অবশেষে জানা গেলো যে কারণে, স্ত্রীর সাথে কথা বলতে বলতেই মা’রা গেলেন মালয়েশিয়া প্রবাসী সোহেল

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে হূ’দরোগে আক্রান্ত হয়ে মোঃ সোহেল (৪২) নামে এক মালয়েশিয়া প্রবাসী কর্মীর মৃ’ত্যু হয়েছে। গতকাল পহেলা মার্চ রাত ১২ টায় বুকিতবিন্টাং একটি জেনারেল হাসপাতালে তার এ মৃ’ত্যু হয়। নি’হত মোহাম্মদ সোহেল আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের ধাতুর পহেলা গ্রামের ম’র’হু’ম ইয়াসিন মাস্টারের বড় ছেলে। সোহেল বেশ কয়েক বছর ধরেই মালয়েশিয়ায় কর্মরত ছিলো। মালয়েশিয়ার একটি থ্রী স্টার রেস্টুরেন্টে কাজ করতেন। তার কোন বৈ’ধ ভি’সা ছিল না। গ্রামের বাড়িতে তার স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে।

নি’হত সোহেলের রুমমেট ও তার সঙ্গে থাকা এলাকার লোকজন এর লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে জানায়, ঘটনার দিন তার কর্ম ক্ষেত্রে অ’সুস্থ হয়ে পড়ে তখন কোম্পানির গাড়ি দিয়ে তার রুমে পৌছে দেওয়া হয়। তারপর মোবাইলে স্ত্রীর সাথে দীর্ঘক্ষণ রাত১১ টা ৪৫ মিনিট এ কথা বলতে বলতে হঠাৎ ঢলে পড়ে তখন সহকর্মী রুমমেটরা অচেতন অবস্থায় তাকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃ’ত ঘোষণা করেন।তার ম’র্মা’ন্তি’ক মৃ’ত্যুর সংবাদ প্রবাসী মহল ও তার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছার পর শো’কের ছায়া নেমে আসে।

অনেকেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না সোহেল মা’রা গেছে। তার সহকর্মীরা আরও জানান, সোহেল ভিসার জন্য দালালের কাছে প্রচুর টাকা দিয়েও ভিসা করতে পারেননি প্র’তা’রি’ত হয়েছিলো। সোহেলের পিতা ম’র’হু’ম ইয়াসিন মাস্টার অ’সুস্থ হওয়ার পর তার বি’রু’দ্ধে অ’ভি’যো’গ তিনি আ’র্থিক সহযোগিতা দিচ্ছেন না বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। এরপর থেকে সোহেল চিন্তায় পড়ে যায়। এদিকে মালয়েশিয়ায় অ’বৈ’ধ কর্মী হিসাবে পা’লিয়ে পা’লিয়ে থাকা ঐ দিকে পারিবারিক চাপে

সোহেলের শা’রী’রি’ক মানসিক স্বাস্থ্য দিন দিন অবনতি হতে থাকে ঠিকমতো নাওয়া খাওয়া করতে পারতেন না নিঃ’সঙ্গ জীবন কাটাতে শুরু করেন। তার পিতাকে ভরণপোষণ না দেওয়ার অ’ভি’যো’গে তার বি’রু’দ্ধে মা’মলাও হয়েছে। সকলেই ধারণা করছে পারিবারিক মানসিক চাপের কারণেই সোহেল অকালে হৃ’দ’রো’গের আ’ক্রান্ত হয়ে মা’রা গেছেন। সোহেলের লা’শ দ্রুত দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা এসোসিয়েশন ও মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশন যৌথভাবে কাজ করছে।