অবৈ’ধ প্রবাসীদের দেশে যাওয়ার জন্য নিবন্ধন শুরু ।

অবৈধ প্রবাসীদের এক বছরের জরিমানা ও টিকিট নিয়ে দেশে ফেরত যাওয়ার ঘোষণা আসে লেবাননের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে। গত ৬ই সেপ্টেম্বর একটি সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেয়া হয়। নাম নিবন্ধনে প্রত্যেক আবেদনকারী এক বছরের জরিমানা ও এয়ার টিকিটের টাকা পরিশোধ করে এ সুযোগ গ্রহণ করতে পারবেন। প্রথম ধাপে ১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে আগামী ১৬ এবং ১৭ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই আবেদন ফরম জমা নেয়া অব্যাহত থাকবে।

বাংলাদেশ দূতাবাসের অক্লাম্ত পরিশ্রমে লেবাননে সরকারের সাধারণ ঘোষণায় আনন্দিত প্রবাসীরা। রাষ্ট্রদূত আব্দুল মোতালের সরকারের প্রতি তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বাংলাদেশ দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানান।

সরকার ক্ষমা ঘোষণা করায় নিবন্ধন করতে ভোর ৩ টা থেকে লেবাননে উত্তর থেকে দক্ষিণ পূর্ব থেকে পশ্চিম হতে আগত প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভিড় করেন বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাসে। ধারণা করা হয় প্রায় ৫/৬ হাজারেরও বেশী অবৈধ প্রবাসী উপস্থিতি হন এ সুযোগে নাম নিবন্ধন করতে। দূতাবাসের ঘোষণা অনুযায়ী নির্ধারিত সময় সকাল ১০টার আগেই শুরু হয় নিবন্ধন।

রাষ্ট্রদূত আব্দুল মোতালেব সরকার বলেন, লেবাননের আইন অনুযায়ী অবৈধদেরকে বাংলাদেশ দুতাবাসে নাম নিবন্ধন করতে হয়। সেই অনুযায়ী লেবানন সরকারের সাধারন ক্ষমার আওতায় নাম নিবন্ধন শুরু হয়েছে। উপস্থিত প্রবাসীদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, তিনদিন নাম নিবন্ধন করা হবে। তবে এই তিন দিনে যারা নিবন্ধন করতে পারবেনা তাদের হতাশ হবার কিছু নেই। পর্যাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের কার্যক্রম পরবর্তীতে নভেম্বর ও ডিসেম্বরে বাকিদের নাম নিবন্ধন করা হবে।

আরো পড়ুন… বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ৩০ হাজার ভ্রমণপিপাসুকে মালয়েশিয়ার বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন থেকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাদের ফিরিয়ে দেয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

malyesia-2.jpg

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ বলছে, পর্যটকদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে অর্থ এবং প্রবেশের পর কোথায় অবস্থান করবেন, তা সঠিকভাবে বলতে না পারায় তাদের ইমিগ্রেশনের কাউন্টার থেকেই ফিরিয়ে দেয়া হয়। অভিবাসন বিভাগের প্রধান দাতুক খায়রুল দাজামি দাউদ স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, ফিরিয়ে দেয়া দেশের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ এবং চীনের নাগরিক রয়েছে।

malyesia-3.jpg

অভিবাসন বিভাগের প্রধান আরও জানান, কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সিপাং কেলআই-১ এবং কেএলআই-২ তে আসা বিভিন্ন দেশের ভ্রমণপিপাসুদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তারা কোথায় থাকবেন এবং কী পরিমাণ টাকা তারা নিয়ে এসেছেন। এসব প্রশ্নের জবাবে অনেকেই সঙ্গে ২০০ মালয় রিঙ্গিত আনার কথা জানান। সেইসঙ্গে কোথায় থাকবেন? এর সঠিক কোনো জবাব না দেয়ায় এয়ারপোর্ট থেকেই যার যার দেশে তাদের ফিরত পাঠানো হয়।