মোটা মানুষের মনটা বেশি সুন্দরঃ গবেষণা ।

মনের সৌন্দর্যই আসল। নতুন এক গবেষণার প্রমাণ দিয়ে গবেষকরা বলছেন, ছিপছিপে গড়নের মানুষের চাইতে স্থূলকায় মানুষের মনই বেশি সুন্দর। জার্মান গবেষকরা জানিয়েছেন, অন্যদের তুলনায় স্থূলকায়রা অনেক বেশি সৎ এবং নমনীয় স্বভাবের হয়। ২০ জন স্থূলকায় মানুষ এবং ২০ জন ছিপছিপে গড়নের মানুষ নিয়ে গবেষণাটি চালানো হয়েছে। গবেষণার জন্য একটি খেলার আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে অংশগ্রহণকারীদের জন্য অর্থ প্রদানের প্রস্তাব দেয়া হয়। দেখা গেছে, অর্থের ব্যাপারে ছিপছিপে গড়নের মানুষরা সুষ্ঠু সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। স্থূলকায়রাই অর্থের ব্যাপারে বেশি সৎ ছিলেন। এই গবেষণার ফলাফল মেট্রো ইউকেতে প্রকাশিত হয়। এতে জানা

যায়, অর্থ সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের এই খেলায় ওজন এবং শরীরের গ্লুকোজের পরিমাণ, দুটোই পরিমাপ করা হয়েছে। আমাদের চারপাশে কিছু মানুষ আছে যারা বেশ বাকপটু। অফিসের কলিগ, পাশের বাসার ভাবি কিংবা বন্ধুর স্ত্রীদের প্রশংসায় মুগ্ধ করে তোলেন। মনে হতে পারে এগুলো শুধুই প্রশংসাবাক্য। কিন্তু এর গভীরে লুকিয়ে থাকে অসৎ উদ্দেশ্য। ১. ভাবি, আপনি দুই বাচ্চার মা! আপনাকে দেখলে কেউ বিশ্বাসই করবে না। দেখে মনে হয়, মাত্র ইন্টারপাস করছেন! সিরিয়াসলি! – এ কথা শুনে ভাবি তো আহলাদে আট দু’গুণে ষোলখানা। একটু লজ্জা পেয়ে ভাবি বলেন, সেই সময় কি আর আছে, বয়স হয়েছে না! ২. আপু, একটা কথা বলবো অনেকদিন থেকে

ভাবছি! কিন্তু হ্যাজিটেশন করে বলা হচ্ছে না। আপনি এমনিতেই সুন্দর। কিন্তু নাকের পাশের তিলটা আপনাকে একদম পরী বানিয়ে দিছে। এত্ত সুন্দর। জাস্ট অসাধারণ লাগে! – আপু তো শুনে একদম কাত। বলেন, ‘অ্যাঁ সত্যি বলছেন। আপনি আসলে সমাঝদার লোক! ৩. মন খারাপ কেন ভাবি? ভাইয়া ঝগড়া-টগড়া করলো নাকি? আপনার মতো এরকম একটা মানুষের সাথেও ঝগড়া করা যায়? বিশ্বাসই হচ্ছে না! ভাবি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলেন, ‘বইলেন না, আপনার ভাই কোনোদিন বোঝার চেষ্টাই করলো না।’ ৪. একটা কথা বলি, কিছু মনে করবেন না তো? আপনার কণ্ঠটা এত্ত সুন্দর! কোনো প্রিয় গান বারবার শুনলেও যেমন বিরক্তি লাগে না, আপনার কথাবার্তার

স্টাইলও এরকম। টানা ২৪ ঘণ্টা শুনলেও বোরিং লাগবে না! – একথা শুনে সুন্দর কণ্ঠওয়ালী তো আবেগে গদ গদ। বলেন, অ্যাঁ সত্যি বলছেন ভাই? এই শুনছো ( স্বামীকে উদ্দেশ্য করে), দেখো কি বলছে। তুমি বুঝলা না আমাকে। ৫. আপনি যা ইচ্ছা মনে করতে পারেন, আজ থেকে আপনাকে আর আন্টি ডাকবো না, বলে দিচ্ছি। হুঁ! দেখলে মনে হয় আবার বিয়ে দেয়া যাবে, আর আপনাকে ডাকবো আন্টি? নাহ, আর নাহ! আন্টিতো স্কুলপড়ুয়া মেয়ে হয়ে যান। বলেন, ‘যা , আমারতো লজ্জা লাগছে। এভাবে কেউতো কখনো বলেনি, তাই! ৬. একটা কথা বলবো? নীল শাড়িতে আপনাকে দারুণ মানাইছে!…না না, তেল দিচ্ছি না, সত্যি বলছি! সত্যি অনেকটা কোয়েল

মল্লিকের মতো লাগে আপনাকে! -শুনে একেবারে ভিজে গেলেন। হাসতে হাসতে বলেন, ‘আপনার মুখে ফুল চন্দন পড়ুক।’ ৭. জন্মদিনে কী কী করলেন আপনারা? কি? ভাইয়ার অফিস?….কি যে বলেন! আমি এরকম একটা বউ পেলে জন্মদিন উপলক্ষ্যে এক সপ্তাহের ছুটি নিতাম!…হাইসেন না, সিরিয়াসলি! -শুনে তো থ। চোখ কপালে উঠে গেল। ধীরে ধীরে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, ‘আমার ভাগ্যটাই খারাপ। আপনার মতন রোমান্টিক মানুষ পেলাম না! কিছু কিছু পুরুষ আছে, যারা এভাবে কলিগ, ভাবি, বন্ধুর বউদের প্রশংসাবাক্যে প্রাণমন ভিজিয়ে ফেলে। আপাতদৃষ্টিতে এগুলো ‘জাস্ট প্রশংসাবাক্য’। কিন্তু এর গভীরে যে কত বড় লাম্পট্য আর অসৎ কামনা লুকিয়ে আছে, খেয়াল

