বিশেষ মুহূর্তে স’ঙ্গীকে যে কথাগুলো বলবেন না ।

পুরুষ তার স’ঙ্গীর কাছে সবসময় নিজেকে সুপারম্যান মনে করে। এমনকি বিশেষ মুহূর্তেও নিজেকে সেভাবেই ভাবতে পছন্দ করে। অথচ, সেই মুহূর্তে স’ঙ্গী যদি তাকে ছোট করে কথা বলে, তাহলে মনটাই ভেঙে যায় পুরুষের। সেজন্য বিশেষ মুহূর্তে পুরুষ স’ঙ্গীকে কিছু কথা না বলার প’রামর্শ দিয়েছেন বি’শেষজ্ঞ’রা। আসুন জেনে নেওয়া যাক সে ব্যাপারে।

আমি কারো স’ঙ্গী ছিলাম কোনো পুরুষই চাইবে না যে, তার না’রী স’ঙ্গী কারো সাবেক হোক। এমনকি আপনি যদি অতীতে কারো স’ঙ্গে স’ম্পর্ক গড়েও থাকেন, তার পরেও আপনার পুরুষ স’ঙ্গীকে বিশেষ মুহূর্তে এ ব্যাপারে কিছু বলবেন না। তুমি কি মনে করো আমি মোটা? বিশেষ মুহূর্তে পুরুষ স’ঙ্গীর কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইবেন না। এতে করে স’ঙ্গী আপনার প্রতি আ’কর্ষণ হারিয়ে ফেলতে পারে।

তার চেয়ে নিজেকে আকর্ষণীয় হিসেবে উ’পস্থাপন করতে পারেন। নিজেও ইতিবাচক চি’ন্তা করতে পারেন। এতে করে যৌ’ন জীবন সুখের হবে। তবে অন্য সময়ে শ’রীর নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। বিশেষ খেলনার ব্যাপারে পুরুষ স’ঙ্গীকে কখনো খেলনা বা টয় ব্যবহার করেছেন বলে জানাবেন না। সচরাচর এটা শুনে স’ঙ্গী আপনার প্রতি বি’র’ক্ত হওয়ার কথা।

আমি বি’র’ক্ত হয়তো সেই সময় নানা কারণে আপনি বিশেষ মুহূর্তে যেতে চাচ্ছেন না। তাই বলে স’ঙ্গীকে বলতে যাবেন না যে, তার প্র’স্তাবে আপনি বি’র’ক্ত হচ্ছেন। এতে করে বিষয়টা আপনার স’ঙ্গী নে’তিবাচক’ভাবে ধরে নিতে পারে। তার মনে হতে পারে, দা’ম্পত্য জীবনে আপনি আ’গ্রহ হা’রিয়ে ফেলেছেন। আগের স’ঙ্গী সম্পর্কে তুলনা দেবেন না কখনোই আগের স’ঙ্গীর গুণের কথা উল্লেখ করবেন না।

এতে করে আপনার পুরুষ স’ঙ্গী মুষড়ে যেতে পারে। এমনকি কোনো পুরুষও যদি তার স’ঙ্গীকে এ ধরনের কথা বলে, সে ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটতে পারে। তুমি আমার চা’হিদা কথা চিন্তা করো না কখনোই বিশেষ মুহূর্তে স’ঙ্গীকে এ ধরনের কথা বলতে যাবেন না। এতে করে সে নিজেও নিজের কাছে ছোট হয়ে যাবে। দা’ম্পত্য কলহ তৈরি হতে পারে। একপর্যায়ে জীবনটা বিষিয়ে উঠতে পারে।

তার চেয়ে আরো যত্নশীল হয়ে সে ব্যাপারে অন্য সময়ে তাকে বোঝাতে পারেন। স’ঙ্গীর ব্য’র্থতা বিভিন্ন কারণে বিশেষ মুহূর্তে পুরুষ স’ঙ্গী যদি আপনার আগেই বিছানা ছেড়ে যায়। সে ক্ষেত্রে তার অ’ক্ষমতার বিষয়টি জোর দিয়ে বলবেন না। এতে করে মা’নসিকভা’বেও সে ভেঙে পড়তে পারে। নানা কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। ধীরে ধীরে এসব ঠিক হয়ে যায়।

প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। তবে স’ঙ্গীকে দো’ষারো’প করলে স’ম্পর্কে চিড় ধরার শঙ্কা রয়েছে। পুরুষের যে গুণটি সবচেয়ে বেশি আ’কৃষ্ট করে না’রীকে >>> মনের মতো জীবনসঙ্গী সব না’রীরই কাম্য। তবে সব না’রীর ক্ষেত্রেই আ’কর্ষণের জায়গাটা আলাদা। নিশ্চয় প্রশ্ন থাকতে পারে, পুরুষের কোন গুণ সবচেয়ে বেশি আ’র্কষণ করে একজন না’রীকে?

এই প্রশ্নের উত্তরের আ’গ্রহ জাগে একদল বিজ্ঞানীর মনে। তাই না’রীর মনের খোঁ’জ নিতে গবেষণা শুরু করেন তারা। এই গবেষণা থেকেই জানা যায়, মাত্র একটি জায়গায় মিল রয়েছে সব না’রীদের পছন্দের। একজন না’রীর কাছে পুরুষের সবচেয়ে আ’কর্ষণীয় গুণ হল তার কন্ঠস্বর। বিজ্ঞানীদের দাবি, পুরুষের কন্ঠ শুনেই না’রীরা কল্পনা করে নিতে পারেন সেই পুরুষকে কেমন দেখতে হবে।

বিজ্ঞানীরা এই গবেষণায় দেখেন, পুরুষের কন্ঠস্বর না’রীর মনে গভীর আ’লোড়ন সৃষ্টি করে। কেবল কন্ঠস্বরের মাধ্যমেই পুরুষের দেহের গঠন, উচ্চতা, রসবোধ আন্দাজ করে নিতে পারেন একজন না’রী। গবেষকেরা জা’নিয়েছেন, আসলে শব্দের স্পন্দন ও কন্ঠস্বরের ওঠানামাই হল আসল বিষয়। একজন পুরুষ কী বলছে, কীভাবে বলছেন তা এক্ষেত্রে একটুও গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ইউনির্ভাসিটি কলেজ অফ লন্ডনের এই গবেষণা থেকে আরো জানা যায়, পুরুষের ক্ষেত্রে ভারী কন্ঠস্বর ও না’রীদের সরু কন্ঠস্বর হলে তারা বেশি আ’কর্ষণীয় হন। ফলে এতে শ্রোতা তার চেহারা মনে মনেই কল্পনা করে নিতে পারেন। রীতিমতো হাতে কলমে পরীক্ষা করেই এই সি’দ্ধান্তে পৌঁছেছেন গবেষকেরা। এই গবেষণায় ১০ জন মহিলাকে রেকর্ড করা পুরুষকন্ঠ শোনানো হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে না’রীদের মন্তব্যও রেকর্ড করা হয়। দেখা গেছে, প্রত্যেক মহিলাই পুরুষের কন্ঠস্বর শুনে তার চেহারা, যৌ’নতা এমনকি তাকে কেমন দেখতে তা আঁচ করার চেষ্টাও করেছেন। না’রীদের উত্তর থেকে গবেষকেরা আরো বেশ কিছু ‘প্রবণতা লক্ষ্য করেছেন। যেমন, কোন পুরুষের কন্ঠস্বর ভারি হলে এবং কন্ঠস্বর কম কাঁপলে না’রীরা সেটি বেশি পছন্দ করেন।