কুমিল্লায় চাচার কাছেও রেহাই পেল না ৯ মাসের শিশু!

কুমিল্লার দেবিদ্বারে মাত্র ৯ মাস বয়সী এক শিশুকে ধ’র্ষণের চে’ষ্টার অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জ’ড়িত থাকার অ’ভিযোগে হাবিবুর রহমান (২১) নামে এক যুবককে আ’টক করেছে পু’লিশ।হাবিব সম্পর্কে ওই শিশুটির চাচাতো কাকা (বাবার চাচাতো ভাই)। রোববার (৮ মার্চ) ঘটনাটি ঘটে উপজে’লার রসুলপুর ইউনিয়নের র’সুলপুর গ্রামের মিন্টু মেম্বারের বাড়িতে। পেশায় রিক্সা চালক হাবিব একই বাড়ির আলেক মিয়ার ছেলে।

এদিন রাত ১০টার দিকে এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন দেবিদ্বার থা’নার উপপরিদর্শক (এসআই) আতিয়ার রহমান।তিনি বলেন, এই ঘটনার খবর পেয়ে অ’ভিযুক্ত হাবিবকে আ’টক করেছে পু’লিশ। প্রাথমিকভাবে হাবিব ঘটনার স’ত্যতা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় মা’মলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।নি’র্যাতিত শিশুটির মা জানান, হাবিব সম্পর্কে তার চাচাতো দেবর। তার মা ঘরে না থাকায় তাকে হাবিবদের রান্না ঘরের চুলায় আ’গুন জ্বালিয়ে দিতে বলেন।

এসময় তার কোল থেকে শিশুটিকে নিয়ে যায় সে। এরপর চুলা জ্বা’লিয়ে দিতে গেলে হঠাৎ মেয়ের কান্নার আওয়াজ শুনতে পান শিশুটির মা।এরপর তিনি হাবিবের ঘরে গিয়ে দেখেন হাবিব তার মেয়ের সঙ্গে খারাপ আ’চরণ করছে। পরে তার কাছ থেকে মেয়েকে কেড়ে নিয়ে এসে বিষয়টি বাড়ির লোকদের জানান তিনি।ঘটনার পর উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে ডা. রুজিনা আক্তার মেয়ে শিশুটিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে ওয়ান স্টপ (ওসিসি) বিভাগে ভর্তির জন্য রেফার করেন।

দেবিদ্বার উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রুজিনা আক্তার জানান, প্রাথমিক সেবা দিয়ে শিশুটিকে কুমেক হাসপাতালের ওসিসি’তে রেফার করে দিয়েছি। শিশুটির ঠোঁটে ক্ষ’ত চিহ্ন ছিল বলে জানান তিনি। এদিকে দেশের অন্যপ্রান্তে, ভ’য় দেখিয়ে ছাত্রের মাকে ৮ মাস ধ’র্ষ’ণ করলো শিক্ষক>>> ছাত্রের মাকে টানা আট মাস ভ’য় দেখিয়ে ধ’র্ষ’ণ করার অ’ভি’যো’গে এক বেসরকারি স্কুল শিক্ষককে গ্রে’ফতা’র করেছে পুলিশ।

স’ম্প্র’তি ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের চণ্ডীগড়ে। পুলিশ জা’নিয়েছে, অ’ভি’যু’ক্ত শিক্ষক প্রথমে ওই না’রীর শ্লী’ল’তাহা’নি করেছিল। বিষয়টি স্কুলে জানালে স্কুল থেকে উল্টো তার ছেলেকে তা’ড়ি’য়ে দেওয়ার হু’ম’কি দেখান তিনি। এরপর ওই না’রী’কে ব্ল্যা’ক’মে’ল করা শুরু করেন শিক্ষক। ভ’য় দে’খিয়ে চণ্ডীগড়ের বিভিন্ন হোটেলে নিয়ে ধ’র্ষ’ণ করতেন। অ’ভি’যো’গ জা’নানোর সময় পুলিশের কাছে কয়েকটি হোটেলের বিলও জমা দিয়েছিলেন তিনি।

এই ধ’র্ষ’ণে’র জেরে না’রী অ’ন্তঃস’ত্ত্বা হয়ে পড়লে তাকে গ’র্ভ’পা’ত করানোর চাপ দিতে থাকেন ওই শিক্ষক। এরপর স্বামীকে অ’ত্যা’চা’রের কথা জানান ওই না’রী। স্বামীকে জা’নিয়েই তিনি পুলিশে অ’ভি’যো’গ দা’য়ের করেন। অ’ভি’যু’ক্ত শিক্ষকের বি’রু’দ্ধে ভারতীয় দ’ণ্ডবি’ধির বেশ কয়েকটি ধারায় মা’ম’লা করা হয়েছে। তাকে গ্রেফ’তার করে পুলিশ ত’দ’ন্ত শুরু করেছে।