যে কারণে নাটোরে আ.লীগের কমিটি থেকে ৪৩ জনের পদত্যাগ !!

নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যানের গঠিত আও’য়ামী লীগের কমিটির বিভিন্ন পদে থাকা ৪৩ জন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ পদত্যাগের ঘোষণা দেন। সংসদ সদস্য (এমপি) সমর্থিত নলডাঙ্গা আওয়ামী লীগের কমিটির যুগ্ম-‘সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন বলেন, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর সংসদ সদস্য

শফিকুল ইসলাম শিমুলের উপস্থিতিতে সম্মেলনের মাধ্যমে নল’ডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে রইস উদ্দিন রুবেলকে সভাপতি এবং তৌহিদুর রহমান লিটনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। এর কয়েকদিন পরে, নলডঙ্গা উপজেলার চেয়ারম্যা’ন আসাদুজ্জামান আসাদ নিজেকে সভাপতি ও আইয়ুব আলীকে সাধারণ সম্পাদক করে উপজেলা আওয়ামী লীগের পাল্টা কমিটি ঘোষণা করেন বলে জানান তিনি।

শুক্রবারের সংবাদ সম্মেলন থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান ঘো’ষিত কমিটিকে অ’বাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয় এবং কমিটির বিভিন্ন পদে থাকা ৪৩ জন ওই কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন। পদত্যাগ করা নেতারা জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান তাদেরকে না জানিয়েই কমি’টিতে তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জা’মান আসাদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্ঠা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।’

আরো পড়ুন… আশঙ্কাজনক অবস্থায় খালেদা, বিদেশে না নিলে জীবন হারানোর শঙ্কা। দীর্ঘদিন কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে গেছেন তার স্বজনরা। মঙ্গলবার বিকাল সোয়া ৩ টার দিকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে হাসপাতালে প্রবেশ করেন তার পরিবারের সদস্যসহ ৫ স্বজন।

এসময় বেগম জিয়াকে দেখে খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে আশংকা প্রকাশ করেন বোন সেলিমা ইসলাম। সেলিমা বলেন, “আজকে তার শরীর খুবই খারাপ ছিল। সে শ্বাসকষ্টে ভুগছে। একদম কথাই বলতে পারছেন না। সে উঠে ৫ মিনিটে তো দাঁড়াতে পারছেন না। বাঁ হাতটা সম্পূর্ণভাবে বেঁকে গেছে। এখন ডান হাতটা বেঁকে যাচ্ছে। খেতে পারছেন না, খেলেই বমি হয়ে যাচ্ছে। গায়ে জ্বর ও প্রচন্ড ব্যাথা।

গায়ে হাত দেওয়া যাচ্ছে না। গায়ে হাত দিলেই সে চিৎকার করছে। এই অবস্থায় মানবিক দিকটা চিন্তা করে ওনার মুক্তি দাবি করছি আমরা।” তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়ার বিছানা থেকে বাথরুম দুই-তিন হাত জায়গা হবে তা যেতে ২০ মিনিট সময় লাগে। এখানে যেই চিকিৎসা হচ্ছে তাতে তার শারীরিক কোন উন্নতি হচ্ছে না। আজকেও ফাস্টিং সুগার ১৪-১৫ ছিল। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ যে,

তিনি উঠে দাঁড়াতে পারেন না। হাঁটতেও পারেন না। একটু হাঁটলে আবার তাকে বিশ্রাম নিতে হচ্ছে। এমতাবস্থায় সরকারের কাছে আমরা তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি। আজকে দুই বৎসর যাবৎ খালেদা জিয়া কারা অন্তরীণ আছে। উল্লেখ্য, বেগম জিয়াকে দেখতে যাওয়া স্বজনদের মধ্যে ছিলেন- খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম, আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি ফাতেমা রেজা, ভাগ্নি শাহিনা জামান খান, ভাতিজা অভিক ইস্কান্দার, ভাবি কানিজ ফাতেমা।

সংবাদটি শেয়ার করুন