নরসিংদীতে বিয়ের ফাঁ’দে ফেলে ১০ লাখ টাকা দাবি, পু’ড়িয়ে দেয়া হল যুবকের যৌ’নাঙ্গ

এক যুবককে প্রেম-বিয়ের ফাঁ’দে ফেলে অ’পহ’রণ ও মু’ক্তিপণ দা’বি এবং তা দিতে অ’স্বীকার করায় তাকে ভ’য়াবহ নি’পীড়’ণের ঘটনা ঘটেছে। নরসিংদীতে এই ঘটনা ঘটে।সূত্র জানায়, রাসেল নামের এক যুবককে প্রেমের ফাঁ’দে ফেলে বিয়ে করে অপহ’রণ’কারী চ’ক্রের সাথে জ’ড়িত এক তরুণী। বিয়ের পরই অপহ’রণ করা হয় রাসেলকে। পরে ১০ লাখ টাকা মু’ক্তিপ’ণ দাবি করা হয়।

স্বজনরা টাকা দিতে অ’স্বীকৃতি জানালে প্রচ’ণ্ড মা’রধর করা হয় তাকে। এক পর্যায়ে অপ’হৃত যুবকের যৌ’নাঙ্গ পু’ড়িয়ে দেয় অপহর’ণকারীরা।ওই যুবককের ভ’য়াবহ নি’র্যাত’নের ভিডিও ধারণ করে তা তার মায়ের কাছে পাঠিয়ে ব্ল্যা’কমে’ল করা হয়। এতে তার মা স্ট্রো’ক করেছেন বলে জানা গেছে। পরে, কৌশলে অ’পহ’রণকা’রীদের কাছ থেকে পা’লিয়ে আসেন ওই যুবক। তিনিই সময় সংবাদকে এ তথ্য ও ভিডিও দিয়েছেন।তিনি অভি’যোগ করেন, চক্রের মূ’ল হো’তা তার কথিত স্ত্রী মন্টি। প্র’তার’ণার জন্য তিনি এর আগে অ’ন্তত ৮/১০টি বিয়ে করেছেন।

আরো পড়ুন… একসঙ্গে ১১ জনকে বিয়ে করলেন এই সুন্দরী।বিয়ে একটি সামাজিক বন্ধন। যেখানে মনেরও মিল থাকা জরুরি। তবে একজনকেই জীবন সঙ্গী হিসেবে বেছে নেন নারী কিংবা পুরুষ। যদিও অনেক পুরুষদেরই একাধিক বিয়ে করতে দেখা যায়। তবে নারীদের নয়। গল্পে কিংবা সিনেমায়ও কখনো একসঙ্গে বহুবিবাহ করতে দেখা যায় না। আগের দিনে রাজাদের অনেক রানি ছিল তা ঠিক।

তবে এখন এমন একজনের গল্প বলবো, যার বাস্তব জীবন হার মানায় বলিউড সিনেমাকেও। ভারতের নয়ডা’য় বসবাসরত ২৮ বছরের মেঘা ভার্গব। সোনম কাপুর অভিনীত হিন্দি ছবি ‘ডলি কে ডোলি’র গল্পই যেন উঠে এসেছে মেঘা ভার্গবের জীবনে। একের পর এক ১১ জনকে বিয়ে করে মেঘা। আর প্রতি ক্ষেত্রেই বিয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই স্বামীর সোনা-দানা, টাকা-পয়সা নিয়ে চম্পট দেয় সে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি।

অবশেষে ভারতে নয়ডা পুলিশের জালে ধরা পড়েছে মেঘা। পুরনো দিনের বাংলা সিনেমায় সন্ধ্যা রায় অভিনীত ‘ঠগীনি’ ছবির গল্পও মনে করাবে মেঘা ভার্গবের কীর্তি। লোরেন জাস্টিন নামে ভারতের কোচির এক ব্যক্তি পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান যে, তার নববিবাহিত স্ত্রী ১৫ লাখ টাকার গয়না নিয়ে পালিয়েছে। এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে যে একা লোরেন নয়,

এরকমই কোনো এক রহস্যময়ীর ফাঁদে পা দিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে ১১ জন ব্যক্তি। মাস দুয়েক ধরে তদন্ত চালিয়ে শেষ পর্যন্ত নয়ডার ১২০ নম্বর সেক্টরের আম্রপালি জোডিয়াক সোসাইটি থেকে কোচি ও নয়ডা পুলিশের মিলিত অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় মেঘা ভার্গবকে। মেঘার সঙ্গে এই জালিয়াতির খেলায় যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার বোন প্রাচী এবং বোনজামাই দেবেন্দ্র শর্মাকেও। খবরের কাগজ ও মেট্রিমোনিয়াল ওয়েবসাইট থেকে খুঁজে খুঁজে এমন পাত্র পছন্দ করত মেঘা,

যারা ধনী অথচ বিয়ের বাজারে খুব একটা কদর নেই। যেমন ডিভোর্সি বা শারীরিক ত্রুটিসম্পন্ন বা চেহারা সুন্দর নয়। মেঘা নিজে যথেষ্ট সুন্দরী হওয়ায় এসব পাত্রদের নিজের প্রেমে ফেলতে তার মোটেও সময় লাগত না। এরপর বিয়ে। বিয়ের পর সুযোগ বুঝে স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে টাকা-পয়সা, গয়নাগাটি নিয়ে চম্পট দিত সে। এরপর নতুন শিকারের সন্ধান শুরু হত। পুলিশ গ্রেপ্তার করার পর মেঘার অবশ্য দাবি, যে সে স্বামীদের ছেড়ে পালাতো না। বরং সম্পর্ক খারাপ হয়ে গেলে দু-পক্ষের বোঝাপড়ার মধ্যে দিয়েই সে বেরিয়ে আসত।