা বলেন, ‘আইরা জন্মের পর থেকে আমা’র কাছেই বেশিরভাগ সময় থাকে। আমিই ওর প্রাই’মা’রি অ’ভিভাবক। ও এখন খুবই ছোট। তবে আইরার সঙ্গে ওর বাবারও (তাহসান) নিয়মিত যোগাযোগ আছে। ওকে ওর বাবা নিয়ে যায়। ওরা বেড়াতেও যায়। কিছুদিন আগেও আইরা ওর বাবার কাছে গিয়েছিল। তবে ভবিষ্যতে ও কী’’ করবে, কার কাছে থাকবে, সেটা আইরা বড় হয়ে নিজে সিদ্ধান্ত নেবে। ভবিষ্যতে সেটা দেখা যাবে।’

আইরাও কি তাহলে ভারতের নাগরিকত্ব পাবে? এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সবকিছুই আইরা বড় হওয়ার পর ওর নেওয়া সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে। এখন কিছুই জানি না। তবে আমি কলকাতায় এসে থাকা শুরু করলে আইরাও আমা’র সঙ্গে কলকাতায় থাকবে। মুসলিম হয়েও মন্দিরে গিয়ে পূজা, চরম বিতর্কে নুসরাত>>> বিতর্ক যেন পিছুই ছাড়ছে না নায়িকা নুসরাত জাহানের। সংসদ সদস্য হওয়ার পর বিতর্কের পরিমাণটা বেড়েছে আরও।

কখনো লোকেরা নায়িকাকে খুঁচিয়ে বিতর্ক করেন, কখনো আবার নায়িকা নিজেই রসদ জোগান দিচ্ছেন।সম্প্রতি ধর্ম নিয়েই বেশি বিদ্রুপ-কটাক্ষের শিকার হচ্ছেন নুসরাত। কিছুদিন আগে মুসলিম হয়েও মাথায় হিন্দু নারীদের মতো সিঁথি পরায় তাকে নিয়ে ঝড় উঠেছিলো নেট দুনিয়ায়। এবার তিনি নেটবাসীদের রোষানলে পড়লেন মন্দিরে পূজা দিতে গিয়ে।

মুসলিম হয়েও মন্দিরে গিয়ে পূজা, চরম বিতর্কে নুসরাত

মন্দিরে নুসরাত জাহান সম্প্রতি নুসরাত জাহান স্বামী নিখিল জৈনকে নিয়ে পুজো দিলেন তারাপীঠ মন্দিরে। বীরভূমের রামপুরহাটে ১১ মার্চ নুসরাত একটি শপিং মলের উদ্বোধন করতে আসেন। সেখানে নুসরাতকে দেখতে ভিড় জেম যায়। সেলফি তুলতে গেলে নিরাপত্তারক্ষীরা উৎসাহীদের আটকে দেন। পরে নুসরাতই সাধারন মানুষের সাথে সেলফি তুলে পরিস্থিতি সামাল দেন।

রামপুরহাটে এসে নুসরাত জাহান জানান, ‘এখানে এসে আমার খুব ভালো লেগেছে। এখানকার মানুষের ভালোবাসা দেখে।’ তবে এর বাইরে আর কোনো প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি তিনি। এদিকে তাকে মন্দিরে পূজা দিতে দেখে ক্ষেপেছেন মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেরা। তাদের প্রশ্ন, ‘নুসরাত আসলে কোন ধর্ম পালন করেন?’বরাবরের মতো এবারেও এসব বিতর্ক নিয়ে চুপ করে আছেন নুসরাত। তার সঙ্গে এসব বিতর্ক নতুন তো কিছু নয়।

সিঁথিতে সিঁদুর পরে যেদিন সংসদে প্রথম শপথ নিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান, সেদিনই তার উপর ফতোয়া জারি করেছিল মৌলবাদীরা। এরপর আবার স্বামী নিখিলের সঙ্গে রথের রশি টেনে বিতর্কের মধ্যে জড়িয়ে ছিলেন তিনি। মহাষ্টমীর অঞ্জলি দেওয়া, কালী মন্দিরে গিয়ে পুজো দেওয়া ইত্যাদি প্রতিটি ক্ষেত্রেই বারংবার রোষানলে পড়তে হয়েছিল এই তৃণমূল সাংসদকে। পাশাপাশি কটাক্ষের শিকারও হতে হয়েছিল তাকে।

