না’রীদের এমন কিছু জিনিস যা পুরুষকে একদম পা’গল করে দেয় ।

না’রীর রূপের পূজারি পু’রুষ। প্রতিটি পুরুষই চায় তার স’ঙ্গী অবশ্যই স্মার্ট এবং আ’কর্ষণী হতে হবে এবং তাকে আ’কৃষ্ট করতে হবে। আর না’রীর কিছু আলাদা গুন আছে যা একজন পুরুষকে তার দিকে আ’কৃষ্ট করার জন্য যথেষ্ট। চলুন জানা যাক কি সেই সব গুন। ১. লম্বা পাঃ বেশিরভাগ পু’রুষ সুঠাম লম্বা পা এর না’রীকে সুন্দরী না’রী মনে করে। স’ম্প্রতি টুইটারে চালানো জরিপে এই ফলাফল পাওয়া গেছে। ২. হাই হিলঃ না’রীর হাই-হিল পুরুষের জন্য আরো একটি অবসেশ্যান।

পু’রুষ-না’রীর সুন্দর পা তথা সুন্দর জুতা যু’ক্ত পা পছন্দ করে। ৩. শ’ক্তিশালী ধর্মীয় বিশ্বাসঃ না’রী কতটা ধার্মিক তার চেয়ে সে ধর্মিয় অনুভুতি সম্পর্কে কতটা আ’স্থাশীল তার উপর একজন পু’রুষের ওই না’রীর প্রতি ভালোগার মাত্রা নির্ভর করে। ৪. সুগন্ধীঃ না’রীর শ’রীরের মিষ্টি সু’গন্ধ পু’রুষের আ’কৃষ্টতা’য় নে’শা ধ’রায়। এটি বা’ধ্যতামুলন নয় যে না’রীকে কোন একটি পারফিউম ব্য’বহার করতে হবে; না’রীর শ’রীরে প্রাকৃতিক ভাবে যে গ’ন্ধ থাকে তা পু’রুষ বধে একধরনের প্রাকৃতিক অ’স্ত্র।

৫. আত্মবিশ্বাসঃ পু’রুষকে আ’কৃষ্ট করতে না’রীর আত্মবিশ্বাসের বিকল্প নেই। যে না’রী তার সৌন্দর্য্য এবং ব্যা’ক্তি’ত্ব নিয়ে আত্মবিশ্বাসী পু’রুষ তাকে ততটা বেশি পছন্দ করে। ৬.হাস্যজ্জলতাঃ সদা হাস্যজ্জল না’রীকে পু’রুষের পছন্দের শী’র্ষে রাখে। গোমরামুখো না’রী পু’রুষের প্রধান অপছন্দ। ৭. সামান্য পিঠ উ’লঙ্গঃ শুনতে বিশ্রী শুনাচ্ছে? আসলে পুরুষ না’রীর পিঠ সামান্য খোলা অ’বস্থায় দেখতে পছন্দ করে। তবে অবশ্যই কাপড় থাকতে হবে পিঠের কটি হাড্ডির উপর পর্যন্ত।

(উল্লেখ্য – বাংলাদেশের সংস্কৃতি এবং ধর্মীয় বিশ্বাসে এটি অবশ্যই অমার্জনীয় অপরাধ) ৮. স্বামীর নাম ধরে ডাকাঃ অনেক পু’রুষ তাদের স্ত্রীর মুখে তাদের নাম শুনতে চান। বিশেষ করে স্বামী-স্ত্রী একা থাকলে স্বামীর কানে ফিসফিস করে তার নাম উচ্চারন করে কথা বলা অনেক পুরুষের জন্য আনন্দদায়ক বিষয় ৯. বক্রাকার কোমরঃ পু’রুষ না’রীর কোমরের খাঁ’জ ত’থা কা’র্ভ দেখতে পছন্দ করে। নিতম্ব শ’রীরের সাথে মানানসই হওয়া সৌ’ন্দর্য্যের অ’ন্যতম একটি আ’নুষা’ঙ্গি’ক’তা।

১০. পরিপাটি জামা-কাপড়ঃ পু’রুষ না’রীর পরিপাটি সাজের আশিক। তবে তা অ’বশ্যই প্রাকৃতিক সৌ’ন্দর্য্য মনে হতে হবে। হেলথ টিপস সম্পর্কে কিছু জানা থাকলে আপনি অনেক ছোটখাট অ’সুখ থেকে মু’ক্তি পাবেন। হেলথ টিপস আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। আমাদের ম’ধ্যে কেউই অ’সুস্থ হতে চায় না। কারণ অ’সুস্থতা মানেই ঝামেলা এবং খরচের ব্যাপার। অসুস্থ হলে যে শুধু খারাপ লাগে তাই নয়, এর ফলে একজন ব্য’ক্তি কাজে বা স্কুলে যেতে পারেন না, অর্থ উ’পার্জন করতে পারেন না।

