রমজান মাসে প্রকাশ্যে নাচ-গান নি’ষিদ্ধ ঘোষণা, অ’মান্য করলেই জে’ল

আরবি সকল মাসের শ্রেষ্ঠ মাস হচ্ছে রমজান। এই মাসে পৃথিবীর সকল মুসলিমরা সিয়াম পালন করেন। এবার পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিবা আসন্ন রমজানে (৬ জুন থেকে শুরু) যেকোনো ধরনের প্রকাশ্য নাচ, গান ও নাটক নি’ষিদ্ধ ঘো’ষণা করেছে। দেশটির পুলিশ বলছে, কেউ এই নির্দেশনা অ’মান্য করলে তার জে’ল হতে পারে। কেউ এই আ’ইন অ’মান্য করলে কর্তৃপক্ষকে অবগত করার জন্যও আহ্বান জানিয়েছে তারা।

এদিকে গাম্বিয়া পুলিশের মুখপাত্র লামিন নাইজি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এএফপিকে বলেছে, ‘পুলিশ কর্তৃক রমজান মাসে নাচ, গান ও না’টক নি’ষিদ্ধের সিদ্ধান্তকে জনগণ স্বাগত জানিয়েছে এবং আ’ইন অ’মান্য করার অ’পরাধে (গত বছর) একজনকেও গ্রে’প্তার করা হয়নি।’ এর আগে গত সপ্তাহে প্রকাশিত এক বি’বৃতিতে পুলিশ স’তর্ক করে বলে, যেকোনো ধরনের উৎসব, আয়োজন ও অনুষ্ঠানে দিনে বা রাতে নাটক, গান ও নাচ নি’ষিদ্ধ।

সবাইকে এই আইন মান্য করার আহ্বান করা হচ্ছে। নতুবা আইন প্রয়োগে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না এবং অ’ভিযুক্তরা গ্রে’প্তার হবে।
এর আগে গত ডিসেম্বরে গাম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়াহইয়া জামিহ দেশটিকে ইসলামী রাষ্ট্রে উন্নীত করার ঘো’ষণা দেন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের সংখ্যালঘু খ্রিস্টান সম্প্রদায় পূর্ণ নাগরিক অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগ করবে এবং নারীদের ওপর বিশেষ পোশাক রীতি চাপিয়ে দেওয়া হবে না।

গাম্বিয়ার ৯০ শতাংশ নাগরিক মুসলিম। ক’রোনা ভা’ইরাস ঠেকাতে কাতারে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব’ন্ধ>>> সারাবিশ্বে বর্তমানে দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে সংক্রামক ম’রণব্যাধি করোনাভাইরাস। যেহেতু এই রোগ ছোঁ’য়াচে তাই বর্তমানে সর্বোচ্চ স’তর্কতা অবলম্বন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কাতার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক জরুরী সিদ্ধান্তে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে ব’ন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কাতার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক জরুরী বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামীকাল ১০ মার্চ থেকে কাতারে সকল শিক্ষার্থীর জন্য

সরকারী ও বেসরকারি স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পড়াশোনা পরবর্তী বি’জ্ঞপ্তি না দেওয়া পর্যন্ত ব’ন্ধ থাকবে। এ বিষয়ে আরও জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় ক’রোনাভাইরাস (কোভিড -১৯) সীমাবদ্ধ করার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কাতারের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য পেনিনসুলা কাতারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত>>>

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, করোনাভাইরাস সম্পর্কে জাতীয় পর্যায়ে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) মতামত অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার পরিস্থিত এখনও তৈরি হয়নি। বিষেশজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। সোমবার (৯ মার্চ) বিকালে রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (নায়েম) ১৫৮তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নায়েম) মহাপরিচালক প্রফেসর আহাম্মেদ সাজ্জাদ রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন প্রমুখ। মন্ত্রী বলেন, মানসম্মত শিক্ষা অর্জনে মানসম্মত শিক্ষক খুবই জরুরি।

শিক্ষকদের প্রতিনিয়ত আপডেট থাকতে হবে। বর্তমান বিশ্বে সবকিছু খুব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিষয়ের সঙ্গে আমরা পরিচিত হচ্ছি। তাই অনার্স, মাস্টার্স অথবা পিএচডি ডিগ্রি নিলেই সব শেষ হয়ে গেল তা নয়। আমাদের জীবনব্যাপী শিক্ষতে হবে। এর আগে রাজধানীর একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন জানান, করোনা আতঙ্কে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের মতো পরিস্থিতিই তৈরি হয়নি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে কোনো ধরনের নির্দেশনা দেয়া হলে তা বাস্তবায়ন করা হবে।