ছুটিতে ভিসার মেয়াদ শেষ হলেও ফেরার সুযোগ পাবেন কাতার প্রবাসীরা

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে বাংলাদেশে ছুটিতে থাকা কাতার প্রবাসীদের সাময়িকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞার এ সময়ে যদি কোনো প্রবাসীর ভিসার বা আইডির মেয়াদ শেষ হয়ে যায় এতে নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেয়ার পর দেশটিতে গমনে কোনো অসুবিধা হবে না। কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদের সঙ্গে এক বিফ্রিংয়ে এ বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

তাছাড়া যেসব কর্মী ছুটিতে গিয়ে আটকা পড়েছেন, তাদের চাকরির নিশ্চয়তা প্রদানের বিষয়েও কাতারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে সে বিষয়ে ওই ব্রিফিংয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রদূত।তবে বর্তমানে যেসব কাতার প্রবাসী ছুটিতে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন, তাদের নিজ নিজ নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ/কোম্পানি বা কফিলের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য আবারও অনুরোধ করা হলো।

একান্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কাতার থেকে বাংলাদেশে ভ্রমণ না করার জন্য বলা হয়েছে। অত্যন্ত জরুরি ক্ষেত্রে, কাতার আইডির মেয়াদ বেশি দিন আছে কি না কাতার ত্যাগের পূর্বে তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।কাতারে বাংলাদেশি কোনো নাগরিক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে দূতাবাসকে (৩৩৬৬ ২০০০) তাৎক্ষণিকভাবে অবহিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

প্রথম সচিব ও দূতালয় প্রধান মোহাম্মদ মাহবুব রহমান স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ সব তথ্য জানানো হয়। উল্লেখ্য, চীনের হুবেই প্রদেশে প্রথম দেখা দেয় প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস। এরপর বিশ্বের শতাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়ে এটি। এখন পর্যন্ত ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৬৪ জন আক্রান্ত হয়েছে এ ভাইরাসে। মারা গেছে ৪ হাজার ৩০২ জন। কাতারে এখন আক্রান্তের সংখ্যা ২৪। প্রবাসী শ্রমিকদের ইকামা ফি কমাতে যাচ্ছে সৌদি সরকার>>>

শিল্প খাতে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের ইকামা ফি কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি সরকার!আগামী ৫ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন শিল্প কারখানার প্রবাসী শ্রমিকদের ইকামা এবং বিভিন্ন ফি তে ভর্তুকি দেবে সৌদি সরকার!বেশ অনেক বছর ধরেই ফ্যাক্টরি এবং কলকারখানা, অর্থাৎ শিল্প খাতকে উন্নত করার প্রকিল্পনা নিয়ে আগাচ্ছে সৌদি সরকার, এবং এই খাতকে এগিয়ে নেবার জন্য সৌদি আরবের ফ্যাক্টরি এবং কারখানাতে কাজ করার জন্য আগত প্রবাসী শ্রমিকদের ইকামা ফি কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রীসভা।

সম্প্রতি সৌদি আরবের মন্ত্রীসভায় আগামী ৫ বছর মেয়াদী একটি পরিকল্পনা গ্রহনের সিদ্ধান্তনেয়া হয়। এই পরিকল্পনা অনুসারে সৌদি সরকার কলকারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের ইকামা ফি তে সর্বোচ্চ মোট ২৯.৭৫ সৌদি রিয়াল ভর্তুকি দেবে।সৌদি আরবে শিল্প খাত বর্তমানে খুব একটা উন্নত নয়, এবং সৌদি সরকার সম্প্রতি তাদের ভিশন ২০৩০ পূরনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

এই ভিশনে অন্যান্য আরো অনেক কিছুরপাশাপাশি সৌদি আরবের অভ্যন্তরীন বিভিন্ন কারখানা এবং সম্পূর্ন শিল্প খাতকে দেশেরঅন্যতম গুরুত্বপূর্ন অর্থনৈতিক একটি খাত হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকার প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। এই ধারাবাহিকতাতেই এই খাতকে খুব দ্রুত জনপ্রিয় এবং কর্মক্ষম করে গড়ে তোলার জন্যই সৌদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত। বর্তমানে সৌদি আরবে বিভিন্ন ফ্যাক্টরি,

কল-কারখানা বা ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্টে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের মধ্যে মাসিক ৮০০ রিয়াল ইকামা প্রদানকারী রয়েছে ৪,৪৪,৯৪৬ জন।আগামী ৫ বছরে এদের সম্মিলিত মোট ইকামা ফি দাড়াইয় ২১.৩৬ বিলিয়ন সৌদি রিয়াল।এবং, একই খাতে মাসিক ৭০০ রিয়াল ইকামা প্রদানকারী প্রবাসী শ্রমিক রয়েছেন ১,৯৯,৬৪৪ জন, এবং ৫ বছরে এদের মোট ইকামা ফি এর পরিমান দাঁড়ায় ৮.৩৯ বিলিয়ন রিয়াল।

সম্মিলিতভাবে, সৌদি আরবের শিল্প খাতে অর্থাৎ কারখানায় বা বিভিন্ন প্ল্যান্টে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের আগামী ৫ বছরে মোট ইকামা ফি দাঁড়ায় মোট ২৯.৭৫ বিলিয়ন ডলার। এবং, এই সম্পূর্ন ফি টাই ভর্তুকি দিয়ে মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি সরকার।