আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে হবার কারণেই সর্ব*নাশ হচ্ছে শিশুদের ।

নিকট আত্মীয়ের সঙ্গে বিয়ের কারণে জন্ম নেয়া শিশু আক্রান্ত হচ্ছে সিস্টিক ফাইব্রোসিস নামে বিরল রোগে। শিশুদের জন্মগত জেনেটিক এ রোগে দীর্ঘমেয়াদী কাশি, বারবার নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট কিংবা ডায়রিয়া হচ্ছে।এই রোগ সম্পর্কে খুব বেশি ধারণা নেই চিকিৎসকদেরও। সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় ও ধারাবাহিক চিকিৎসার অভাবে বেশিরভাগই শিকার হয় মৃ’ত্যুর। এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে না করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

১৩ বছরের শিশু বুশরা জন্মের ৬ বছর পর জানা যায়, সিস্টিক ফাইব্রোসিস নামক বিরল রোগে আক্রান্ত সে। মাসের ২৫ দিন জ্বর ও ঠাণ্ডা নিয়ে অসংখ্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলেও অবশেষে ঢাকা শিশুহাসপাতালে জানা যায় তার এই রোগের কথা। কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন, সঠিক সময়ে চিকিৎসা না নিলে ফুসফুসের কার্যক্রম নষ্ট হয়ে গিয়ে রোগী মা;রা যাবে।

সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় করা না গেলে অনেক ক্ষেত্রেই আক্রান্তদের ২ থেকে ৩ বছরের বেশী বাঁচানো সম্ভব হয় না।রোগী ও চিকিৎসকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে রোববার দেশের ৩০ জন আক্রান্তকে নিয়ে আসা হয়েছে ঢাকা শিশু হাসপাতালে। সিস্টিক ফাইব্রোসিসসহ শ্বাসকষ্টজনিত জটিল রোগ নিয়ন্ত্রণে দেশে শিশু রেসপিরেটরি মেডিসিন সেন্টার নির্মাণের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

শিশু বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এআরএম লুৎফর কবীর বলেন, বুকের এক্স-রে, সিটিস্ক্যান, ঘাম পরীক্ষা করে রোগটা ধরতে পারি। এ ঘাম কালেকশন করা একটু কঠিন ছিল। ঘাম কালেক্ট করার মেশিন থাকলে এই রোগ ধরা বেশি সহজ হয়ে যাবে।ঢাকা শিশু হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক প্রবীর কুমার সরকার বলেন, বছরে আমাদের ১শ’ রোগী থাকার কথা। যেহেতু কাশিই এই রোগের লক্ষণ। আমরা তাই দীর্ঘমেয়াদী কাশি আর টিবির মধ্যে থাকি। আমাদের চিকিৎসকদের এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা না বাড়াতে হবে।এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৪শ’ থেকে সাড়ে ৪শ’ আক্রান্তকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। নিকটাত্মীয়দের মধ্যে বিয়ে এই রোগের অন্যতম কারণ বলে জানিয়েছের বিশেষজ্ঞরা।

আরো খবর… তবে কি মাত্র দেড় লক্ষ টাকার অভাবে মা’রা যাবে আমা’র মা! আমা’র মা মা’রা গেলে আমি কিভাবে বাঁচবো? আমা’র মাকে আপনারা বাঁ’চান! আমি একপ্রকার এতিমের মতই! আমা’র বাবা থেকেও নেই। অন্যখানে বিয়ে করে আজ বাবা ১০ বছর ধরে আমাদের কোন খবর রাখেনা। আম’রা একবেলা খেয়ে না খেয়ে থাকি। তার উপরে আমা’র মায়ের ভ’য়ংকর রোগ ধরেছে। অ’পারেশন ও থেরাপি না দিলে হয়তো আমা’র মা বাঁচবে না।

আমা’র মায়ের কোম’রসহ পিঠে প্রচন্ড ব্যাথা,পায়ে ও মাথায় প্রচন্ড ব্যাথা, সারা শরীর ঝনঝন করে সারাক্ষন, আমা’র মা প্রচন্ড ব্যাথায় সারাদিন চি’ৎকার করে, প্রতিদিন জ্বর আসে। আপনারা দয়া করে আমা’র মাকে বাঁ’চান। অঝোড়ে কাঁদতে কাঁদতে কথাগু’লি বলছিলেন অ’সুস্থ লুৎফুননেসার মে’য়ে জেরিন আক্তার। লুৎফুননেসার বাড়ি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজে’লার দিগদারী গ্রামে।

