শিশুর ডায়াবেটিস! জেনে নিন লক্ষণ ও প্রতিকার

ডায়াবেটিস শুধু বড়দেরই নয়, হতে পারে ছোট শিশুদেরও। জেনে অবাক হবেন, শিশুদের ডায়াবেটিসে আ’ক্রা’ন্ত হওয়ার আ’শ’ঙ্কাজনক হার দিন দিন বেড়েই চলেছে। যা বংশগত কারণে শিশুর হয়ে থাকে। চিকিৎসকদের মতে, আরো কিছু জ’টিলতার মধ্যে বড়-ছোট রক্তনালীগুলো, হার্ট, মস্তিষ্ক, কি’ডনি, চোখ, পা এবং স্নায়ুর ক্ষ’তি অ’ন্তর্ভু’ক্ত রয়েছে। এটি অনুমান করা হয় যে, ১৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ৮০,০০০ শিশু

বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর ডায়াবেটিসের বিকাশ করে। ইন্ডোক্রিনল মেটাব, ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, ডায়াবেটিস মেলিটাস (টি ১ ডিএম)- এর প্রবণতা প্রায় ৯৭,৭০০ শিশু রয়েছে। ডায়াবেটিসে আ’ক্রা’ন্ত শিশুদের অনুপাতের পরিমাণ বেড়েছে ১২% এবং ২৬.৭% হিসাবে রিপোর্ট করা হয়েছে। চলুন জেনে নেয়া যাক শিশুদের মধ্যে ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলো কী কী- > অবসাদ অনুভব করা। > ওজন হ্রাস পাওয়া।

> তৃষ্ণা বাড়ে যাওয়া। > প্রস্রাবের ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি পাওয়া। > পেটে ব্যথা অনুভব করা। > চোখে অস্পষ্ট দেখা। > ক্ষত স্থান ধীরে ধীরে নিরাময় হওয়া। ডায়াবেটিস নিরাময় করার উপায়গুলো জেনে নেয়া যাক- > সচেতনতা এবং লক্ষণগুলোর প্রথম দিক থেকে বাছাই করা। > বাচ্চাদের জন্য জীবনধারা পরিবর্তন। > সুষম খাদ্য গ্রহন ও জাঙ্ক ফুড, তৈলাক্ত খাবার এবং মিষ্টিজাতীয় পানীয় এড়িয়ে চলা।

> নিয়মিত শারীরিক ক্রিয়াকলাপ যেমন হাঁটা, গেম খেলা, নাচ, সাইকেল চালানো। > স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা। > নিয়মিত বডি চেক আপ করুনো। > শিশুকে ভ্রমণ করানো। > পরিবারের সবারই একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গ্রহণ করা উচিত। > মোবাইল ফোনে ভিডিও গেমস, টেলিভিশন এবং কম্পিউটারের স্ক্রিনে সময় ব্যয় করা হ্রাস করুন। > খাদ্যাভাস পরিবর্তন করুন। > সঠিক ওজন আছে কি না লক্ষ্য রাখুন।

আরো পড়ুন… এই গাছের পাতায় কমবে মেদ-ভূড়ি, জেনে নিন কিভাবে ব্যবহার করবেন। আমলকীর মতোই তবে আকারে একটু ছোট ও হলুদ-সবুজ রঙের একটি ফল। স্বাদটা অনেকটা কামরাঙ্গা বা বিলম্বির মতো। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর অনেক প্রকার নাম রয়েছে। যেমন- নলতা, লেবইর, ফরফরি, নইল, নোয়েল, রয়েল, আলবরই, অরবরি, অড়বড়ই ইত্যাদি নাম।
তবে অড়,বড়ইয়ের পাশাপাশি রয়েল নামটাই বেশি প্রচলিত। অড়বড়ই দিয়ে আঁচার, জুস, জেলি, চাটনি ইত্যাদিও তৈরি করা হয়।

অনেকে এটা দিয়ে টক রান্না করেন বা ভর্তা তৈরি করেন। অড়,বড়ইয়ের রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। সেইসঙ্গে ওষুধিগুণেও ভ,রপুর এই ছোট ফলটি। অড়বড়ইয়ের ওষুধিগুণ সম্পর্কে জেনে নিন: কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের জন্য অড়বড়ই বেশ কার্যকরী এক দাওয়াই। এজন্য ৩ থেকে ৪ চামচ অড়বড়ইয়ের বীজ গুঁড়া করে নিন। এরপর হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে এক চামচ মধু দিয়ে পান করুন।

দিনে অ’ন্তত দু’বার এই পানীয়টি পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি মিলবে। এছাড়াও অড়বড়ই গাছের সতেজ পাতা ধুয়ে পাঁচ মিনিট পানিতে ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে পান করলেও এ সম’স্যা থেকে রেহাই পাবেন। -অ্যাজমায় আক্রান্ত’দের স্বস্তি মিলবে অড়বড়ইয়ের বীজে। এজন্য ৬টি বীজ ও একটি পেঁয়াজ কেটে পানিতে ফুটিয়ে নিন। এরপর ঠাণ্ডা করে সামান্য মধু মিশিয়ে খেলেই মিলবে উপকার।

