যুক্তরাষ্ট্রে কোরআন ছুঁয়ে শপথ নিলেন পুলিশ কর্মকর্তা

ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন ছুঁয়ে শপথ নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক পুলিশ কর্মকর্তা। দেশটির নিউজার্সি প্রদেশের পিটারসন শহরের পুলিশ প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তিনি। এর আগে শপথবাক্য পাঠ করেছেন কোরআন ছুঁয়ে। ওই কর্মকর্তার নাম ইব্রাহিম বেকুরা। তিনি তুর্কি বংশোদ্ভূত মুসলিম। সাধারণত বাইবেল ছুঁয়ে শপথ নেয়ার প্রচলন রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে।

বিষয়টি ইতিমধ্যে সেখানে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। এ নিয়ে শহরের মেয়র জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এই প্রথম তুর্কি বংশোদ্ভূত কোনো ব্যক্তি এই পদে আসীন হলেন। ৬০ বছর বয়সী এই পুলিশ কর্মকর্তা প্রায় ৩০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ বিভাগে চাকরি করছেন।পিটারসন শহরের মসজিদের ইমাম কোরআন ছুঁয়ে শপথের বিষয়টির প্রশংসা করেন। গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়,

ছোটবেলা থেকেই পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে বড় হয়েছেন ইব্রাহিম। পিটারসন শহরে বাস করে তার পরিবার। তবে যুক্তরাষ্ট্রে কোরআন ছুঁয়ে শপথের ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগেও বিভিন্ন পদে আসীন হওয়ার সময় অনেক মুসলমান কুরআন ছুঁয়ে শপথ নিয়েছেন। গত বছর কোরআনে হাত রেখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১১৬তম কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদে সদস্য হিসেবে শপথ নেন রাশিদা তালিব ও ইলহান ওমর। ইতিহাসে তারাই প্রতিনিধি পরিষদের প্রথম মুসলিম নারী।

আজকের আলোচিত খবর… সেই জাহাজে শুরু হল মৃ’ত্যু, হুহু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এতদিন ছিল সংক্রমণের আতঙ্ক। এবার যোগ হল মৃ;;ত্যুভয়ও। করোনাভাইরাস ‘কোভিড-১৯’-এ আক্রান্ত হয়ে ডায়মন্ড প্রিন্সেস জাহাজে প্রাণ গেল দুই জাপানি যাত্রীর। একজন পুরুষ ও অন্যজন নারী, দু’জনেরই বয়স আশির কোঠায়। জাহাজের আইসোলেশন কেবিনে এতদিন পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল তাদের। কেবিনের বাকি রোগীদের মধ্যেও আ;তঙ্ক ছড়িয়েছে।

জাপানের ইয়োকোহোমা বন্দরের কাছে এখনও কোয়ারেন্টাইন করে রাখা প্রমোদতরী ডায়মন্ড প্রিন্সেস। দু’সপ্তাহের সময়সীমা পেরিয়েছে। ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে হুহু করে। রিপোর্ট বলছে, জাহাজের ৩,৭০০ যাত্রীর মধ্যে ৬৫০ জনই ভাইরাস আক্রান্ত। সংক্রমণ সন্দেহে আইসোলেশন কেবিনে রাখা হয়েছে আরও শতাধিক যাত্রীকে। জাহাজের ১৬০ জন ভারতীয়

ক্রু মেম্বারদের মধ্যে তিনজনের সংক্রমণের কথা জানা গেছে। বাকিরাও সংক্রমণের ভয়ে বারে বারেই বাড়ি ফেরানোর অনুরোধ জানাচ্ছে মোদি সরকারকে। জাহাজে এই দুই জাপানি যাত্রীর মৃ;;ত্যুর পরে, সেই আশঙ্কা আরও তীব্র হয়েছে। মৃ;;ত্যুভয় ক্রমশ গ্রাস করছে সবাইকে।থামছেই না প্রা;;ণঘাতী করোনাভাইরাস। এই ভাইরাসে মৃ;;তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বুধবার কেন্দ্রস্থল হুবেই প্রদেশে আরও ১০৮ জন মা;;রা গেছেন।

এ নিয়ে চীনে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ১১২ জনে। বিশ্বব্যাপী এ সংখ্যা অন্তত ২ হাজার ১২০ জন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক আসতে দেড় বছর লাগার কথা জানালেও যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী সারাহ গিলবার্ট দাবি করেছেন, আগামী এক মাসের মধ্যেই প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের প্রতিষেধক পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।