শ্রেষ্ঠ এএসপি সার্কেল সম্মাননা পেলেন মাহমুদা শারমিন নেলী

গু’রুতর ঘটনা প্র’তিরোধের স্বী’কৃতিস্বরুপ শ্রেষ্ঠ এএসপি সার্কেল সম্মাননা পেয়েছেন দুর্গাপুর সার্কেলের এএসপি মাহমুদা শারমিন নেলী।বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার-পুলিশ হবে জনতার’ ময়মনসিংহ রেঞ্জের ফেব্রুয়ারি মাসের মাসিক অ’পরাধ সভায় মাহমুদা শারমিনকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মেলন কক্ষে এ সাফল্যের স্বীকৃতির জন্য এএসপি পুরস্কার তুলে দেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ (বিপিএম)।

এ সময় অন্যদের মধ্যে ময়মনসিংহ রেঞ্জ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি ড. মোঃ আক্কাছ উদ্দিন ভূঁইঞা, ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আহমার উজ্জামানসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানের সময় নিজের স্ত্রী’র ফোনও রিসিভ করেন না ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম>>> র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম। যোগদানের পর থেকেই খাদ্য,

ওষুধ থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের গুণগত মান, ভে’জাল দ্রব্য, হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষুধ, অতিরিক্ত ফি নেয়াসহ নানা অ’পরাধের বি’রুদ্ধে অ’ভিযান চালিয়ে আসছেন তিনি। বলা যায়, ভে’জাল খাদ্যপণ্যের বি’রুদ্ধে যু’দ্ধ করে যাচ্ছেন এ ম্যাজিস্ট্রেট। এসব কাজ করতে গিয়ে বারবার প্র’ভাবশালীদের বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি তার বি’রুদ্ধে ক্ষ’মতার অ’পব্যবহারের অ’ভিযোগ তুলে তার ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষ’মতা কেড়ে নেওয়ার জন্য আদালতে রি’ট করা হয়েছে।

কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম একজন সত্যিকারের পেশাদার অফিসার। ভ্রাম্যমান আ’দালতের অ’ভিযান পরিচালনার সময় দোষীদের পক্ষে সু’পারিশ আসতে পারে ভেবে নিজের স্ত্রী’র ফোনও রিসিভ করেন না তিনি।ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের অ’ভিযান প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ঘটনা শেয়ার করেছেন সারাবাংলা ডটনেটের স্টাফ রিপোর্টার সাদ্দাম হুসেইন।

তিনি লিখেছেন, “গত ১৭ সেপ্টেম্বর হাতিরপুলে ক্ষ’মতাশীন একজন নেতার ন’কল ঔষুধের গোডাউনে অ’ভিযানে চালিয়ে ৫ কোটি টাকার ঔষুধ জব্দ করার সময় আমরা কয়েকজন সাংবাদিক সেখানে ছিলাম। সে সময় কোনো এক কথার প্রসঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার ভাই আমাদের বলছিলেন, ‘অ’ভিযান চলাকালে আমি আমার আত্মীয় স্বজন তো দূরের কথা, নিজের স্ত্রীর ফোনও ধরি না।

কারণ, দেখা যাবে অ’পরাধীদের কেউ না কেউ আমার আত্মীয়ও হতে পারে। তারা হয়তো আমার স্ত্রীকে দিয়েও আমার কাছে সুপারিশ পাঠাবে অ’পরাধীকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য। কিন্তু সেটা তো আমি করতে পারবো না!” ওই সাংবাদিক আরও লেখেন, ‘কথাটি কিন্তু কথার কথা কিংবা নিজেকে সাংবাদিকদের সামনে ভালো সাজাতে বলেননি তিনি। কারণ কতটা সৎ সাহস নিয়ে দেশের প্রতি টান থাকলে এ কথা তিনি বলতে পারেন তার বহু উদাহরণ আমাদের জানা।

প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবার (১১ মার্চ) ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে সারোয়ার আলমসহ তিন ম্যাজিস্ট্রেটের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ক্ষমতা (ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা) বাতিল করার নির্দেশনার আর্জি জানিয়ে হাইকোর্টে একটি সম্পূরক রিট আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট সারোয়ার আলমসহ র‌্যাবের তিন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে “অদক্ষ”বলে (incompetent) আখ্যায়িত করেছেন।