বিয়ের প্র’লোভনে মাদ্রাসাছাত্রীকে নি’র্জন চরে নিয়ে একাধিকবার ধ’র্ষণ

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় ৬ষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া এক মাদ্রাসাছাত্রীকে বিয়ের প্র’লোভনে ঘুরতে নিয়ে গিয়ে একাধিকবার ধ’র্ষণ করার অভি’যোগ উঠেছে।ওই শিক্ষার্থীকে কৌ’শলে দুই রাত আটকে রেখে একা’ধিকবার ধ’র্ষ’ণের অভি’যোগে আমিনুর রহমান (২৫) নামে এক অ’টোচালককে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভি’কটি’মের বাবা বাদী হয়ে আমিনুর রহমানকে আ’সামি করে মা’মলা করেন।

এরপর পুলিশ অভি’যান চা’লিয়ে বুধবার (১১ মার্চ) ভোরে অভি’যুক্ত ধ’র্ষককে গ্রে’ফতার করেছে।ভুরুঙ্গামা’রী থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, এরইমধ্যে আমিনুরকে আ’দালতে তোলা হয়েছে।এছাড়া ধ’র্ষ’ণের শি’কার হওয়া ওই ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য জেলা সদরের জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, উপজেলার শিলখুঁড়ি ইউনিয়নের কালজানী নদীর পূর্বপাড়ের উত্তর তিলাই গ্রামের দিনমজুরের ১৪ বছর বয়সী ওই মেয়েটি রুহুল আমিন দাখিল মাদ্রাসায় ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। গত শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরের দিকে মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে একই গ্রামের আবু শামার ছেলে ও অটোচালক আমিনুর রহমান পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে কৌশলে ওই ছাত্রীকে অটো রিকশায় তুলে নেয়।

এরপর বিয়ে করাসহ নানা প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্থান তাকে ঘুরিয়ে রাতে সোনাহাট ব্রিজের পাশের দুধকুমার নদের নির্জন চরে পরিত্য’ক্ত ঝু’পড়ি ঘরে নিয়ে যায়। এরপর ওই ছাত্রীকে ধ’র্ষণ করে। বিয়ে করার কথা বলে পরদিন রোববার (৮ মার্চ) আবারও তাকে ধ’র্ষণ করে। তিনি আরও জানান, এরপর ওই ছাত্রীকে সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে ভুরুঙ্গামারী বাসস্ট্যান্ডে রেখে কৌশ’লে সটকে পড়ে আমিনুর রহমান।

ছাত্রীটি ওইদিন সন্ধ্যার দিকে বাড়ি ফিরে পরিবারের সবাইকে ঘটনাটি জানালে তার বাবা বাদী হয়ে পরদিন মঙ্গলবার থানায় মাম’লাটি দায়ের করেন। কুমিল্লায় চাচার কাছেও রেহাই পেল না ৯ মাসের শিশু>>> কুমিল্লার দেবিদ্বারে মাত্র ৯ মাস বয়সী এক শিশুকে ধ’র্ষণের চে’ষ্টার অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জ’ড়িত থাকার অ’ভিযোগে হাবিবুর রহমান (২১) নামে এক যুবককে আ’টক করেছে পু’লিশ।

হাবিব সম্পর্কে ওই শিশুটির চাচাতো কাকা (বাবার চাচাতো ভাই)। রোববার (৮ মার্চ) ঘটনাটি ঘটে উপজে’লার রসুলপুর ইউনিয়নের র’সুলপুর গ্রামের মিন্টু মেম্বারের বাড়িতে। পেশায় রিক্সা চালক হাবিব একই বাড়ির আলেক মিয়ার ছেলে। এদিন রাত ১০টার দিকে এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন দেবিদ্বার থা’নার উপপরিদর্শক (এসআই) আতিয়ার রহমান।তিনি বলেন, এই ঘটনার খবর পেয়ে অ’ভিযুক্ত হাবিবকে আ’টক করেছে পু’লিশ।

প্রাথমিকভাবে হাবিব ঘটনার স’ত্যতা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় মা’মলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।নি’র্যাতিত শিশুটির মা জানান, হাবিব সম্পর্কে তার চাচাতো দেবর। তার মা ঘরে না থাকায় তাকে হাবিবদের রান্না ঘরের চুলায় আ’গুন জ্বালিয়ে দিতে বলেন। এসময় তার কোল থেকে শিশুটিকে নিয়ে যায় সে। এরপর চুলা জ্বা’লিয়ে দিতে গেলে হঠাৎ মেয়ের কান্নার আওয়াজ শুনতে পান শিশুটির মা।

এরপর তিনি হাবিবের ঘরে গিয়ে দেখেন হাবিব তার মেয়ের সঙ্গে খারাপ আ’চরণ করছে। পরে তার কাছ থেকে মেয়েকে কেড়ে নিয়ে এসে বিষয়টি বাড়ির লোকদের জানান তিনি।ঘটনার পর উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে ডা. রুজিনা আক্তার মেয়ে শিশুটিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে ওয়ান স্টপ (ওসিসি) বিভাগে ভর্তির জন্য রেফার করেন।

দেবিদ্বার উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রুজিনা আক্তার জানান, প্রাথমিক সেবা দিয়ে শিশুটিকে কুমেক হাসপাতালের ওসিসি’তে রেফার করে দিয়েছি। শিশুটির ঠোঁটে ক্ষ’ত চিহ্ন ছিল বলে জানান তিনি। এদিকে দেশের অন্যপ্রান্তে,