উল্লেখ্য,’মাকে বাঁ’চাতে মে’য়ের করুন আকুতি!!’ শিরোনামে ‘সময়ের কন্ঠস্বরে গত ৯ই সেপ্টেম্বর খবর প্রকাশ হয়। কিন্তু খবর প্রকাশের পরে কেউই তার পাশে দাড়ায়নি। ফলে হতাশায় পড়ে যায় পরিবারটি।

লুৎফুননেসা মেরুদ’ন্ডের জটিল রোগ (পি,এল,আই,ডিতে) আক্রান্ত। স্বামী ছেড়ে যাবার পর ভিটেমাটি বিক্রি করে রংপুর কুড়িগ্রামের প্রায় হাফ ডজন ডাক্তার বদল করার পর রংপুরের ডাক্তার মাহামুদুনন্নবী ডলার জানিয়েছেন যে, তিনি মেরুদ’ন্ডের খুব জটিল রোগ পি,এল,আই,ডিতে আক্রান্ত। তার অ’পারেশন ও থেরাপি দ্রুত না দিলে তিনি যখন তখন কঠিন বিপদের মুখে পড়তে পারেন।

সেইসাথে ডাক্তার এটাও জানান অ’পারেশন ও থেরাপি দিতে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা লাগবে। টাকার পরিমান শুনে মুশড়ে পড়ে জেরিন ও তার অ’সুস্থ মা! এখন বাড়িতে এসে আল্লাহপাকের উপর সব ছেড়ে দিয়ে বিনা চিকিৎসায় মৃ’ত্যুর প্রহর গুনছে জেরিনের মা। আর মায়ের এই আসহায়ত্ব নিরবে দেখে আর মায়ের সাথে সারাদিন কাঁদে জেরিন। জেরিন বেশ ভাল ছা’ত্রী জেএসসিতে গোল্ডেন এ+ ও এসএসসিতে ৪.০৬ পেয়ে পাস করে ভিতরবন্দ স্নাতক মহাবিদ্যালয়ে ইন্টারে ভর্তি হন। কিন্তু মায়ের এই অ’সুস্থতা ও টাকার অভাবে তারও পড়াশোড়া বন্ধ হবার পথে।

লুৎফুননেসার সাথে ‘সময়ের কন্ঠস্বরের এ প্রতিবেদকের সাথে কথা হলে তিনি, কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমা’র স্বামী আমাকে ছেড়ে অন্য খানে বিয়ে করেছে। আমি যদি ম’রে যাই তাহলে আমা’র মে’য়েটার কি হবে?? সে কার সাথে থাকবে? কি খাবে? আমি মে’য়েটার জন্য বাঁচতে চাই। আমাক তোম’রা বাঁ’চান। অসহায় মে’য়েটার মুখের দিকে দেখি আমাক তোম’রা বাঁ’চান।

প্রতিবেদকের দুটি কথা: সম্মানিত পাঠক, লুৎফুননেসা এমন একজন অসহায় মানুষের নাম যার পাশে দাড়ানোর মতো দুনিয়াতে কেউ নেই। যার ক’ষ্টের চি’ৎকার শুনে একটি গ্রাম কাঁদে! আমি নিউজ প্রকাশ করেও কোন সাড়া পাইনি। বা কেউ তার পাশে দাড়াইনি। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আপনাদের সকলের সহযোগীতা নিয়ে আমি নিজে এই মানুষটার চিকিৎসাটা করাবো। আল্লাহপাক মাফ করার মালিক। দয়া করে সমাজের হৃদয়বান বৃত্তবানেরা এগিয়ে আসলে দেড় লক্ষ টাকা যোগাড়ও সম্ভব এবং অ’পারেশন ও থেরাপিও সম্ভব। তাই আমি আবারও সকলকে সহযোগিতা করার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

লুৎফুননেসার পাশে দাড়াতে তার ব্যাক্তিগত হিসাব নম্বর:২৬২.১৫১.১৫১৭০৪ হিসাবের নাম: লুৎফুননেসা, ব্যাংকের নাম: ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, শাখার নাম: কুড়িগ্রাম সদর শাখা, কুড়িগ্রাম। ভিডিও কলে লুৎফুননেসাকে দেখতে ও তার সাথে কথা বলতে আমাদের ষ্টাফ রিপোর্টার প্রভাষক ফয়সাল শামীম, ০১৭১৩২০০০৯১।