নারায়ণগঞ্জে কোয়ারেন্টাইনে ৪০ জন

নারায়ণগঞ্জে ৪০ জনকে নিজ নিজ বাসায় কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) ইতালিফেরত জেলার দুজন চিকিৎসাধীন। তারা এই ৪০ জনের সংস্পর্শে এসেছিলেন। সে কারণেই তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তারা নিজ নিজ বাড়িতেই রয়েছেন। তাদের পাশে আইইডিসিআর’র কর্মকর্তা ছাড়া কাউকে ভিড়তে দেয়া হচ্ছে না।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা ১০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল সার্জন আসাদুজ্জামান এ তথ্য জানান।তিনি জানান, যেহেতু আক্রান্ত দুজন ওই ৪০ জনের সংস্পর্শে ছিলেন তাই অহেতুক ভয়ভীতি এড়াতে তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এদিকে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকারের নির্দেশনায় সারাদেশের মতো নারায়ণগঞ্জেও কোয়ারেন্টাইনের জন্য ৫০ শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

শহরের শায়েস্তা খান সড়কে নির্মিত জুডিশিয়াল ভবনে ওই ৫০টি শয্যার ইউনিট খোলা হয়েছে। এর আগে শহরের ১০০ শয্যা ও ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ৫টি করে ১০ শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এখন এ ১০ শয্যার সঙ্গে নতুন করে ৫০ শয্যা যুক্ত হয়েছে। এর আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে নারায়ণগঞ্জের ৩০০ শয্যা হাসপাতাল ও নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে (১০০ শয্যা হাসপাতাল) ৫টি করে ১০টি শয্যা কোয়ারেন্টাইন ইউনিটের ব্যবস্থা করা হয়।

সিলেটে করোনা স’ন্দেহ শুনেই হাসপাতাল থেকে সৌদি প্রবাসী নারী উ’ধাও>>> করোনাভাইরাস স’ন্দেহের কথা শুনে সিলেটে সৌদিফেরত এক নারী হাসপাতাল থেকে পা’লিয়ে গেছেন। রোগের বিস্তারিত শুনে চিকিৎসকরা করোনাভাইরাস স’ন্দেহ করার পরপরই পা’লিয়ে যান তিনি।পালিয়ে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর তাকে খুঁজে পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দক্ষিণ সুরমার নর্থইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকালে জ্বর নিয়ে নগরীর দক্ষিণ সুরমা নর্থইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন মোগলাবাজার থানার ইসলামপুর গ্রামের এক নারী (৬০)। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তার রোগের বিস্তারিত শুনে ‘করোনাভাইরাস’ সন্দেহ করেন। একই সঙ্গে তাকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন। এ সময় চিকিৎসকরা ওই রোগীকে প্রয়োজনীয় কিছু পরীক্ষাও লিখে দেন।

পরীক্ষা করানোর কথা বলে হাসপাতাল থেকে তিনি উধাও হয়ে যান। পরে ওই নারীর খোঁজ না পেয়ে সিলেটের সিভিল সার্জনকে বিষয়টি অবহিত করেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মন্ডল বলেন, ওই নারী সপ্তাহখানেক আগে সৌদি থেকে দেশে আসেন। দেশে আসার পর তার জ্বর হলে হাসপাতালে যান। এ সময় তার কাছ থেকে রোগের বিস্তারিত তথ্য শুনে প্রবাসী হওয়ায় ‘করোনাভাইরাস’

আক্রান্ত স’ন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হতে বলা হয়। এরপরই হাসপাতাল থেকে ওই নারী পালিয়ে যান। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী যোগাযোগ করলেও কোনো সাড়া মেলেনি। তিনি বলেন, পরে আমরা ওই নারীর সঙ্গে কথা বলেছি। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা হয়েছে। তাকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে তার সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর জন্য। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার যদি করোনা শনাক্ত হয় তাকে বাড়িতেই কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। যদি তারা পরামর্শ না শোনেন তাহলে পুলিশি সহায়তায় তাকে নিয়ে আসা হবে।