এবার শাবনূরের একাধিক পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেনঃ অনিক ।

শাবনূর দাবি করেছেন তার স্বামী ম’দ্যপ, তাকে মা’রধর করে। কিন্তু স্বামী অনীকের দাবি, তিনিই শাবনূরকে ম’দ্যপ অবস্থায় পেয়েছেন।বললেন, ‘একজন মানুষ ও স্বামী হিসেবে এসব তো মেনে নেওয়া যায় না। তাই দূরে থেকেছি। শাবনূরকে বাংলাদেশে স্বনামধন্য, জনপ্রিয় এবং অ’ত্যন্ত ভালো মানের অ’ভিনয়শিল্পী হিসেবে শ্রদ্ধা করি। সেভাবেই তাঁর সঙ্গে আমা’র পরিচয়। আমা’র সন্তানের মা হিসেবে, আমা’র সাবেক স্ত্রী’ হিসেবেও তিনি সম্মানের দাবিদার।

কিন্তু তাই বলে আমা’র স’ম্পর্কে যা খুশি তা-ই মিডিয়াকে বলবে-এটা তো মানা যায় না!’ অনীক বলেন, ‘আমাকে মা’দকাসক্ত বলা হলো। সবার উদ্দেশে বলতে চাই, আমি প্রতিদিন সকাল ছয়টায় ঘুম থেকে উঠি। এরপর দুই-তিন ঘণ্টা জিমে ওয়ার্কআউট করি। অনেক বেশি স্বাস্থ্যসচেতন মানুষ। আমি অনেক বডি বিল্ডিং প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবেও থাকি। একজন স্বাস্থ্যসচেতন মানুষ কী’ভাবে মা’দকাসক্ত, সেটা সবার কাছে জানতে চাই। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি, আমা’র র’ক্ত পরীক্ষা করা হোক।

যদি মা’দকাসক্তের কোনো নমুনা পাওয়া যায়, তাহলে যা শা’স্তি প্রাপ্য তা–ই মেনে নেব। শাবনূরের র’ক্তও পরীক্ষা করা হোক। আমি আসলে এসব মেনে নিতে পারছি না। আমা’র হাতে কোনো নোটিশ এল না, টেলিভিশন আর পত্রিকায় দেখছি, সন্তানের ভরণপোষণও দিই না! সবার কাছে প্রশ্ন রাখছি, সন্তানের ভরণপোষণ দেওয়ার হিসাব কি আমাকে রাখতে হবে? আমা’র ছেলে অস্ট্রেলিয়ায় থাকুক কিংবা বাংলাদেশে থাকুক—সব সময় বাবা হিসেবে যাবতীয় দায়িত্ব পালন করেছি।

কিন্তু আফসোস, দেড় বছর ধরে সন্তানকে দেখার সুযোগ থেকেও আমি বঞ্চিত। অনীক বলেন, ‘আড়াই বছর আগে একবার হঠাৎ করে কোনো কথা নেই বার্তা নেই, শরীফ নামের একজন লোকের সঙ্গে মালয়েশিয়া চলে যায়। একজন চীনা নাগরিককে বিয়ে করেছেন শাবনূর এমন অ’ভিযোগও করেন তিনি। অনিক বলেন, আরো অনেক কা’ণ্ড আছে তার। এসব নিয়ে আমি আর কথা বলতে চাচ্ছি না।

কখনই ​আর দেশে ফিরবেন না শাবনূর >>> চিত্রনায়ক সালমান শাহর আ’ত্মহ’ত্যার সঙ্গে চিত্রনায়িকা শাবনূরের সংশ্লিষ্টতার খবরের রেশ না কাটতেই আবার খবরের শিরোনাম হলেন ঢাকাই ছবির এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী। এবার স্বামী অনিককে তালাক দেওয়ার খবরের শিরোনাম হলেন তিনি। এর আগেও মিডিয়ায় তার সংসার ভা’ঙার খবর প্রচার হয়েছিল, কিন্তু তা অ’স্বীকার করেছিলেন শাবনূর।

এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হ্যাঁ অ’স্বীকার করেছিলাম কারণ আমি কয়েকবার তাকে তালাক দিতে চাইলেও বাচ্চার কথা চিন্তা করে এবং আমার পরিবারের অনুরোধে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছিলাম। কিন্তু পরে সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় এবার তালাকের মতো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম আমি। গত ২৬ জানুয়ারি নিজের সই করা তালাকের একটি নোটিস উকিলের মাধ্যমে স্বামী অনিককে পাঠিয়েছেন শাবনূর।

এদিকে ব্যাথিত মনে সংবাদ মাধ্যমকে দেয়া এক বি’বৃতিতে শাবনূর বলেন, ‘আমি আর কখনই দেশে ফিরব না।’ এর কারণ ব্যখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দেশে ফেরার মতো মান’সিকতা আমার আর নেই। কারণ একদিকে সুখে-শান্তিতে সংসার করতে পারলাম না। অন্যদিকে সম্প্রতি সালমানের অপমৃত্যুর সঙ্গে অ’নাকাক্সিক্ষত ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমাকে জড়ানো হয়েছে। তাই দেশে ফিরে আর কী করব।শাবনূর জানালেন, ছেলে আইজানকে এখানে একটি স্কুলে ভর্তি করিয়েছেন।

