স্কুল মার্কেটের তয় তলার রেস্টুরেন্ট থেকে আ’টক ৪ তরুণ-তরুণী

স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ক্লাস ফাঁ’কি দিয়ে রেস্টুরেন্ট আড্ডা মারছিল এমন সময় ৪ কপোত-কপোতীকে আ’টক করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে ফেনীর দাগনভূঞা বাজারের আতার্তুক স্কুল মার্কেটের ৩য় তলায় এই ঘটনা ঘটে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ইউএনও মো. রবিউল হাসান রেস্টুরেন্টকে ১৫ হাজার টাকা জ’রিমানা করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে,

দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মো. রবিউল হাসান দাগনভূঞা বাজারের আতার্তুক স্কুল মার্কেটের তয় তলার একটি রেস্টুরেন্টে অভিযান চালান। এসময় রেস্টুরেন্টে থাকা স্থানীয় একটি কলেজের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির চার কপোত-কপোতীকে আ’টক করে অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট কলেজ অধ্যক্ষকে খবর দেন। পরে আটক চার কপোত-কপোতী অ’সামাজিক ক’র্মকাণ্ড করবে না বলে মু’চলেখা দিলে তাদের অ’ভিভাকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ইউএনও মো. রবিউল হাসান জানান, দীর্ঘদিন যাবত স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন হোটেল এবং রেস্টুরেন্টে আড্ডা মারছে এমন খবরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ অ’ভিযান অব্যাহত থাকবে। এবিষয়ে হোটেল এবং রেস্টুরেন্টকে আগেই স’র্তক করা হয়েছিল। হঠাৎ অ’জ্ঞাত রোগে একই স্কুলের ছয় ছাত্রী হাসপাতালে>>> শেরপুরে অ’জ্ঞাত রোগে আ’ক্রান্ত হয়ে একই স্কুলের ছয় ছাত্রী জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে

রোববার দুপুরে সদর উপজেলার চরশেরপুর কবি নজরুল একাডেমিতে স্কুল চলাকালীন সময়ে এ ঘ’টনা ঘটে।এ ঘটনায় স্কুলের ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের মাঝে আ’তঙ্ক বিরাজ করছে। অন্যদিকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অসুস্থদের রোগ নির্ণয় করতে পারেনি চিকিৎসকরা। শিক্ষার্থী আসিয়া, রাজুু, স্বপ্না ও রেজাউল জানায়, দুপুরে অ্যাসেম্বলির পর স্কুল চলাকালীন সময়ে হঠাৎ করেই নবম শ্রেণির একজন ছাত্রী অ’সুস্থ হয়ে পড়ে।

পরে তাকে পাশেই এক শিক্ষকের বাসায় রাখা হয়। পরে ১০ মিনিটের ব্যবধানে ষষ্ঠ শ্রেণির একজন ও অষ্টম শ্রেণির চার ছাত্রী অ’জ্ঞান হয়ে পড়ে। এতে স্কুলে আ’তঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে অসুস্থদের দ্রুত জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কবি নজরুল একাডেমির পরিচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রথমে এক ছাত্রীর অ’সুস্থতার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। এর কিছুক্ষণ পর আরো কয়েকজন ছাত্রী অ’সুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের মাথায় পানি ঢালা হয়।

পরবর্তীতে সবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রত্যেককে জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। ২নং চরশেরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন সুরুজ বলেন, আমি হাসপাতালে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর খোঁজ খবর নিয়েছি।এ বিষয়ে জানতে ডাক্তারদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, এটা এক ধরনের হিস্ট্রেরিয়া রোগ। এ রোগে একজন আক্রান্ত হলে তার দেখাদেখি আরো ৮০ জন পর্যন্ত আক্রান্ত হতে পারে।

শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার খায়রুল কবির সুমন বলেন, যেসব ছাত্রী এখানে ভর্তি হয়েছে কেউ মাথা ব্যথা, কেউ বুকে ব্যথা নিয়ে ভর্তি হয়েছে। তাদের সবাইকেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তারা অনেকেই এখন কিছুটা সুস্থতা বোধ করছে। পরে তাদের সাথে কথা বলে বিস্তারিত জানা যাবে।তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের যেহেতু হাচি, কাঁশি বা জ্বর নেই সেহেতু রোগ সম্পর্কে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।