কিস্তি আনতে গিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে এনজিও কর্মীর ধ’র্ষণ চেষ্টা, খেলেন গণধো’লাই

রাজশাহীর বাগমা’রায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে (৩৮) ধ’র্ষণের চেষ্টা করায় রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশন (আরআরএফ) এনজিও কর্মীকে আটক করে গণধো’লাই দিয়ে পুলিশে দিয়েছে এলাকার লোকজন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বড়বিহানালী ইউনিয়নের বেড়াবাড়ি গ্রামে। এ ঘটনায় থানায় মাম’লার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আরআএফ এনজিও’র মাঠ কর্মী পারভেজ আহম্মেদ (৪৫)

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে বারোটার দিকে উপজেলার বড়বিহানালী ইউনিয়নের বেড়াবাড়ি গ্রামে কিস্তির টাকা আদায় করতে যায়। সবাই কিস্তি টাকার দিয়ে গেলেও প্রবাসীর স্ত্রী টাকা দিতে কেন্দ্রে আসে নাই। সময় শেষ হওয়ায় মাঠ কর্মী পারভেজ আহম্মেদ কিস্তির টাকা নিতে প্রবাসীর বাড়িতে যায়। প্রবাসীর বাড়িতে তার স্ত্রী দুপুরের রান্নার কাজ করছিল। পারভেজ আহম্মেদ বাড়িতে প্রবেশ করে প্রবাসীর স্ত্রীর কাছে কিস্তির টাকা চায়।

ওই সময় প্রবাসীর স্ত্রী মাঠ কর্মী পারভেজ আহম্মেদকে বসার ব্যবস্থার জন্য চেয়ার এগিয়ে দেয়। সুযোগ বুঝে পারভেজ আহম্মেদ প্রবাসীর স্ত্রীকে জ’ড়িয়ে ধরে ধ’র্ষণের চেষ্টা করে। প্রবাসীর স্ত্রী সুকৌশলে তার কাছ থেকে বাড়ির বাহিরে আসে এবং লোকজনকে বিষয়টি জানায়। স্থানীয় লোকজন প্রবাসীর বাড়িতে প্রবেশ করে মাঠ কর্মী পারভেজ আহম্মেদকে ধরে গণধো’লাই দিয়ে আটকে রাখে।

খবর পেয়ে বাগমারা থানার পুলিশ দ্রু’ত ঘটনাস্থলে গিয়ে আ’টক এনজিও কর্মী পারভেজ আহম্মেদকে উ’দ্ধার করে বাগমারা থানায় নিয়ে যায়।
এমন কর্মকান্ডের বিষয়ে জানতে উপজেলার আরআএফ অফিসে যোগাযোগ করা হলে অফিসের কেউ বিষয়টি জানাতে পারেন নি। বিষয়টি জানার জন্য আরআএফ অফিসের শাখা ব্যবস্থাপক রাজিব হাসানের সাথে একাধিকার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেন নি।বাগমারা থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, এনজিও কর্মীকে আ’টক রাখার খবর পেয়ে পুলিশের একটি দলকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছিলাম। তারা এনজিও কর্মীকে উ’দ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ব্যাপারে আই’নগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান ওসি।

আজকের আলোচিত খবর… এএসপি পরিচয়ে প্রেম, ছাত্রীকে হোটেলে নিয়ে ধ’র্ষণ। পুলিশের এএসপি পরিচয়ে ফেসবুকে দশম শ্রেণির ছাত্রীর সাথে প্রেম। তারপর প্রেমের সূত্র ধরে সিলেট থেকে ওই ছাত্রীকে বরিশালের আবাসিক হোটেলে নিয়ে একাধিকবার ধ’র্ষণের অভি’যোগ পাওয়া গেছে।এ ঘটনায় বরিশালের এয়ারপোর্ট থানায় এএসপি পরিচয় দেয়া শামসুল হক রাসেলের নামে মাম’লা করেছে নি’র্যাতি’তা ওই তরুণী। ওই তরুণী সিলেটের একটি স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বরিশালের পুলিশ কমিশনার বলছেন,

অভিযো’গের তদ’ন্ত চলছে। এ ব্যাপারে নেয়া হচ্ছে যথাযথ আইন’গত ব্যবস্থা। তবে ফেসবুকে পরিচয় কিংবা সম্পর্কের ক্ষেত্রে তরুণ-তরুণীদের সাব’ধানতা অ’বলম্বন করার দরকার বলে মনে করেন তিনি।ওই তরুণী জানান, ২০১৮ সালের শুরুর দিকে ফেসবুকের মাধ্যমে শামসুল হক রাসেল পুলিশের এএসপি পরিচয় দিয়ে তার সাথে যোগাযোগ করে। এর সূত্র ধরে প্রায়ই ফেসবুকে এবং মোবাইলে কথাবার্তা চলে তাদের।

এর এক পর্যায়ে ৮ মাসের ব্যবধানে ২০১৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর মাসে ওই তরুণীকে সিলেট থেকে বিয়ের কথা বলে বরিশালে নিয়ে আসে রাসেল। এরপর বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকার আবাসিক ‘হোটেল শরীফে’ রেখে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করার অভি’যোগ করা হয়। এভাবে একাধিকবার বরিশালে যাতায়াতের পর ওই তরুণী অন্তঃ’সত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি রাসেলকে জানালে সে তাকে বিয়ে করতে অ’স্বীকৃতি জানায়।

এ অবস্থায় ওই তরুণী রাসেলকে খুঁজে বের করতে গত ২৭ জানুয়ারি বরিশালের পুলিশ কমিশনারের কাছে যায় এবং রাসেলের বিরু’দ্ধে অভিযো’গ করেন। পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে এ ঘটনায় গত ২৮ জানুয়ারি নগরীর এয়ারপোর্ট বন্দর থানায় মাম’লা রুজু হয়। পুলিশ তরুণীকে আদালতে সো’পর্দ করলে আদালত তাকে সেভ হোমে প্রে’রণের নির্দেশ দেন।পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান বলেছেন, অভি’যোগের তদ’ন্ত চলছে। অভিযু’ক্তকে শ’নাক্ত করা হয়েছে। তাকে গ্রে’প্তারের চেষ্টা চলছে। নিজের ভুল বুঝতে পেরে পরিবারের কাছে ফিরতে চায় তরুণী।