কাবার ইতিহাসে এই প্রথম এক ওয়াক্ত নামাজের আজান দিলেন দুই মুয়াজ্জিন

কাবা শরিফের ইতিহাসে এবারই প্রথম এক ওয়াক্ত নামাজের আজান দুই জন মুয়াজ্জিন মিলে সম্পন্ন করলেন। তবে তা স্বাভাবিক কোনো কারণে নয়, বরং মসজিদ আল-হারামের প্রবীন ও প্রধান মুয়াজ্জিন শায়খ আলী আহমদ মোল্লা আজান শুরু করে অসুস্থ হয়ে যান। পরে সে সময় অপর মুয়াজ্জিন হাশেম শাক্বাফ আজানের বাকি অংশ সম্পন্ন করেন। মসজিদে হারামের মুয়াজ্জিনদের নেতা শায়খ আলী আহমদ

মোল্লা বৃহস্পতিবার ইশার নামাজের আজান দেয়ার সময় ঠাণ্ডাজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে যান। আজান শুরু করতেই ঠাণ্ডায় তার কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসছিল। তিনি আল্লাহ আকবার, আল্লাহু আকবার বলে আজান শুরু করার পর আর সামনে এগুতে পারেননি। পরে মসজিদ আল-হারামের মুয়াজ্জিন হাশেম শাক্বাফ তার পরিবর্তে আজানের বাকি অংশ সম্পন্ন করেন- মসজিদে হারামের এ প্রবীন মুয়াজ্জিন এখন সুস্থ রয়েছেন। তার সুস্থতার ব্যাপারে তিনি তার শুভাকাঙ্খীদের অবগত করার কথাও জানিয়েছেন।

আজকের আলোচিত খবর…যে কারণে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় তৃতীয়স্থান পাওয়া ঢামেকের শিক্ষার্থীর আ’ত্ম’হ’ত্যা’র চেষ্টা। অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলেন ২০১৮ সালের মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় মেধা তালিকায় তৃতীয় স্থান অর্জন করা সজীব চন্দ্র রায় (২১)। ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছেন তিনি। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) গুরুতর অবস্থায় তাকে ঢামেক হাসপাতালে আনা হয়। সর্বশেষ রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে।

বন্ধু ও স্বজনেরা জানান, ‘ঢামেকের ফজলে রাব্বী হলের ৩০৫ নম্বর রুমে থাকত সজীব। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় সে হল থেকে বের হয়। পরে শনিবার সায়দেবাদের ছায়ানিড় হোটেলের তৃতীয় তলার একটি রুম থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। বর্তমানে সে ঢামেকের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের আইসিইউতে ভর্তি।’ সজীবের বন্ধু রিপন বলেন,

‘সে প্রচুর ডিপ্রেশনে (বিষণ্ণতায়) ভুগছিল। তবে এ কারণে সে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে কি না আমি তা নিশ্চিত নই।’ ২০১৮ সালে সমন্বিত মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় তৃতীয় হয়ে সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেন কাঠুরের ছেলে সজীব। তার বাড়ি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায়। তার বাবা মনোধর চন্দ্র রায় সংসারের ভরণ-পোষণ নির্বাহের জন্য এক সময় রিকশা ভ্যানও চালান। পরে ছেলের লেখাপড়ার খরচ জোগাতে সেই রিকশা ভ্যান বিক্রি করে শুধু কাঠুরিয়ার কাজ করেন।

২০১০ সালে বাড়ির পার্শ্ববর্তী কাঠগড় আদিবাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় গোটা বীরগঞ্জ উপজেলার মধ্যে প্রথম হন তিনি। পরে স্থানীয় গোলাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৩ সালে জেএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫ সহ ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি এবং একই বিদ্যালয় থেকে ২০১৬ সালে এসএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫ এর কৃতিত্ব অর্জন করেন।