তা ছাড়া সেদেশে বেশকিছু ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত আছেন এই নায়িকা। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দেশে আর ফিরব না তিনি। অবশেষে ডি’ভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন শাবনূরের স্বামী >>> ডি’ভোর্সের ব্যাপারে মুখ খুললেন শাবনূরের স্বামী অনিক মাহমুদ হৃদয়। তিনি জানান, তিনি ডি’ভোর্সের বিষয়ে কিছু জানেন না। বুধবার (০৪ মার্চ) সকালে অনিক মাহমুদের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তিনি কোনো ধরনের নোটিশ হাতে পাননি।

উল্টো জানতে চেয়েছেন কে বা কারা এই ধরনের খবর ছড়িয়েছে। অনিক বলেন, ‘আজ সকালেই শাবনূরের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। কিন্তু ডি’ভোর্স নিয়ে তো কোনো কিছু বলেননি।’ এরইমধ্যে শাবনূর আইনজীবীর মাধ্যমে তালক চেয়ে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী স্বামী কাওসার আহমেদ অনিকের কাছে নোটিশও পাঠিয়ে দিয়েছেন। ৪ ফেব্রুয়ারি অ্যাডভোকেট (তালাকের নোটিশ এবং হলফনামা প্রস্তুতকারী) কাওসার আহমেদের মাধ্যমে অনিক মাহমুদকে এই তালাক নোটিশ পাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছেন শাবনূর।

শাবনূরের অ’ভিযোগ, অস্ট্রেলিয়ায় অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে আলাদা বসবাস করছেন অনিক। আর এ কারণে তিনি সন্তান এবং স্ত্রীর কাছ থেকে দূরে থাকেন। নোটিশে শাবনূর আরো জানিয়েছেন, সব সময় ম’দ্যপ থাকার কারণে স্ত্রী-সন্তানের প্রতি দায়িত্ব পালন করেন না অনিক। অস্ট্রেলিয়ায় এমন একাকী জীবনে ঠিকমতো শাবনূরের যথাযথ যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করে না। অনিক মাহমুদ হৃদয়কে বিয়ের পরই অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান শাবনূর। তাদের দু’জনের এক ছেলেও রয়েছে।

তবে গত ২৬ জানুয়ারি নিজের স্বাক্ষরসহ বি’চ্ছেদপত্র অ্যাডভোকেট কাওসার আহমেদের মাধ্যমে স্বামী অনিককে পাঠান তিনি। জানা গেছে, নোটিশের অনুলিপি অনিকের এলাকার আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারম্যান এবং কাজী অফিস বরাবরও পাঠানো হয়েছে। এতে শাবনূর স্বামীর বি’রুদ্ধে অনেক অ’ভিযোগই করেছেন। অভিযোগে বলা হয়, একজন মুসলিম স্ত্রীর সঙ্গে স্বামী যে ব্যবহার করেন অনিক সেটা করছেন না বলে অ’ভিযোগ শাবনূরে। অনিকের বি’রুদ্ধে শাবনূর আরো অ’ভিযোগ এনেছেন, ছেলের জন্মের পর থেকে অনিক দিন দিন আরো দূরে সরে থাকা শুরু করেন।

পরে তিনি জানতে পারেন অস্ট্রেলিয়ায় অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে আলাদা বসবাস করছেন অনিক। এরপরও সব মেনে নিয়ে স্বামীকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলে উল্টো অমা’নসিক নি’র্যাতন সইতে হয়েছে শাবনূরকে। নতিনি বলেছেন, এসব কারণে তার জীবনে অ’শান্তি নেমে এসেছে। এক সময় বি’রক্ত হয়েই তার কাছ থেকে বি’চ্ছেদের সি’দ্ধান্ত নেন। সবশেষে তালাকনামায় শাবনূর লিখেছেন, এসব কারণগুলোর জন্য মনে হয় তার সঙ্গে আমার আর বসবাস করা সম্ভব নয় এবং আমি কখনো সুখী হতে পারব না।

তাই নিজের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং সুন্দর জীবনের জন্য তার সঙ্গে সব সম্পর্ক ছেদ করতে চাই। মুসলিম আইন এবং শরিয়ত মোতাবেক আমি তাকে তালাক দিতে চাই। আজ থেকে সে আমার বৈ’ধ স্বামী নয়, আমিও তার বৈ’ধ স্ত্রী নই। ডি’ভোর্স নোটিশ বিষয়ে শাবনূরের এসব অ’ভিযোগ বিষয়ে অনিক কিংবা দুজনের পরিবারের কোনো সদস্য থেকে বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এরআগে ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর অস্ট্রেলীয় প্রবাসী অনিক মাহমুদ হৃদয়কে বিয়ে করেন শাবনূর। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর এ দম্পতির আইজান নিহান নামে এক ছেলে হয়। ছেলেকে নিয়ে এখন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন শাবনূর।