চীন থেকে বেশি ভারত-নেপাল লড়াইয়ের কারণে ক্ষতির মুখে পরবে মধ্যবর্তী যে দেশ…

ভারত ও নেপালের মধ্যে সীমানা চি’হ্নিতকরণসহ বেশ কিছু ব্যাপারে সম্প্রতি খানিক মন ক’ষাকষির সূত্রপাত ঘটেছে। এর পেছনে কোনও কোনও বহির্শক্তির ই’ন্ধন আছে কিনা সেটি খতিয়ে দেখতে ভারত নাকি ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়েছে। তার ভিত্তিতে ভারত দাবি করছে, চীন এ ক্ষেত্রে নেপালকে রীতিমত ম’দদ জোগাচ্ছে।

উল্লেখ্য, সুদীর্ঘকালব্যাপী পারিবারিক ব’ন্ধন ও সংস্কৃ’তি ক্ষেত্রে বি’রাজমান নি’বিড় সা’দৃশ্য ভারত-নেপালের মধ্যকার সম্পর্ককে উত্তরোত্তর গ’ভীরতর করে তোলে। কিন্ত ইদানিং সেই সম্পর্কে ফাট’ল ধ’রার আলামত দেখা যাচ্ছে। ভারতের স''ঙ্গে বি’রোধপূর্ণ লি’পুলেখ, কা’লাপানি ও লি’ম্পিয়াধুরাকে সন্নিবেশিত করে নেপাল সম্প্রতি নতুন মানচিত্র তৈরি ও সেটি অনুমোদন দেওয়ায় দুই দেশের মধ্যে তি’ক্ততা সৃষ্টি হয়েছে।

তাছাড়া, ভারত থেকে নেপালে গমনকারী অনেকের দে’হে করো’নাভা’ইরাস সং’ক্রমণের প্রমাণ পাওয়ায় নেপাল ভারতের উপর না’খোশ| এ কথা সত্যি যে, ভারত-নেপাল সম্পর্কের অ’বনতি হলে বাংলাদেশ খানিকটা অ’সুবিধায় পড়বে। বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক বিরাজ করলেও, ভারতের স''ঙ্গে নেপালের বি”রোধ বৃ'দ্ধি পেলে সেই সম্পর্কের উপরও তার খানিক আছর পড়বে।

যেমন, প্রথমত- নেপালের কার্নালি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ভারতের গ্রিড ব্যবহারের বাংলাদেশ মাধ্যমে যে ৯০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আ”ম'দানি করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে তা বা’ধাগ্র’স্ত হবে নিশ্চয়ই ! দ্বিতীয়ত, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মো”দীর উদ্যোগে ভারত-বাংলাদেশ-নেপালের মধ্যে যে রেল লাইন নির্মাণের বি'ষয়টি চূড়া’ন্ত করা হয়েছে সেটিও নি”র্ঘা'ত আ”টকা পড়ে যাব'ে বৈকি!

অন্যদিকে আবার, ভারতের পশ্চিম বাংলার শিলিগু'ঁড়ির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের লা''ঙ্গলবন্দ ও নেপালের কং”কড়াভিটায় দুই দেশের জন্য অত্যন্ত লা”ভজনক যে স্থলবন্দর এবং তাৎপর্যপূর্ণ বাণিজ্য রুট 'হতে যাচ্ছে সেটির ভবি'ষ্যৎও অ”নিশ্চিত হয়ে পড়ার আ”শংকা দেখা দেবে। মোদ্দাকথা, ভারত ও নেপালের সম্পর্কের অ”বনতিতে বাংলাদেশের বিপুল বাণিজ্যিক সুযোগ হাতছাড়া হবার আ”শঙ্কা দেখা দেবে।

ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও নেপাল উভয়েই বাণিজ্যিকভাবে যে লাভ অর্জন করতে সক্ষম তা ভে”স্তে যাব'ে যদি ওই দুই দেশের (ভারত-নেপাল) সম্পর্কের অ”বনতি ঘটে। সুতরাং, এক্ষেত্রে প্রত্যেকেরই স্বার্থ সমুন্নত রাখার প্রয়োজনেই ওই সম্পর্ক যাতে অ”বনতি না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া সংশ্লিষ্ট সকলের আশু কর্তব্য বলেই প্রতীয়মান হয়।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, চীনের ইন্ধনে ভারতের স''ঙ্গে বৈরী সম্পর্ক গড়ে তুলে নেপালের ক্ষ’তি বৈ লাভ হবে না। ভুললে চলবে না যে, চীন ক”রো'না-উত্তরকালে নেপাল, বাংলাদেশ ও মিয়ানমা'রে তার বাজার সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে এ জাতীয় কূ”টচালের আশ্রয় নিচ্ছে।ভারত ও নেপালের মধ্যকার সম্পর্ক বহু প্রাচীন। ১৯৪৭ এ ভারত স্বাধীনতা লাভ করলে তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী জওহর লাল নেহেরু দেশ দুইটির মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্ক বজায় রাখার উদ্দেশ্যে নেপালের অ’র্থনৈতিক উন্নয়নের উপর বিশেষ গু'রুত্ব দেন এবং ভারতীয় সামর'িক ও আধা সামর'িক বাহিনীতে নেপালিদের নিয়োগ অ’ব্যা'হত রাখেন। উল্লেখ্য, ভারতে নেপালিদের জন্য কোনও ওয়ার্ক পারমিটের প্রয়োজন পড়েনা।