ভারতের কোনও কথাই শুনলো না আইসিসি

আগামী ২৯ মার্চ দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্ব ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির সাধারণ সভা। সেখানে আইসিসির সদস্যভুক্ত সব বোর্ডের কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তবে একইদিন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের (আইপিএল) দ্বাদশ আসর শুরু হবে। তাই আইসিসির বৈঠকটি পিছিয়ে দেয়ার প্রস্তাব করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। তবে বিসিসিআইয়ের প্রস্তাবকে সরাসরি না করে দিয়েছে আইসিসি।

তারা জানায়, পূর্ব নির্ধারিত সভার দিনক্ষণ পরিবর্তন করার কোনো সম্ভাবনা নেই। তাছাড়া আইসিসির সবকিছুই আগে থেকে নির্ধারিত করা থাকে। সে অনুযায়ী সংস্থাটির চলতি বছরের বার্ষিক সভা আগামী ১৭-১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে অনুষ্ঠিত হবে। বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তা জানান, সভাটি পেছানোর জন্য অফিসিয়ালভাবে আইসিসিকে প্রস্তাব দেয়া হয়। তবে তারা প্রস্তাবটি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে।

গত বছরের আগস্টে বৈঠকটির কথা সবাইকে জানিয়ে দিয়েছিল আইসিসি। তাদের সবকিছু পূর্ব নির্ধারিত থাকায় বিসিসিআইয়ের প্রস্তাব আমলে নেয়নি। জানা যায়, ২৯ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া আইপিএলের দ্বাদশ আসরের উদ্বোধনী দিনে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তাদের। আবার আইসিসির সভাতেও তাদের থাকতে হবে। তাই একইদিনে দুটি ইভেন্ট থাকায় নির্ধারিত দিনে আইপিএল শুরু হওয়া নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আরো পড়ুন… হঠাৎ মেসেজ আসল মুশফিকের কাছে, পাকিস্তান না গেলে মহাবিপদ !! সম্প্রতি বিসিবি’র কাছ থেকেই হঠাৎ একটা মেসেজ পান মুশফিকুর রহিম। যেখানে তাকে একটা শর্ত জুড়ে দেওয়া হয় যে, তৃতীয় দফায় পাকিস্তান সফরে না গেলে ভোগ করতে হবে অন্যরকম একটা শা’স্তি। তাতে যেন মুশফিক পড়ে গেলেন উভয়সংকটে। তাকে ছাড়াই এরিমধ্যে দুই’বার পাকিস্তান গেল বাংলাদেশ দল। তিনি যাবেন না সেটা আগেই জানিয়েছেন। কারণ তার পরিবার তাকে পাকিস্তানে যেতে দিচ্ছেন না।

এখন কথা হলো, তৃতীয় দফাও কী মুশফিক তার আগের ‘না’ এর মধ্যে থাকবেন। না-কি সেটা ‘হ্যাঁ’ হবে। অবস্থা যা দাঁড়িয়েছে তাতে মনে হয় মুশফিককে এবার পাকিস্তান সফরে যেতেই হবে। না গেলে ভোগ করতে হতে পারে বড় শাস্তি। শাস্তিটা হলো এখন যদি মুশফিক বলে যে, আমি পাকিস্তানে যাবো না, তাহলে কিন্তু ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টেও রাখা হবে না তাকে।

আর যদি বিসিবির টিম ম্যানেজমেন্টের এই শর্তে রাজি হন মু’শফিক, অর্থাৎ পাকিস্তান যাওয়ার জন্য ‘হ্যাঁ’ বলেন তাহলে হোম টেস্টেও রাখা হবে মুশফিককে। এরিমধ্যে পরিষ্কার একটা ইঙ্গিত মিলেছে জাতীয় দলের প্রধান কোচ রাসেল ডমি’ঙ্গোর কাছ থেকেও। তিনি বলেছেন, মুশফিকের কারণে তিন টেস্টে তিনবার দলে পরিবর্তন করার পক্ষে নন তিনি। কোচের এই সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন আছে জাতীয় দল নির্বাচকদেরও।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিসিবির নির্বাচক প্যানেলের একজন বলেন, ‘বাংলা’দেশ দল দুবার পাকিস্তানে খেলে এসেছে। কারও কোনো সমস্যা হয়নি। সতীর্থদের কথা ভেবে হলেও মুশফিক গেলে ভালো করবে আমি মনে করি। টেস্ট দলটা খুবই দুর্বল হয়ে গেছে। সেখানে বারবার পরিবর্তন করা হলে কেউই সেটেল হতে পারবে না। আমি মনে করি, যাকে পাকি’স্তান সফরের জন্য নির্বাচন করা হবে তাকেই যেতে হবে।’
এখন দেখার অপেক্ষ মুশফিক কোনটা বেছে নেন। পাকিস্তান সফর না শাস্তি!