সর্বশেষ আপডেট
পবিত্র কোরআনের হাফেজের মুখে লাথি মেরেছিল বুয়েট ছাত্রলীগ সভাপতি । মা’রতে মা’রতে ঘে’মে যায় অনিক, পা ধরে অ’নুনয় করেছিলো আবরার । যৌ’নপল্লীতে যাওয়া পুরুষদের গোপন তথ্য ফাঁ’স । গাছে ঝুলন্ত শিশুর পেটে বিদ্ধ দুটি ছুরিতে দুজনের নাম । দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো থাকলে বিনা মূল্যে হজ্জ পালনের সুযোগ দিতামঃ ইমরান খান । হাজারো ভক্তের হৃদয় ভেঙে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন সাবিলা নূর । বিসিএস সিলেবাস, যার শুরু আছে কিন্তু শেষ বলে কিছু নেই । লাক্স সুন্দরী এখন স্বামীসহ বিসিএস ক্যাডার । আবরার ফাহাদকে নিয়ে ভারতীয় তরুণীর যে হৃ*দয়*স্পর্শী স্ট্যাটাস ভা*ইরাল । চোখে নেই আলো, কুরআনের আলোয় আলোকিত ওরা তিন হাফেজ ।
যেভাবে বুঝবেন লিভারে চর্বি হয়েছে কি’না?

যেভাবে বুঝবেন লিভারে চর্বি হয়েছে কি’না?

লিভারযখন চর্বিযুক্ত হয় তখন তাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ফ্যাটি লিভার বলা হয়। ফ্যাটি লিভারের জন্য শরীরে বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। ফ্যাটি লিভারের সমস্যা থেকে লিভার সিরোসিসের মতো মারাত্মক রোগ হতে পারে। আবার সময় মতো এই রোগের চিকিৎসা করাতে না পারলে মৃত্যুও হতে পারে। এবার জেনে নিন ফ্যাটি লিভারের প্রাথমিক উপসর্গগুলো…

১. যদি দেখেন প্রস্রাবের রং অতিরিক্ত মাত্রায় গাঢ় হলুদ, তাহলে তা ফ্যাটি লিভারের সমস্যার প্রাথমিক উপসর্গ হতে পারে।

২. যদি অল্প পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠেন, অতিরিক্ত ক্লান্ত লাগে বা সারাদিন খুব ক্লান্ত অনুভব করেন, তাহলে তা ফ্যাটি লিভার সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ।

৩. ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় ত্বক অস্বাভাবিক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়াও ত্বকে ছোপ ধরা বা গলার কাছের ত্বকের স্বাভাবিক রং পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে।

৪. পেট খারাপ না হওয়া সত্ত্বেও অকারণে মাঝে মধ্যেই পেটে ব্যথা হলে তা ফ্যাটি লিভার সমস্যার প্রাথমিক উপসর্গ হতে পারে।

৫. ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় শরীরের পেশী ক্ষয় হতে থাকে। এর সঙ্গেই হাতের শিরা জেগে ওঠা বা বেরিয়ে আসে, চেহারায় বয়স্ক ভাব লক্ষ্য করলে লিভার পরীক্ষা করিয়ে নিন। কেননা এটি ফ্যাটি লিভারের প্রাথমিক উপসর্গ।

৬. পেটের মেদ বা ভুঁড়ি যদি ক্রমাগত বাড়তে থাকে তাহলে অবশ্যই ফ্যাটি লিভার হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করিয়ে নিন। ফ্যাটি লিভারের সমস্যা ধরা পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনুন।

আরো পড়ুন… দাঁতে ব্যথা! পাথর জমে হলুদ আবরণ পরে গেছে দাঁতে। অনেকেই ভুগে থাকেন এই সমস্যাটিতে। দেখা যায়, তাদরে দাঁতে কমবেশি হলুদ বা বাদামি খনিজ পদার্থের আবরণ।

ডাক্তারি ভাষায় যাকে টার্টার বলা হয়। তবে সাধারণ মানুষ একে দাঁতের পাথর হিসেবে জেনে থাকেন। মূলত নিয়মিত দাঁত পরিষ্কার না করলেই এই টার্টার বাড়তে থাকে। যা দাঁতের ‘পিরিওডোনটাইটিস’ নামক রোগেরও কারণ।

পিরিওডোনটাইটিস কীঃ ‘পিরিওডোনটাইটিস’ হলে দাঁতের মাড়ির টিস্যুতে প্রদাহ হয়। ফলে মাড়ি সংকোচিত হয়ে অকালে দাঁত পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

এ সমস্যা এড়াতে প্রয়োজন নিয়মিত দাঁতে জমা টার্টার পরিষ্কার করা। টার্টার দূর করার প্রথম সমাধান হলো ডেন্টিস্ট। তবে আপনি চাইলে বাড়িতে বসেও এ সমস্যার সমাধান করতে পারেন।

টার্টার পরিষ্কার করতে যা লাগবে: * বেকিং সোডা * ডেন্টাল পিক * লবণ * হাইড্রোজেন পেরোক্সাইড * পানি * টুথব্রাশ * কাপ * অ্যান্টিসেপটিক মাউথ ওয়াশ টার্টার দূর করতে সবচেয়ে সহজলভ্য ও কার্যকরী উপাদান হচ্ছে বেকিং সোডা। আসুন এবার জেনে নিই টার্টার দূর করার পদ্ধতি।

প্রথম ধাপঃ কাপে এক টেবিল চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে ১/২ চা চামচ লবণ মেশান। এবার গরম পানিতে টুথব্রাশ ভিজিয়ে বেকিং সোডা ও লবণের মিশ্রণ দিয়ে পাঁচ মিনিট ধরে দাঁত ব্রাশ করুন। সবশেষে কুলকুচি করে নিন।

দ্বিতীয় ধাপঃ এক কাপ হাইড্রোজেন পেরোক্সাইডের সঙ্গে ১/২ কাপ হালকা গরম পানি মেশান। এই পানি মুখে নিয়ে এক মিনিট রাখুন। এরপর ১/২ কাপ পানি দিয়ে কুলকুচি করে ফেলুন।

তৃতীয় ধাপঃ ডেন্টাল পিক দিয়ে দাঁতের হলুদ টার্টার ধীরে ধীরে ঘষে তুলুন। মাড়ির ক্ষতি এড়াতে ডেন্টাল পিক ব্যবহারের সময় সাবধানতা অবলম্বন করুন। চতুর্থ ধাপঃঅ্যান্টিসেপটিক মাউথ ওয়াশ দিয়ে কুলকুচি করুন।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]