না করলে বোঝার উপায় নেই। পুরুষের সম্পূর্ণ সহবাস ছাড়াই স্পার্ম ব্যাঙ্ক থেকে শুক্রাণু নিয়ে বিয়ে ছাড়াই মা হযেছেন বাঙালী ডাক্তার শিউলি। অবশ্য এজন্য তার লড়াইও কম করতে হয় নাই।শিউলির মা হওয়ার পর থেকে আশ’ঙ্কা করা হচ্ছে বিবাহ প্রথা বেশি দিন টিকে থাকবে না। সন্তান জন্ম দানে পুরুষের ভূমিকা গৌণ তা প্রমাণ করলেন ওই নারী। এখন থেকে আর নারী নি’র্যাতন হবে না । এখন দেখার বিষয় বাঙালি নারীরা এ পন্থা অবলম্বন করে কি না? বাঙালী ডাক্তার প্রমাণ করলেন , বাঙালীরাই পথ দেখাবে সচেতনতার ও বিজ্ঞানের নানা কী’র্তির। তারা আলোর দিশা। অন্ধকার অচলায়তন ভেঙে শিখা চিরন্তন।ডা. শিউলি মুখোপাধ্যায় । নিজেকে নিয়ে গেলেন অনন্য

উচ্চতায়।কলকাতায় ‘একক মাতৃত্ব’ নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে দীর্ঘদিন কাজ করছেন তিনি। বন্ধ্যাত্ব নিরসন তার যেন উপাসনা। শত নারীর মুখে মাতৃত্বের হাসি ফোটানো। । বিভিন্ন নারীকে তিনি মাতৃত্বের স্বাদ গ্রহণের সুযোগও করে দেন সেবার ভিত্তিতে ন্যূনতম খরচে। এবার নিজেই সেই পথে হাঁটলেন। ডা. শিউলি মুখোপাধ্যায় কলকাতার বাসিন্দা। দেড় বছর আগে তিনি একক মাতৃত্বের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন। তার একাকিত্ব ঘোঁচাতে ও অন্যদের উৎসাহিত করতে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। সেই ভাবনা থেকেই অবিবাহিত শিউলি এখন এক পুত্র সন্তানের মা।৩৯ বছরের শিউলিদেবী ছেলের নাম রেখেছেন ‘রণ’। তবে ছেলের জন্মের পরেই এক তিক্ত অ’ভিজ্ঞতা

হয়েছে শিউলির। তিনি বলেন, ‘ছেলের জন্মের কাগজপত্রে বাবার নামের জায়গায় কী’ লিখবেন সেটা বুঝে উঠতে পারছিলেন না।’ তিনি জানান, শেষে আ’দালতে এফিডেভিট করে এবং সিঙ্গল মাদারের ক্ষেত্রে কলকাতা পৌরসভার দেয়া একটি শি’শুর জন্মের কাগজপত্রের কপি ও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কাগজপত্র পৌরসভায় জমা দেয়ার পরেই নিজের সন্তানের কাগজপত্র তৈরি হয়।শি’শু বয়স থেকেই রণকে সিঙ্গেল পেরেন্ট বা সিঙ্গল মাদারের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বোঝাতে চান শিউলি। শনিবার নিজের বেসরকারি হাসপাতালে বসে তিনি বলেন, ‘ছোট থেকেই ওকে বুঝিয়ে দিলে বড় হয়ে আর মনে কোনও সংশয় থাকবে না।’ প্রায় ১১ বছর আগে স্ত্রী’-রোগ চিকিৎসক হিসাবে

কাজ শুরু করার পরে তার হাতেই জন্ম হয়েছে অসংখ্য শি’শুর। তবে সিজারিয়ান করে ছেলের জন্মের পরে প্রথম তাকে কোলে নেওয়ার অনুভূতি একেবারে অন্যরকম বলেই জানান তিনি। শিউলিদেবী জানান, এমডি পড়ার সময় থেকেই বাড়ি থেকে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়া শুরু হয়। কিন্তু বিয়ে বিষয়টি ছিল তার অ’পছন্দের। শিউলি বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে ক্রমশ একাকী’ত্বও বাড়ছিল। অল্পতেই রেগে যাচ্ছিলাম। তখনই এই সিদ্ধান্ত নিলাম।’ এর পরেই বাবা-মায়ের সঙ্গে আলোচনা করে পাকাপাকি ভাবে সিঙ্গেল পেরেন্ট হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তিনি। নিজের হাসপাতালের স্পার্ম ব্যাঙ্ক থেকে শুক্রাণু নিয়ে প্রবেশ করানো হয় তার শরীরে। হায়দরাবাদ ও মালদহের দুই মহিলাও তার চিকিৎসাতে সিঙ্গেল মাদার হতে চলেছেন।খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।