উপরন্তু সেই ব্যক্তির দেখাশোনা করার জন্য আরেকজন লোকের প্রয়োজন হয় এবং তাকে হয়তো দা’মি দা’মি ওষুধ কে’নার অথবা চিকিৎসা ক’রানোর জন্য প্র’চুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। একটা সুপরিচিত প্রবাদ বলে, “বিপদ আসার আগেই সাবধান হওয়া ভালো।” এটা ঠিক যে, কিছু কিছু রো’গ এড়ানো যায় না। তবে, সহজেই অসুস্থ না হওয়ার অথবা অ’সুস্থতা রো’ধ করার জন্য আপনি অনেক কিছু করতে পারেন। উত্তম স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে বিভিন্ন মা’রা’ত্ম’ক রো’গের সংক্র’ম’ণও এড়ানো যায় যেমন,

নিউমোনিয়া এবং ডায়েরিয়া। এই ধ’রনের রো’গের কা’রণে প্রতি বছর কুড়ি লক্ষেরও বেশি শিশু মা’রা যায়, যাদের বয়স পাঁচ বছরের নীচে। হাত ধো’য়ার মতো সাধারণ অভ্যাস গড়ে তোলার মা’ধ্যমে এমনকী মা’রা’ত্ম’ক ইবোলা ভাইরাস সংক্র’ম’ণের হার ক’মানো যেতে পারে। শ’রীরের জন্য গু’র’ত্বপূ’র্ণ হেলথ টিপস বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দূষিত জল ও খাবার খাওয়ার কারণে নানানরকম স’মস্যা হয়ে থাকে। এই ধরনের এবং অন্যান্য জল দূষণ থেকে নিজেকে র’ক্ষা করার জন্য অবশ্যই আপনাকে স’চেতন থাকতে হবে।

লক্ষ রাখুন যাতে পানীয় জল ও সেইস’ঙ্গে দাঁত ব্রাশ করার, খাবার ও বাসনপত্র ধো’য়ার অথবা রান্না করার জল নিরাপদ উৎস থেকে আসে। সেই উৎস হতে পারে জনসাধারণের ব্য’বহারের জন্য সরবরাহকৃত ভালোভাবে পরিশোধিত জল অথবা নি’র্ভরযোগ্য কোম্পানির দ্বারা সরবরাহকৃত সিল করা বোতল। কোনোভাবে যদি পাইপের জল দূ’ষিত হয়ে যাওয়ার স’ম্ভাবনা থাকে, তা হলে সেই জল ব্যবহার করার আগে ফু’টিয়ে নিন

অথবা উ’পযু’ক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার করে জল পরিশোধন করে নিন। বিভিন্ন কে’মিক্যাল যেমন, ক্লো’রিন অথবা জল পরিশোধক ট্যা’বলেট ব্য’বহার করার সময় প্র’স্তুতকা’রী সংস্থা’র নি’র্দে’শ’না ভালোভাবে পড়ে তা অনুসরণ করুন। ১. গুণগত মানসম্পন্ন জলের ফিলটার ব্যবহার করুন, যদি তা সহজেই পাওয়া যায় এবং কেনার সামর্থ্য থাকে। এমনকী জল প’রিশো’ধন করার কে’মিক্যালও যদি পাওয়া না যায়,

তা হলে ঘরে ব্য’বহারযো’গ্য ব্লিচ ব্যবহার করুন, ১ লিটার জলে দু-ফোঁটা (১ গ্যালন জলে আট ফোঁটা) ব্লিচ ভালোভাবে মিশিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন এবং এরপর ব্য’বহার করুন। ২. পরিশোধিত জল সবসময় প’রিষ্কার পাত্রে ঢেকে রাখুন, যাতে তা আবারও দূষিত হয়ে না যায়। লক্ষ রাখুন যাতে জল তোলার পাত্র প’রিষ্কার থাকে। প’রিষ্কার হাতে জলের পাত্র ব্য’বহার করুন এবং জল তোলার সময় হাত ও আঙুল জলের মধ্যে ডোবাবেন না।