করোনা সন্দেহে কোয়ারেন্টাইনে রোনালদো

য়্যুভেন্টাস সতীর্থ ড্যানিয়েল রুগানি করোনাভাইরাস পজিটিভ হিসেবে ধরা পড়ায় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। সংবাদ ডেইলি মেইল। জানা যায়, গত রবিবার ইতালিয়ান লিগ সিরিআর দল য়্যুভেন্টাসের হয়ে মাঠে নামেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। পরে নিজের দেশ পর্তুগাল ফিরে যায় রোনালদো। কিন্তু একই দলের খেলোয়ার ড্যানিয়েল রুগানির করোনাভাইরাস ধরা পরে।

এরপরই মাদেইরাতে নিজ বাসায় কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে রোনালদোকে। রোববার সিরিআতে ইন্টার মিলান আর য়্যুভেন্টাসের মধ্যকার ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। খেলা মাঠে গড়ালেও দর্শক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। ম্যাচটি হয় ‘ক্লোজ ডোরে’। সেই খেলায় ইন্টার মিলানকে ২-০ গোলে হারায় । ওই ম্যাচের পর ইনস্টাগ্রামে এক ছবিতে দেখা যায়, রোনালদো তার সতীর্থ রুগানির সঙ্গে জয় উদযাপন করছেন।

তারা একসঙ্গে ড্রেসিংরুমে অনেকটা সময় ছিলেন। পরে রুগানির করোনাভাইরাস টেস্ট পজেটিভ হলে রোনালদোকে নিজ বাসায় কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। ৩ বছর জে’ল হচ্ছে সৌম্য ও তার বাবার>>> বাংলাদেশ দলের টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার ও তার বাবার তিন বছর জে’ল হতে পারে। হরিণের চামড়ার ওপর আশীর্বাদ অনুষ্ঠান করায় এ সাজার মুখোমুখি হতে পারেন সৌম্য।

প্রচলিত আইনে বন্যপ্রাণীর চামড়া নিজের কাছে রাখা অপরাধ। এমনটি হলে ২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিস করতে পারেন তিনি। ক্রীড়াবিষয়ক জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ক্রিকট্র্যাকারের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান সৌম্য। সম্প্রতি দীর্ঘদিনের প্রেমিকা প্রিয়ন্তী দেবনাথ পূজার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন তিনি। তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান নিয়ে জল কম ঘোলা হয়নি।

চুরি, মারামারি ও মামলা মোকদ্দমা কী হয়নি? এসব ছাপিয়ে আলোচনায় ছিল হরিণের চামড়া, যেটি সৌম্যর আশীর্বাদের দিন ব্যবহার করা হয়। বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের ৬ ধারায় উল্লেখ রয়েছে– লাইসেন্স ছাড়া কোনো জীব কিংবা বণ্যপ্রানীর চামড়া অধিকারে রাখা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ক্ষেত্রে তিন বছর বা তদূর্ধ্ব সময় জেল হতে পারে ওই ব্যক্তির।এ আইনের আওতায় এলে ফেঁসে যেতে পারেন সৌম্যর বাবা কিশোরী মোহন সরকারও।

তাকেও ছেলের মতোই কারাভোগ করতে হতে পারে। যদিও তিনি বলেছেন, নিজেদের কাছে হরিণের চামড়া রাখা পারিবারিক ঐতিহ্য। বহুকাল আগে থেকে তার পূর্বপুরুষরা এটি ব্যবহার করে আসছিলেন। সেই সূত্রেই সেটি পেয়েছেন এবং রীতিপ্রথা মেনে পুত্রের আশীর্বাদ সেরেছেন।
সৌম্য ও তার বাবার জেলনির্ভর করছে মামলা-মোকদ্দমার ওপর। কেউ আদালতে মামলা করছে আর সেটি প্রমাণ হলে বিষয়টি বিবেচনাধীন হয়ে পড়বে!