তুমি আ’ও’য়া’মী লী’গ করো, লাগে তো খা’লেদা জি’য়ার মতো: যাকে বললেন মতিয়া চৌধুরী

আওয়ামী যু’ব মহিলা লী’গের স’দ্য বহি’ষ্কৃ’ত শামীমা নূর পাপিয়াকে নিয়ে আওয়ামী লীগের মধ্যে এখন নানা রকম আলাপ আলোচনা চলছে। আওয়ামী লীগের নে’তাদের প্রধান প্রশ্ন হলো, পাপিয়াকে এতদিন কেউ চিহ্নিত করতে পারলো না কেন? পাপিয়া কীভাবে এই পদ-পদবী হাতিয়ে নিল? আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ঘটনায় অত্যন্ত ক্ষু’ব্ধ। দু’দিন আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার এবং সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল।

কিন্তু শেখ হাসিনা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তাদেরকে অত্য’ন্ত রূ’ঢ় ভা’ষায় তির’ষ্কা’র করেন এবং যুব মহিলা লীগের অন্য যারা অ’বৈ’ধ ক’র্ম’কা’ণ্ড করছেন তাদেরকে চিহ্নিত করার জন্য নির্দেশ দেন। যুব মহিলা লীগের বর্তমান কমিটি যেকোনো সময় বি’লোপ ঘো’ষণা করা হতে পারে বলে জানা গেছে। আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র বলছে যে, ২০১৭ সালে তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী পাপিয়ার ব্যাপারে সংগঠনের সভাপতি নাজমা আক্তার এবং সাধারণ সম্পাদক অপু উকিলকে স’ত’র্ক করেছিলেন।

জানা গেছে যে, সে সময় নরসিংদীতে পরবর্তী নির্বাচনে মনোনয়ন চেয়ে পাপিয়া তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। মতিয়া চৌধুরী তার বে;শ’ভূ’ষা এবং সা’জশ’য্যা দেখে অত্যন্ত বি’রক্ত হয়েছিলেন। পাপিয়াকে তিনি বলেছিলেন যে, ‘তুমি করো শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ। আর তোমার বে’শভূষা, আচার-আচরণ তো খালেদা জিয়ার মতো।’ অবশ্য এরপরেও পাপিয়া পাল্টাননি। তিনি মহিলা আসনের জন্য পরবর্তী নির্বাচনে বেগম মতিয়া চৌধুরীর কাছ থেকে দোয়া চেয়েছিলেন। কিন্তু মতিয়া চৌধুরী তাকে তি’র’ষ্কা’র করে বের করে দিয়েছিলেন।জানা গেছে যে, পরবর্তীতে বেগম মতিয়া চৌধুরী যুব মহিলা লীগের দুই নেত্রীকে ডেকে পাপিয়া সম্পর্কে স’ত’র্ক করেছিলেন। কিন্তু নাজমা বা অপু উকিল সেই স’ত’র্ক বার্তা কানে নেননি।