বিয়ে করে ফেরার পথে পদ্মায় নৌকাডুবে ৩০ বরযাত্রী নিখোঁজ, হারিয়ে গেলেন সেই নববধূ ।

রাজশাহীর শ্রীপুরামপুরের পদ্মা নদীতে বরযাত্রীবাহী ট্রলারডু’বির ঘটনায় ৩০ জন বরযাত্রী নি’খোঁ’জ রয়েছেন। বিয়ে হয়েছে বৃহস্পতিবার। নতুন বর-কনেকে ছেলের বাড়ি থেকে মেয়ের বাড়িতে আনার পথে রাজশাহীর পদ্মা নদীতে দুটি নৌকা ডু;বে যায়। এতে বর জী’বিত উ’দ্ধার হলেও নববধূসহ অন্তত ২০ জন নি’খোঁ’জ রয়েছেন। এদের মধ্যে ৭-৮ জন শি’শুও আছে। নৌকাডুবিতে ম’রিয়ম খাতুন নামে এক শি’শুর লা শ উ’দ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। মৃ তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

শুক্রবার সন্ধ্যার পরে রাজশাহী নগরীর শ্রীরামপুর এলাকার বি’প’রীতে মধ্যপদ্মায় এই নৌকাডু’বির ঘটনা ঘটে। এদিকে নৌকা’ডুবির পর ৭ জন জী’বিত অবস্থায় উ’দ্ধার হয়েছেন। তাদের রাজশাহী মে’ডিকে’ল কলেজ (রামেক) হা’সপা’তালে ভর্তি করা হয়েছে। বিয়ে পরবর্তী অনুষ্ঠান শেষে বরের বাড়ি থেকে ফেরার পথে এ দু’র্ঘ’টনা ঘটে। বরের নাম রুমন আলী (২৬)। তার বাড়ি পদ্মা’র ওপারে পবা উপজে’লার চরখিদিরপুর গ্রামে। বাবার নাম ইনসার আলী। আর কনের নাম সুইটি খাতুন (২০)।

তার বাড়ি রাজশাহী শহর সংলগ্ন পবা উপজে’লার ডাঙেরহাট গ্রামে। বাবার নাম শাহীন আলী। বৃহস্পতিবার রুমন-সুইটির বিয়ে হয়। শুক্রবার দুপুরের দিকে সুইটির আত্মীয়-স্বজনরা বর-কনেকে আনতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে মাঝপদ্মায় নৌকা ডু’বে যায়। ঘটনার পর বর জী’বিত অবস্থায় উ;দ্ধার হয়েছেন। এছাড়া দুই পরিবারের পাঁ;চজনসহ আরও ছয়জন উ;দ্ধার হয়েছেন। তারা হলেন- খাদিমুল ইস’লাম (২৩), রতন আলী (২৮) ও তার স্ত্রী’ বৃষ্টি খাতুন (২২), সুমন আলী (২৮) ও তার স্ত্রী’ নাসরিন বেগম (২২) এবং মেয়ে সুমনা আক্তার (৬)।

রতন ও তার স্ত্রী’ বৃষ্টি খাতুন জী’বিত উ;দ্ধার হলেও তাদের মেয়ে ম’রিয়ম খাতুন (৬) মা;;রা গেছে। হা’সপা’তালে নেয়ার পর চি’কিৎ’সক তাকে মৃ;;ত ঘোষণা করেন। বাবা-মায়ের সঙ্গে তাকে উ;দ্ধার করা হয়। আর মেয়েকে নিয়ে সাঁতরে উঠেছিলেন সুমন-নাসরিন দম্পতি। নৌকাডুবির পর আশপাশের অসংখ্য মানুষ এবং স্বজনরা শ্রীরামপুর এলাকায় নদীপাড়ে ভিড় করেছেন। রয়েছেন প্রশা*সনের কর্মক’র্তারাও। ফায়ার সার্ভিসের ডু’বুরি দল নদীতে ত’ল্লা’শি শুরু করেছে।

বিজিবি সদস্যরাও স্পিডবোট নিয়ে নদীতে ভাসমান মানুষ খুঁজছে। নদীপাড়ে প্রস্তুত রয়েছে অ্যাম্বু’লেন্স।শ্রীরামপুর এলাকার এক নারী জানান, দুপুরে তিনি অন্তত ৩৫ জনকে চরে যাওয়ার জন্য নদীর দিকে যেতে দেখেছেন। তাদের সঙ্গে ৭-৮ জন শি’শুও ছিল। তারা দুটি নৌকায় চড়ে চরে গিয়েছিলেন। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী সদর স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আব্দুর রউফ জানিয়েছেন, দুটি নৌকায় ৩৫ জনেরমতো যাত্রী ছিল। এর মধ্যে ১৭ জন নারী ও ৬ জন শি’শু। সন্ধ্যায় দুই নৌকা ধাক্কা খেয়ে ডু’বে যায়। কতজন নি;খোঁজ রয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।