সর্বশেষ আপডেট
মেডিকেলে চান্স পেলো রাজমিস্ত্রির মেয়ে জাকিয়া সুলতানা কলেজে না গিয়েও এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় নেহা । বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসা করে যা বললেন মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধান । বাড়ির নিচতলায় গাড়ী চালকদের জন্য থাকা ও নামাজের ব্যবস্থা করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী । প্রেমের টানে বাংলাদেশে ভারতীয় গৃহবধূ, সীমান্তে উত্তে’জনা । গোয়ালঘরে শিকলে বাঁধা বৃদ্ধা মা বললেন, মোর পোলারা ভালো । সাড়ে ৮ লাখ টাকা দিয়েও চাকরি হয়নি, কাঁদলেন প্রার্থী । গরু ছেড়ে নারীদের প্রতি বেশি যত্নবান হোনঃ মোদিকে এক নারী । যে কারণে তুহিনকে নি’র্মমভাবে হ’ত্যা করলেন বাবা । পিয়ন থেকে যেভাবে ১২০০ কোটি টাকার মালিক যুবলীগের আনিস ।
নখের কোণা ওঠা সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় ।

নখের কোণা ওঠা সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় ।

হুট করেই নখের কোণায় প্রচণ্ড ব্যথা, একটু খেয়াল করতেই দেখলেন যে বেকায়দা ভাবে নখ বৃদ্ধি পেয়েছে আর ঢুকে যাচ্ছ মাংসের ভেতরে।

এমন একটা স্থানে যে কেটে ফেলারও কোন উপায় নেই, কেননা তাতে মাংস কাটা পড়বে। এই সমস্যাটিকেই বাংলায় আমরা বলে থাকি “নখের কোণা ওঠা”। নখের নিচের মাংস খুবই স্পর্শকাতর, তাই এই সামান্য সমস্যাতেই প্রচণ্ড ব্যথা ও ঘা হয়। কী করবেন?

জেনে নিন ব্যথা কমানো ও ইনফেকশন প্রতিরোধ করার সহজ উপায় -হাত বা পা উষ্ণ লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন মিনিট দশেক। যতটা সহ্য করতে পারেন, ততটা গরম পানি নেবেন।

-কাজ শুরুর আগে মেনিকিউর সেট গরম পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করে নিন। এবার পা/হাত ভালো করে মুছে নিন। মুছে নেয়ার পর নখ কাটুন। বেড়ে ওঠা বাড়তি নখ ও তার আশেপাশে যতটা সম্ভব কেটে ফেলুন।

-এবার রয়ে যাওয়া বাড়তি নখ চিমটার সাহায্যে সামান্য উঁচু করে ধরুন এবং আরেকটি চিমটার সাহায্যে সামান্য একটু তুলো নখের নিচে গুঁজে দিন। খুব সাবধানে কাজটি করুন। এই কাজটি আপনার নখে ব্যথা হতে দেবে না।

-যতদিন নখে বড় না হচ্ছে আর আপনি কেটে যন্ত্রণাদায়ক বাড়তি কোণা বাদ দিতে না পারছেন, ততদিন পর্যন্ত এভাবেই তুলো দিয়ে রাখুন। দিনে ২/১ বার বা জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে তুলো বদলে দেবেন।

-যদি ইতিমধ্যেই ইনফেকশন হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারের কাছে যান। এই পদ্ধতি অবলম্বন করবেন না। পা/হাত সর্বদা পরিষ্কার রাখুন এবং এমন হলে মোজা পরিধান করবেন না।

কুনি নখ খুবই যন্ত্রণাদায়ক একটি সমস্যা। হাতে বা পায়ের নখে এই সমস্যা হলে বেশ কয়েক দিন হাঁটাচলা বা কাজ করতে বেশ অসুবিধা হয়। নখ কাটতে গিয়ে বা কোনো কিছুতে লেগে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। এই ক্ষত স্থানে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে কুনি

নখের মতো যন্ত্রণাদায়ক সমস্যার সৃষ্টি হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও’র ‘ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক’-এর পোডিয়াট্রিস্ট (বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক) জিওরজিয়ানি বুটেক জানান, নখের পাশের ত্বকের মধ্যে সৃষ্টি হওয়া ফাটলের

মধ্য দিয়ে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করে সংক্রমণ সৃষ্টি করে। এর ফলে আরো অনেক বেশি যন্ত্রণা হতে থাকে। তবে কয়েকটি ঘরোয়া উপায় কাজে লাগিয়ে এই সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আসুন জেনে নেয়া যাক কুনি নখের ঘরোয়া প্রতিকার সম্পর্কে-

সাদা ভিনেগার: ২ কাপ উষ্ণ গরম পানিতে ১ কাপ সাদা ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এই ভিনেগার মেশানো পানি মিনিট পনেরো কুনি নখে আক্রান্ত আঙুলটি ডুবিয়ে রাখুন। তারপর শুকনো করে মুছে নিন। দুই-এক দিনের মধ্যেই সেরে যাবে কুনি নখ।

টি ট্রি অয়েল: ১ চামচ নারকেল তেলে ২ থেকে ৩ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিন। এই তেল তুলো দিয়ে কুনি নখ আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে মিনিট দশেক রেখে দিন। দিনের মধ্যে

দুই-তিন বার এমনটা করতে পারলে দ্রুত সেরে যাবে কুনি নখ। রসুন: ১ কাপ সাদা ভিনেগারের সঙ্গে কয়েক কোয়া রসুন কুচিয়ে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ কুনি নখ আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে পরিষ্কার কাপড় বা ব্যান্ডেজ দিয়ে বেঁধে রাখুন।

যত দিন না সারছে, তত দিন এই পদ্ধতি মেনে চলুন। উপকার পাবেন। অ্যাপল সিডার ভিনেগার: ২ কাপ পানির সঙ্গে ২ কাপ অ্যাপল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে ওই মিশ্রণে ৩০ মিনিট কুনি নখ আক্রান্ত আঙুলটি ডুবিয়ে রাখুন। তারপর শুকনো করে

মুছে নিন। দুই-তিন দিনের মধ্যেই সেরে যাবে। পাতিলেবুর রস: কুনি নখ আক্রান্ত অংশের জায়গায় দুই-এক ফোঁটা পাতিলেবুর রস লাগান। ২৫ থেকে ৩০ মিনিট রেখে উষ্ণ গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন। যত দিন না সারছে, তত দিন এই পদ্ধতি মেনে চলুন। উপকার পাবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]