– ওজন কমাতেও অড়বড়ই বেশ কার্যকরী এক ফল। এজন্য অবশ্যই অড়বড়ই গাছের কচি পাতা পানিতে ফুটিয়ে হালকা গরম অবস্থায় পান করুন। সকালে খালি পেটে ও রাতে ঘুমানোর পূর্বে নিয়মিত এটি পান করলে ওজন কমতে বাধ্য। – লিভারের সমস্যায় অড়বড়ইয়ের বীজ খুব উপকারী। লিভারে জমে থাকা ফ্যাট গলাতে পারে এই ফলটি। নিয়মিত অড়বড়ইয়ের জুস খেলে এ সমস্যার সমাধান হবে।

– জ্বর প্রতিরোধে ও মুখের রুচি ফিরিয়ে আনতে অড়বড়ই অ,ত্যন্ত সহায়ক। – অকাল বার্ধক্য রোধে ও ত্বকের রোগ প্রতি,রোধে নিয়মিত অড়বড়ই খেতে পারেন। – অড়বড়ইয়ের রস চুলের গোড়ায় লাগালে চুল মজবুত হয় ও খুশকি,মুক্ত হয়। – অড়বড়ইয়ের বীজ পেটের সমস্যায় ও কৃমি,নাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। – অড়বড়ইয়ের পাতার নির্যাস কফ-কাশি নিরাময়ে সহায়ক।

আরো পড়ুন… যন্ত্রণাদায়ক কুনি নখ, জেনে নিন সহজ পাঁচ প্রতিকার। কুনি নখ খুবই যন্ত্রণাদায়ক একটি সমস্যা। হাতে বা পায়ের নখে এই সমস্যা হলে বেশ কয়েক দিন হাঁটাচলা বা কাজ করতে বেশ অসুবিধা হয়। নখ কাটতে গিয়ে বা কোনো কিছুতে লেগে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। এই ক্ষত স্থানে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে কুনি নখের মতো যন্ত্রণাদায়ক সমস্যার সৃষ্টি হয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও’র ‘ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক’-এর পোডিয়াট্রিস্ট (বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক) জিওরজিয়ানি বুটেক জানান, নখের পাশের ত্বকের মধ্যে সৃষ্টি হওয়া ফাটলের মধ্য দিয়ে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করে সংক্রমণ সৃষ্টি করে। এর ফলে আরো অনেক বেশি যন্ত্রণা হতে থাকে।তবে কয়েকটি ঘরোয়া উপায় কাজে লাগিয়ে এই সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আসুন জেনে নেয়া যাক কুনি নখের ঘরোয়া প্রতিকার সম্পর্কে-

সাদা ভিনেগার ২ কাপ উষ্ণ গরম পানিতে ১ কাপ সাদা ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এই ভিনেগার মেশানো পানি মিনিট পনেরো কুনি নখে আক্রান্ত আঙুলটি ডুবিয়ে রাখুন। তারপর শুকনো করে মুছে নিন। দুই-এক দিনের মধ্যেই সেরে যাবে কুনি নখ।টি ট্রি অয়েল ১ চামচ নারকেল তেলে ২ থেকে ৩ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিন। এই তেল তুলো দিয়ে কুনি নখ আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে মিনিট দশেক রেখে দিন।

দিনের মধ্যে দুই-তিন বার এমনটা করতে পারলে দ্রুত সেরে যাবে কুনি নখ।রসুন ১ কাপ সাদা ভিনেগারের সঙ্গে কয়েক কোয়া রসুন কুচিয়ে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ কুনি নখ আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে পরিষ্কার কাপড় বা ব্যান্ডেজ দিয়ে বেঁধে রাখুন। যত দিন না সারছে, তত দিন এই পদ্ধতি মেনে চলুন। উপকার পাবেন।অ্যাপল সিডার ভিনেগার ২ কাপ পানির সঙ্গে ২ কাপ অ্যাপল

সিডার ভিনেগার মিশিয়ে ওই মিশ্রণে ৩০ মিনিট কুনি নখ আক্রান্ত আঙুলটি ডুবিয়ে রাখুন। তারপর শুকনো করে মুছে নিন। দুই-তিন দিনের মধ্যেই সেরে যাবে।পাতিলেবুর রস কুনি নখ আক্রান্ত অংশের জায়গায় দুই-এক ফোঁটা পাতিলেবুর রস লাগান। ২৫ থেকে ৩০ মিনিট রেখে উষ্ণ গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন। যত দিন না সারছে, তত দিন এই পদ্ধতি মেনে চলুন। উপকার পাবেন।