বাবা-মাকে খুঁজছে শিশুটি, আপনার একটি শেয়ারে খুঁজে পেতে পারে পরিবার ।

সাত বছর বয়সের একজন বাকপ্রতিবন্ধি ছেলে শিশুর বাবা-মাকে খুঁজছে পুলিশ। শিশুটি বর্তমানে তেজগাঁও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নিরাপদ হেফাজতে রয়েছে। শিশুটির গায়ের রং কলো। হারিয়ে যাওয়ার সময় তার পরনে ছিল সাদা শার্ট ও কালো জিন্স প্যান্ট। ডিএমপি নিউজে বলা হয়, শনিবার রামপুরা থানা এলাকায় এই শিশুকে খুঁজে পায় স্থানীয় লোকজন। দিক-বিদিক হাঁটাচলা করতে দেখে লোকজন তাকে রামপুরা থানায় নিয়ে আসে। শিশুটি বাকপ্রতিবন্ধি হওয়ায় কোনো কিছুই বলতে পারে না।

রামপুরা থানা পুলিশ শিশুর নিরাপদ হেফাজতের জন্য তেজগাঁও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে প্রেরণ করেন। এ বিষয়ে রামপুরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। শিশুটির কোনো স্বজনের সন্ধান বা ঠিকানা পাওয়া গেলে তেজগাঁও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে (ডিউটি অফিসার- মুঠোফোন নম্বর- ০১৭৪৫-৭৭৪৪৮৭, টিএনটি নম্বর- ০২৯১১০৮৫) যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। বাংলাদেশেও ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাস, আক্রান্ত ৩ জন>>> এবার বাংলাদেশেও সনাক্ত করা হয়েছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগী।

দেশে তিনজনের শরীরে এ ভাইরাস পাওয়া গেছে। রোববার জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আক্রান্তদের হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও একজন নারী!আইইডিসিআরের পরিচালক মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, এদের মধ্যে একজন পুরুষ ও এক নারী একই পরিবারের।

তিনি বলেন, সম্প্রতি দুজন ইতালি প্রবাসী দেশে আসেন। তাদের একজনের মাধ্যমে পরিবারের নারী সদস্য আক্রান্ত হন। তিনি আরও জানান, এই প্রবাসীরা কোথায় কোথায় গিয়েছেন, কাদের কাদের সঙ্গে মিশেছে তাদের খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। আক্রান্তদের বয়স ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে।গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে রোগটি শনাক্ত হওয়ার পর এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে কোনো রোগী শনাক্ত হলেন।

ইতিমধ্যে বিশ্বের শতাধিক দেশে এ ভাইরাসের সংক্রমিত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা। যেসব খাবার খেলে কাছেও ঘেঁষবে না করোনা ভাইরাস>>> করোনাভাইরাস নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে প্রতিনিয়ত। বিশ্বজুড়ে এ পর্যন্ত ৯০ হাজারের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এবং মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ৩৮৭। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিরোধের জন্য মাস্ক ব্যবহার ও হাত ধোয়ার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া কিছু খাবার রয়েছে, যা খেলে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করা যায়।

আসুন জেনে নিই এমন কিছু খাবার সম্পর্কে যা করোনা প্রতিরোধ করে। রান্নায় আদা: খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন আদা। রান্না করা খাবারে আদা ব্যবহার করুন। পারলে দিনে দু-একবার আদা চাও খেতে পারেন। কাঁচা রসুন: এই ভাইরাস প্রতিরোধে খেতে পারেন রসুন। তবে রান্না করা রসুনে সেই গুণ মেলে না। তাই পানি ফুটিয়ে কিংবা কাঁচা রসুন খেতে পারেন। সবুজ সবজি: খেতে পারেন সবুজ সবজি। সিদ্ধ ও রান্না করে খেতে পারেন সবজি। দই খান: প্রতিদিন দুপুরে খাওয়াদাওয়ার পর দই খান।

তাতে দেখবেন আপনার ত্বকের ঔজ্জ্বল্য যেমন ফিরবে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। হলুদ গোলমরিচ দুধ ও ঘি: বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য হলুদের সঙ্গে গোলমরিচ, নারিকেল দুধ ও ঘি মিশিয়ে খান। গ্রিন টি: খেতে পারেন গ্রিন টি। প্রতিদিন ২-৩ কাপ করে এই চা খান। তাতে দেখবেন অনেক বেশি তরতাজা হয়ে গেছেন আপনি। ফল খান: নিত্যদিনের খাদ্যতালিকায় ফল রাখুন। বিশেষত পেয়ারা, জাম খেতে পারেন।

