চবিতে ছা’ত্র’লী’গের দু’পক্ষের সং’ঘর্ষে আ’হত ৩০

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সং’ঘর্ষের ঘটনায় প্রায় ৩০ নে’তা’ক’র্মী আ’হত হয়েছেন। এ ঘটনায় এফ রহমান হলে অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগের অ’র্ধশতাধিক নে’তা’ক’র্মী’কে আ’টক করেছে পুলিশ। বুধবার রাত ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে ছা’ত্রলীগ নে’তা ক’র্মীদের আ’টক করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পূর্ব শ’ত্রুতার জের ধরে বুধবার রাত দেড়টার দিকে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের মধ্যে সং’ঘর্ষের সূত্রপাত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের উপগ্রুপ বিজয় ও কর্নকডের মধ্যে এ সং’ঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় এফ রহমান ও আলাওল হলে ব্যাপক ভা’ঙচুর চালানো চালায় নে’তাকর্মী।

এ ছাড়া দুই হলের লাইট নিভিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর হা’মলা চালালে দু’পক্ষের প্রায় ৩০ জন ছা’ত্রলীগের নে’তা’কর্মী আ’হত হয়। পরে হলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের উপগ্রুপ কনকর্ড ও বিজয়ের কর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনার মী’মাংসা করতে গেলে ২০১৭-১৮ হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও বিজয় গ্রুপের সদস্য আবীর হাসান চড়-থাপ্পড় দেন কনকর্ডের বোরহানকে। এ পূর্ব শত্রুতার জেরে গতকাল আবীরকে মা’রধর করেন বিজয়ের নেতাকর্মীরা।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে বিজয় গ্রুপ ও শাহজালাল হলের সামনে কনকর্ড গ্রুপের সদস্যরা অবস্থান নেন। এ নিয়ে দিনভর বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এ সময় দ’ফায় দ’ফায় ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে রাত দেড়টার দিকে সং’ঘর্ষে লি’প্ত হয় দু’পক্ষই। এ সময় কনকর্ডের সাথে তাদের বিভিন্ন উপগ্রুপ ও যুক্ত হয়ে বিজয় গ্রুপের নে’তা ক’র্মী’দের উপর হামলা করে। আ’হতদের মধ্যে ১০ জনকে রাতেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মনিরুল হাসান বলেন, দুটি গ্রুপকে বারবার শান্ত থাকতে বলা হলেও তারা সং’ঘর্ষে জড়িয়েছে। এ ঘটনায় অনেকে আ’হত হয়েছে। পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।