তবে সেসবকে কোনোবারই তোয়াক্কা করেননি এই তৃণমূল সাংসদ। বারবার তিনি ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের কথা বলেছেন। নব্বই দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় একটি স্টেটাস দিয়েছেন। তার দেওয়া স্ট্যাটাসটি পাঠকদের উদ্দেশ্যে হুবহু তুলে ধরা হলো: ‘আজব এক দেশ বাংলাদেশ, বে’শ্যাকে বলে মডেল, জু’য়াকে বলে ক্যাসিনো, ঘুষকে বলে সেলামি, সুদ হলো ইন্টারেস্ট, সন্ত্রা’সী হলো বড় ভাই।’

ওমর সানি দেখতে দেখতে ক্যারিয়ারের ৩০টি বসন্ত পার করেছেন। ‘লাট সাহেবের মেয়ে’, ‘দোলা’, ‘কে অপরা’ধী’, ‘গরীবের রানী’, ‘হারানো প্রেম’সহ বেশকিছু দর্শকপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন এই অভিনেতা। বর্তমানে খুব বেশি অভিনয় না করলেও চলচ্চিত্রের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি। বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাব লিমিটেডের জেনারেল সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করছেন ওমর সানি।

করোনায় আটকে গেছেন শাবনূর>>> শাবনূররের সাবেক স্বামী অনিকের দাবি, এক চীনা নাগরিককে বিয়ে করেছেন। এর উত্তরে শাবনূর বলেন,‘যদি তা-ই হতো তাহলে অনিককে কেন বিয়ে করব? অনিক যার দিকে আ’ঙুল তুলছে, সে তো যেকোনো দিক থেকে অনিকের চেয়ে ভালো। অনিক একটা বাজে ছেলে, নে’শাগ্রস্ত। মোহে পড়ে তাকে বিয়ে করেছিলাম। বিয়ের পরে অনেক কিছুই জানতে পারি। সিনেমায় আসার আগেই একটা বিয়ে করেছিল সে।

সারা রাত নে’শা করে দিনে ঘুমায়। ভেবেছিলাম তাকে শুধরে নিতে পারব, অনেক চেষ্টার পরও পারিনি।’ অনিক বলেছেন, তাঁর নতুন বিয়ের প্রমাণ দিতে না পারলে আপনাকে মাফ চাইতে হবে। এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,‘নিশ্চয়ই! আর আমি যদি বিয়ের প্রমাণ দিতে পারি তাহলে কি সে মাফ চাইবে? সে নতুন বউকে নিয়ে দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়িয়েছে। সেসব ছবি আছে আমার কাছে। সবচেয়ে বড় কথা, অনিকের নতুন পাসপোর্টের কপিও আমার কাছে। সেখানে স্ত্রী হিসেবে আমি নই, আছে আয়েশা আক্তারের নাম।

বিয়ে না করলে তার নাম ব্যবহার করল কেন? যেসব হোটেলে তারা ছিল, সেখানকার সব রকম তথ্য সংগ্রহ করে তারপর তার বিয়ের কথা ফাঁ’স করেছি। আমি শাবনূর, আর দশটা সাধারণ মানুষ নই। ফালতু অভিযোগ তোলা আমাকে মানায় না।’ তিনি জানান,‘চেয়েছিলাম দেশে ফিরতে, কিন্তু করোনাভাইরাসের জন্য যেতে পারছি না। উকিলের সঙ্গে কথা হচ্ছে, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দেশে যাব। এরপর নতুন আরো কিছু সিদ্ধান্ত নেব। ভেবেছিলাম অনিকের সামর্থ্য নেই, শুধু শুধু আইজানের ভরণ-পোষণের টাকা দাবি করব না। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে তাকে মাফ করা ঠিক হবে না।’