প্রোটিন খাবার: ভাইরাসের কোষকে ধ্বংস করার জন্য খাদ্যতালিকায় প্রোটিন জাতীয় খাবার রাখতে পারেন। কুমড়োর দানা: কুমড়োর দানা শুকিয়ে খেতে পারলেও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। এ ছাড়া বাঁধাকপি, পেঁয়াজকলি, টমেটো, পেঁয়াজ, আদা এবং রসুন একসঙ্গে সিদ্ধ করে খেতে পারেন। তাতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। তথ্যসূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

করোনা ভাইরাসের উচ্চ ঝুঁ’কিতে বাংলাদেশ >>> নভেল করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) ‘যেকোনো স্থান’ থেকে বাংলাদেশকে আ’ক্রমণ করতে পারে বলে সত’র্ক করে প্রস্তুত হওয়ার পরাম’র্শ দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং। ‘ভাইরাসটি বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশগুলোতে ছড়িয়েছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশকে অবশ্যই প্রস্তুত হতে হবে,’ বুধবার (৪ মা’র্চ) কেরানীগঞ্জের পানগাঁও জাজিরায় স্থাপিত প্রকল্প কার্যালয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জিমিং বলেন, ‘যে কোনো স্থান থেকেই ক’রোনাভাইরাস আ’ক্রমণ করতে পারে।’ বাংলাদেশের সব বন্দরে থার্মাল স্ক্যা’নার বসানোর পরাম’র্শও দেন তিনি।

চীনের পাশাপাশি বাংলাদেশকে সতর্ক করেছে আমেরিকাও। মঙ্গলবার ঢাকার মা’র্কিন দূতাবাসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ বি’জ্ঞপ্তিতে গতকাল বলা হয়, বাংলাদেশসহ মোট ২৫ দেশ কভিড-১৯ এর উচ্চ ঝুঁ’কিতে রয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়া বাকি ২৪টি দেশ হলো- আফগানিস্তান, অ্যাঙ্গোলা, ইন্দোনেশিয়া, ই`রাক, কাজাখস্তান, কেনিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, তাজিকিস্তান, ফিলিপাইন, তুর্কমিনিস্তান, উজবেকিস্তান, জাম্বিয়া, জিম্বাবুয়ে, মিয়ানমা’র, কম্বোডিয়া, ইথিওপিয়া, কিরঘিজ প্রজাতন্ত্র, লাও, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম।

আরব আমিরাতে করোনাভাইরাসে বাংলাদেশি প্রবাসী আ’ক্রা’ন্ত >>> সংযু’ক্ত আরব আমিরাতে এক বাংলাদেশিসহ আরও দুই বাসি’ন্দা প্রাণঘা’তী করোনাভাইরাসে আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশটিতে কোভিড-১৯ ভাইরাসে আ’ক্রা’ন্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ জনে।শুক্রবার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে গালফ নিউজ ও আল-আরাবিয়াহর খবরে এমন তথ্য জানিয়েছে। দুই রোগীর মধ্যে একজন ফিলিপিন্স থেকে এসেছেন। তার বয়স ৩৪। আর ৩৯ বছর বয়সী আরেকজন বাংলাদেশি।

সম্প্রতি তারা চীনা করোনারো’গীর সরাসরি সংস্পর্শে ছিলেন। তাদের দুজনের অবস্থায় স্থিতিশীল বলে জানিয়েছে আরব আমিরাত।গত সপ্তাহে দেশটিতে তিন করোনাভাইরাস রোগী সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরেছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ইন্টারন্যাশনাল স্বাস্থ্য রেগুলেশনসের প্রধান ডা. ফাতিমা আত্তার বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মা’ন বজায় রেখেই তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। পূ’র্ণভাবে সু’স্থ হয়ে ওঠার আগ পর্যন্ত তাদের পর্যবেক্ষ’ণে রাখা হবে।আমিরাত জানায়, করোনাভা’ইরাস রো’গীর সরাসরি সংস্প’র্শে আসা প্রত্যেককেই পরীক্ষা করে দেখা হবে। এখানে করোনাভাইরাস ম’হামা’রী আকারে আসবে না।