ওজন কমাতে ঠিক কতটুকু লবণ খাওয়া জরুরি?

লবণ খেলে ওজন বাড়ে এমনই ধারণা সব স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদের। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভিন্ন কথা। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, লবণ খেলে ওজন বাড়ে এই ধারণাটি পুরোপুরি সত্যি নয়। যদিও ওজন কমানোর জন্য অনেকেই খাবারে লবণের পরিমাণ কমিয়ে দেন। কারণ প্রচলিত রয়েছে, লবণ বেশি খেলে দেহে পানির পরিমাণ বেড়ে যায়। আসলে বিষয়টি তেমন নয়। ওজন নিয়ন্ত্রণ,

এমনকি যারা উচ্চ রক্তচাপ সমস্যায় ভোগেন তারাও লবণ খেতে পারবেন। তবে তা খেতে হবে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে। নিশ্চয় প্রশ্ন থাকতে পারে, একজন ব্যক্তি ওজন কমাতে চাইলে প্রতিদিন কতটুকু লবণ খেতে পারবেন? চলুন জেনে নেয়া যাক- > একজন সুস্থ মানুষ দৈনিক এক চা চামচ লবণ খেতে পারেন। তবে কাঁচা লবণ না খেয়ে রান্নায় ব্যবহার করাই ভালো। লবণ কেনার সময় প্যাকেটের গায়ে আয়োডিনযুক্ত লেখা দেখে কিনুন।

> লবণের অভাবে দেহে সোডিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়। এতে রক্তচাপ কমে যাওয়া, মাথা ঘোরা ছাড়াও নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই, দৈনন্দিন খাবারের তালিকা থেকে লবণ পুরোপুরি বাদ দেবেন না। > পাউরুটি, চিপস, চিজ, সস ইত্যাদি খাবারে লবণ থাকে। এসব খাবার খাওয়ার সময় লবণের পরিমাণের ওপর লক্ষ্য রাখুন। > এছাড়াও জিম করলে কিংবা কিডনি জনিত সমস্যা থাকলে একজন ডায়েটেশিয়ানের পরামর্শ নিয়ে খাবারে লবণের পরিমাণ ঠিক করে নিন।

আরো পড়ুন… শিশুর ডায়াবেটিস! জেনে নিন লক্ষণ ও প্রতিকার। ডায়াবেটিস শুধু বড়দেরই নয়, হতে পারে ছোট শিশুদেরও। জেনে অবাক হবেন, শিশুদের ডায়াবেটিসে আ’ক্রা’ন্ত হওয়ার আ’শ’ঙ্কাজনক হার দিন দিন বেড়েই চলেছে। যা বংশগত কারণে শিশুর হয়ে থাকে। চিকিৎসকদের মতে, আরো কিছু জ’টিলতার মধ্যে বড়-ছোট রক্তনালীগুলো, হার্ট, মস্তিষ্ক, কি’ডনি, চোখ, পা এবং স্নায়ুর ক্ষ’তি অ’ন্তর্ভু’ক্ত রয়েছে। এটি অনুমান করা হয় যে, ১৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ৮০,০০০ শিশু

বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর ডায়াবেটিসের বিকাশ করে। ইন্ডোক্রিনল মেটাব, ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, ডায়াবেটিস মেলিটাস (টি ১ ডিএম)- এর প্রবণতা প্রায় ৯৭,৭০০ শিশু রয়েছে। ডায়াবেটিসে আ’ক্রা’ন্ত শিশুদের অনুপাতের পরিমাণ বেড়েছে ১২% এবং ২৬.৭% হিসাবে রিপোর্ট করা হয়েছে। চলুন জেনে নেয়া যাক শিশুদের মধ্যে ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলো কী কী- > অবসাদ অনুভব করা। > ওজন হ্রাস পাওয়া।

> তৃষ্ণা বাড়ে যাওয়া। > প্রস্রাবের ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি পাওয়া। > পেটে ব্যথা অনুভব করা। > চোখে অস্পষ্ট দেখা। > ক্ষত স্থান ধীরে ধীরে নিরাময় হওয়া। ডায়াবেটিস নিরাময় করার উপায়গুলো জেনে নেয়া যাক- > সচেতনতা এবং লক্ষণগুলোর প্রথম দিক থেকে বাছাই করা। > বাচ্চাদের জন্য জীবনধারা পরিবর্তন। > সুষম খাদ্য গ্রহন ও জাঙ্ক ফুড, তৈলাক্ত খাবার এবং মিষ্টিজাতীয় পানীয় এড়িয়ে চলা।

> নিয়মিত শারীরিক ক্রিয়াকলাপ যেমন হাঁটা, গেম খেলা, নাচ, সাইকেল চালানো। > স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা। > নিয়মিত বডি চেক আপ করুনো। > শিশুকে ভ্রমণ করানো। > পরিবারের সবারই একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গ্রহণ করা উচিত। > মোবাইল ফোনে ভিডিও গেমস, টেলিভিশন এবং কম্পিউটারের স্ক্রিনে সময় ব্যয় করা হ্রাস করুন। > খাদ্যাভাস পরিবর্তন করুন। > সঠিক ওজন আছে কি না লক্ষ্য রাখুন।