অবশেষে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে থাকছেন নরেন্দ্র মোদি

আগামী ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দারুণ সব কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিশ্বের বড় বড় নেতাদেরকে। কিন্তু সংক্রামক ব্যাধি করোনা ভাইরাসের কারণে অনেক কর্মসূচিই বাতিল হওয়ার পথে। করোনা কারণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরও বাতিল করা হয়। কিন্তু তাই বলে কি থেমে থাকবে জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান! বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে

লাইভে যুক্ত থাকবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার (১১ মার্চ) ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের বলেন, মুজিববর্ষ হলো বছরব্যাপী আয়োজন। বিদেশি অতিথিদের আসার কথা ছিল। যেহেতু বিষয়টি পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে, তাই বিদেশি অতিথিরাও পরেই আসবেন।

মোদির আগমন উপলক্ষে স্বাগত মিছিল করবে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ>>> ১৭ মার্চ মুজিব বর্ষের অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমন উপলক্ষে আগামী সোমবার (৯ মার্চ) স্বাগত মিছিল করার ঘোষণা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা।এসময় স্বাগত মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে শুরু হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করবে বলেও জানান তারা। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (ডুজা) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ তথ্য জানানো হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন।

সময় মুজিববর্ষে উপলক্ষে বছর ব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আগামী ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদীর আগমন উপলক্ষে ৯ মার্চ (সোমবার) বর্ণাঢ্য স্বাগত মিছিল ও সারাদেশে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সকল ইউনিট আগামী ১০ মার্চ (মঙ্গলবার) থেকে ১৬ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত স্বাগত মিছিল করবে, ভারত-বাংলাদেশের ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্য বন্ধুত্বের অতীতের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের স্থিরচিত্র ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনী, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর আলোকচিত্র ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, বঙ্গবন্ধুর লেখা ৩য় বই

‘আমার দেখা নয়া চীন’ এর ওপর রচনা প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান, দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১০০টি করে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে ১০০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন, ১০০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ১৭ জন বীরাঙ্গনাকে সংবর্ধনা, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা সভা ও মুক্তিযুদ্ধের গান পরিবেশন, সারাদেশব্যাপী দুর্নীতি বিরোধী পদযাত্রা ও ক্যাম্পেইন,

স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি, পথ শিশুদের মাঝে নতুন পোশাক ও খাবার বিতরণ, জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী সমাবেশ ও মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক প্রদর্শনী করা হবে।’ আল মামুন বলেন, ‘মুজিববর্ষে নরেন্দ্র মোদীর আসাকে কেন্দ্র করে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি তা কখনোই মেনে নিবে না। সকল ষড়যন্ত্র শক্ত হাতে দমন করবে।সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ঢাবি শাখার সভাপতি সনেট মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত তূর্য প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।