কক্সবাজারে যে কারণে মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে ভাং’চুর চালাল পুলিশ…

কক্সবাজারের চকরিয়ায় মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন বাঙ্গালীর বাড়িতে পুলিশি হা’মলার ঘটনা ঘটেছে।এ সময় পুলিশের সদস্যরা মুক্তিযো’দ্ধা মরহুম আনোয়ার হোসেন বাঙ্গালীর স্ত্রী ও ছোট এক ছেলেসহ কয়েকজনকে পি’টিয়ে আ’হত করে। ব্যাপকভাবে ভাং’চুর ও লু’টপা’টের অভি’যোগ উঠেছে। একজন নারী ও এক যুবককে থানায় ধরে নিয়ে পরে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে চকরিয়া উপজেলার উত্তর লক্ষ্যারচরে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জানিয়েছে ভুল তথ্যের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে।মুক্তিযো’দ্ধা আনোয়ার হোসেন বাঙ্গালীর ছেলে আনোয়ারা উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক জিয়াউল করিম মো. তারেক জানান,

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে চকরিয়া থানার একদল পুলিশ তাদের উত্তর লক্ষ্যারচরস্থ বাসভবনে হা’না দেয়। পুলিশের সদস্যরা বাড়ির আসবাবপত্র ভাংচুর ও জিনিসপত্র ত’ছনছ করে দেয়। এ সময় বঙ্গবন্ধুর একটি ছবিও ভাং’চুর হয়। তাদের বাড়ির আলমিরা ভে’ঙ্গে পুলিশ সদস্যরা ২০ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৪ লাখ টাকা ও ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের ১টি মোটরসাইকেল নিয়ে যায়।পুলিশ সদস্যের মা’রধরে মুক্তিযো’দ্ধা মরহুম আনোয়ার হোসেন বাঙ্গালীর স্ত্রী লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান নেছারা বেগম (৬৫),

ছেলে মুরাদুল করিম সিফাত (২৮), ছেলের স্ত্রী শাহেদা বেগম (৩২) ও তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসা মেহমান মো. হাসান (২৫) আহত হন।
মরহুম আনোয়ার হোসেন বাঙ্গালীর ছেলে, লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল করিম সেলিমের স্ত্রী শাহেদা বেগম ও বেড়াতে আসা মেহমান মো. হাসানকে পুলিশ আ’টক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে তাদের থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হয়। পুলিশ ভাং’চুর ও লু’টপাটের কথা সত্য নয় বলে জানান।

এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান জানান, একই দিন ওই একই এলাকায় সাগর নামের এক স’ন্ত্রা’সীকে ধরতে যায় পুলিশ। এ সময় স’ন্ত্রা’সীরা পুলিশের ওপর হা’মলা করে। পুলিশের ওপর হাম’লাকারীদের ধরার জন্য পুলিশি অভি’যানকালে ভুল তথ্যের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। তিনি তাৎক্ষণিক মুক্তিযো’দ্ধা আনোয়ার হোসেন বাঙ্গালীর বাসভবনে গিয়ে এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান।আনোয়ার হোসেন বাঙ্গালীর ছেলে এমকে মোহাম্মদ মিরাজ জানান, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা গোলাম মোস্তফা কাইছারের ইন্ধনে পুলিশ এ ঘটনা ঘটিয়েছে।