দিল্লি সহিং’সতায় কোনো মুসলিম ম’রেনি: অমিত শাহ

ভারতের দিল্লিতে বিত’র্কিত নাগরিকত্ব আইন ঘিরে সৃষ্ট সহিং’সতায় কোনো মুসলিম মা’রা যায়নি বলে দাবি করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দা’ঙ্গায় যারা মা’রা গেছে তারা মুসলিম নয় তারা ভারতীয় বলে দাবি করেন তিনি। গতকাল বুধবার সংসদে এই প্রথম দিল্লি সহিং’সতা নিয়ে মুখ খুলে এমন মন্তব্য করেন তিনি। অমিত শাহ বলেন, ‘হিন্দু বা মুসলমান নয়, দিল্লি সহিং’সতায় মৃ’ত্যু হয়েছে ৫২ জন ভারতীয়র।’

তিনি আরও বলেন, দিল্লির দাঙ্গা পরিকল্পিত। দিল্লীর দা’ঙ্গা মোকাবিলায় পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, দা’ঙ্গা শুরু হওয়ার ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে তা নিয়ন্ত্রণে আনে দিল্লি পুলিশ। সেজন্য তাদের বাহবা প্রাপ্য। অমিত শাহ বলেন, যাদের দোকান পু’ড়েছে তাদের ক্ষ’তিপূরণ দেবে সরকার। সেজন্য ভিডিয়োগ্রাফি করে ক্ষয়ক্ষ’তির অনুমান করা হচ্ছে। তার সেই কথায় ভারতীয়দের কাছে তিনি ব্যাপক সমা’লোচিত হচ্ছেন।

করোনাভাইরাসঃ গোবর-গোমূত্র খেয়েও বাঁচতে পাড়লেন না ২ ভারতীয়>>> বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে করোনা ভাইরাস। দিনদিন এই ভাইরাসে মৃ’তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে মৃ’ত্যু হয়েছে ৩ হাজার ২৮৫ জনের। বিভিন্ন দেশে দেড় লক্ষ মানুষ এ ভাইরাসে আ’ক্রান্ত হয়েছে। এছাড়া চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৫৩ হাজার ৬৮৮ জন। ইতোমধ্যে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আ’ক্রান্ত তিনজন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

এদিকে, মাত্র কদিন আগেই হিন্দু মহাসভার প্রধান চক্রপাণি মহারাজ করোনা ঠেকাতে গোমূত্র পান ও গোবর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। অনেকে পরামর্শ মতে শুরু করেছিলেন সেবন। তবুও কাজে দিলো না। গোবর ও গোমূত্র সেবন করেও করোনায় ভারতে ২ জনের মৃ’ত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের রক্তের নমুনা পরীক্ষার ফলাফল এসে পৌঁছায়নি। তারা দুজনই লাদাখ ও পশ্চিমবঙ্গের বলে সোমবার জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়।

জানা যায়, লাদাখে করোনা সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর এক রোগীর মৃ’ত্যু ঘটে। সম্প্রতি ই’রান থেকে ফিরেছিলেন ৭৬ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি। দেশে ফেরার পর করোনার লক্ষণ নিয়ে শনিবার রাতে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। নিশ্চিত হতে তার রক্তের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। কিন্তু ফলাফল হাতে আসার আগেই রোববার হাসপাতালেই তিনি মা’রা যান। চক্রপাণি মহারাজের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে পঞ্চগব্য (দই, দুধ, ঘি, গোবর ও গোমূত্র) খাওয়ান স্বজনরা।