১০ টাকার মাস্ক ২০০, সিভিল পোশাকে ভোক্তা অধিকারের অ’ভিযান

১০ টাকার মাস্ক ২০০ টাকা বিক্রি করে ভোক্তা অধিকারের হাতে ধরা পড়েছেন দোকানদার.. দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ায় সিলেটসহ সর্বত্র বেড়েছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। হাঁচি-কাশিতে ছড়ানো এ রোগটি থেকে সুরক্ষা পেতে দেশে মাস্ক ব্যবহার বেড়েছে হঠাৎ কয়েকগুণ। ফলে বাজারে মাস্কের দামও বাড়িয়েছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় মাস্কের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সিলেটে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিদফতর।

সোমবার দুপুরে (০৯ মার্চ) সিলেট নগরের জিন্দাবাজারস্থ ইদ্রিছ মার্কেটে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ অভিযান চালায় ভোক্তা অধিদফতর সিলেট। এ সময় আদিল সায়েন্টিফিক স্টোর নামে একটি দোকানে মাত্রাতিরিক্ত দামে মাস্ক বিক্রির অভিযোগে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ও দোকান মালিককে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর সিলেট মহানগরের সহকারী পরিচালক শ্যামল পুরকায়স্থ।

এ সময় তাকে সহযোগিতা করে সিলেট মহানগর পুলিশের একটি দল। অভিযানকালে শ্যামল পুরকায়স্থ বলেন, ব্যবসায়ীরা সংকটময় মুহূর্তকে পুঁজি করে বেশি দামেমাস্ক বিক্রি করছিলেন এমন খবরে আমরা বাজারে অভিযানে নেমে এর সত্যতা পাই। জানতে পারি ১০-২০ টাকার একটি মাস্ক ২০০ টাকা দামে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। তিনি বলেন, আমরা সিভিল পোশাকে লোক পাঠানোর পর এর সত্যতা পেয়ে ইদ্রিছ মার্কেটে অভিযান চালাই।

অভিযানে আদিল সায়েন্টিফিক স্টোরকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। যদিও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪০ ধারায় ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু বেশি দামে আর মাস্ক বিক্রি করবেন না বলে প্রতিজ্ঞা করার আমরা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছি। শ্যামল পুরকায়স্থ আরও বলেন, জরিমানা আদায়ের সময় আদিল সায়েন্টিফিক স্টোরের মালিক জয়নাল আবেদিনকে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।

তিনি এমন কাজ ভবিষ্যতে আর না করবেন না বলে অঙ্গীকার করেছেন। মাস্কের বাজার নিয়ন্ত্রণে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের এই কর্মকর্তা। বেশি দামে মাস্ক বিক্রির দায়ে ফার্মেসিকে জ’রিমান>>>ময়মনসিংহে মাক্সের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেছে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত মুনাফা ও পণ্যের রশিদ সংরক্ষন না করায় নগরীর দূর্গাবাড়ি এলাকায় দুটি ফার্মিসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদুর রহমান।

অভিযানে নগরীর দূর্গাবাড়ি এলাকার বায়োল্যাব সার্জিক্যাল ফার্মিসিকে ভোক্ত অধিকার আইনে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১০ দিনের বিনাশ্রম কা’রাদন্ড প্রদান করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। একই সময় এস কে মেডিসিন ফার্মিসিকে অতিমুনাফার দায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৭ দিনের বিনাশ্রম কা’রাদন্ড প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদুর রহমান অভিযান পরিচালনার সময় ব্যবসায়ীদের সচেতনামূলক নির্দেশনা দেন। তিনি দোকানীদের প্রতি মাক্সে ২০ থেকে ২৫ শতাংশের বাইরে মুনাফা অর্জন করতে বারণ করেন। আইন ও নির্দেশনা অমান্য করে কেউ অতি মুনাফা, পণ্যের যথাযথ রশিদ সংগ্রহ, সংরক্ষণ না করলে আইন অনুযায়ী দ’ন্ডিত হবেন বলে নির্দেশনা প্রদান করেন।