আ’গুন নিয়ন্ত্রনে চেষ্টা করছে ২০ ইউনিট, হি’মসিম খাচ্ছে কর্মীরা

মিরপুরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আপ্রান চেষ্ট্রা করেও আ’গুন নিয়ন্ত্রনে আনা সম্ভব হচ্ছে না। পর্যাপ্ত রাস্তা না থাকায় আ’গুন লাগার স্থানে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পৌছানো সম্ভব নয়। এছাড়া প্রচুর উৎসুক জনতার কারনেও আ’গুন নিয়ন্ত্রনে বেগ পেতে হচ্ছে ফায়ার ফাইটারদের। সাথে রয়েছে বাতাসের চাপ। বার বার উৎসুক জনতাকে দুরে সড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করেও ব্যা’র্থ হচ্ছে আ’ইন শৃঙ্খলা বাহিনী।

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী আ’গুন নিয়ন্ত্রনে যোগ হয়েছে আরো চারটি ইউনিট। এনিয়ে ২০টি ইউনিট আ’গুন নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে এ অ’গ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে কিছুই জানা যায়নি। বস্তিতে ঘরগুলো টিনের থাকার কারনে আ’গুনের লেলিহান শিখা আরো তীব্র হচ্ছে। তবে আ’তংকের বিষয় হচ্ছে আ’গুন আশেপাশের ভবনগুলোতে ছড়িয়ে যায় কিনা।

নারায়ণগঞ্জে কোয়ারেন্টাইনে ৪০ জন>>> নারায়ণগঞ্জে ৪০ জনকে নিজ নিজ বাসায় কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) ইতালিফেরত জেলার দুজন চিকিৎসাধীন। তারা এই ৪০ জনের সংস্পর্শে এসেছিলেন। সে কারণেই তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তারা নিজ নিজ বাড়িতেই রয়েছেন। তাদের পাশে আইইডিসিআর’র কর্মকর্তা ছাড়া কাউকে ভিড়তে দেয়া হচ্ছে না।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা ১০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল সার্জন আসাদুজ্জামান এ তথ্য জানান।তিনি জানান, যেহেতু আক্রান্ত দুজন ওই ৪০ জনের সংস্পর্শে ছিলেন তাই অহেতুক ভয়ভীতি এড়াতে তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এদিকে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকারের নির্দেশনায় সারাদেশের মতো নারায়ণগঞ্জেও কোয়ারেন্টাইনের জন্য ৫০ শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

শহরের শায়েস্তা খান সড়কে নির্মিত জুডিশিয়াল ভবনে ওই ৫০টি শয্যার ইউনিট খোলা হয়েছে। এর আগে শহরের ১০০ শয্যা ও ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ৫টি করে ১০ শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এখন এ ১০ শয্যার সঙ্গে নতুন করে ৫০ শয্যা যুক্ত হয়েছে। এর আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে নারায়ণগঞ্জের ৩০০ শয্যা হাসপাতাল ও নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে (১০০ শয্যা হাসপাতাল) ৫টি করে ১০টি শয্যা কোয়ারেন্টাইন ইউনিটের ব্যবস্থা করা হয়।